Hazrat Umar (ra.): Biography

Islamic Women

Multimedia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Multimedia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৯ মে, ২০১৩


ইন্টারনেট আপলোড গতি কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলো বিটিআরসি 


অবশেষে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথে আপলোডের গতি কমানোর নির্দেশনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ আজ দুপুরেপ্রিয়.কমকে জানিয়েছেন "অনেক আগেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।"
আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যন্ডউইথ নিয়ন্ত্রন ও পাইকারি ব্যান্ডউইথ আইএসপিদের কাছে বিক্রি করে এবং আইএসপিগুলো গ্রাহক পর্যায়ে এ সেবা দিয়ে থাকে।বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৬টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোকে (আইআইজি) প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এসব আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আজ রোববার সকালে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে বিষয়টি জানিয়েছে বিটিআরসি। সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পরপরই আইআইজিগুলো ইন্টারনেট আপলোড গতি স্বাভাবিক করেছে।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রিয়.কমকে জানিয়েছেন "অনেক আগেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।"
তবে "অনেক আগে" বলতে আজ নাকি আরও আগে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে তা তিনি বলতে রাজি হননি।
এমনকি বিটিআরসির ওয়েবসাইটেও এ ব্যাপারে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বেলা পৌনে তিনটা পর্যন্ত) কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি।
গিয়াসউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, এখন কোথাও আপলোড নিয়ে কোন সমস্যায় নেই। সব ঠিক হয়ে গেছে।
গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা বন্ধে ইন্টারনেট আপলোড গতি ৭৫ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
বিটিআরসি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোকে (আইআইজি) এ নির্দেশনা দেওয়ার পর থেকেই ইন্টারনেট আপলোড স্পিড কমে যায়।
ফলে ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ফ্রিল্যান্সাররাসহ অনেকেই বিপাকে পড়েন।
বৃহস্পতিবার থেকেই অনলাইনে এই নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। অবশেষে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বিটিআরসি।

বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৩

Bangladesh newspaper editor arrested in raid


Ruling party officials recently accused Mahmudur Rahman's pro-opposition daily of inciting violence.

Last Modified: 11 Apr 2013 07:00



 
 

Al Jazeera's correspondent, who we are not naming for security reasons, reports on the arrest from Dhaka
Police in Bangladesh have arrested the acting editor of a pro-opposition newspaper on various charges.

Mahmudur Rahman was arrested in a raid on the office of the Bengali-language Amar Desh newspaper in Dhaka on Thursday.

Security officials would not immediately say what charges would be brought against him.

The Ekattor TV station said the editor would face eight charges, including sedition and cybercrime.
Police told local media that Rahman would appear before a Dhaka court later on Thursday.

Leaders of the government's ruling party have accused the daily of inciting violence during recent political unrest.
Amar Desh is the leading opposition paper in the country. Its circulation and online audience have increased significantly due to recent investigative reports and its anti-government stand.
Human rights groups have accused the ruling Awami League party of harassment of Rahman and his paper.
Government officials filed charges including defamation and sedition against him in 2009, 2010 and 2012.
Banglaboipora

আগামি ৫ মিনিট এই পোস্ট আপনাদের সবাইকে স্তব্ধ করে দেবে 


Banglaboipora
এই পোস্ট ফেসবুকের এক আপুর লেখা । সম্পূর্ণ লেখাটি কপি পেস্ট করলাম ।
এই নোট পড়ে খারাপ লাগলে নির্দ্বিধায় আমাকে আনফ্রেন্ড করতে পারেনআমার ভেতর থেকে প্রচন্ড তাগিদ না পেলে আমি লিখতে বসিনা। ওটা আমার কাজও না। ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতেও আমার আপত্তি নেই যতটা আপত্তি এই লিখার ক্ষেত্রে। এই লিখা যখন লিখছি তখন প্রচন্ড রাগে আমার গা জ্বলছে।আমি এত ভূমিকা না করে সরাসরি আসল কথায় আসি। স্পা না করলে কি মেয়েরা মরে যাবে? বাঙ্গালী মেয়ারা যথেষ্ঠ রূপবতী। এই রূপ গত কয়েক বছরে ধুম করে জেগে ওঠেনি। তারা আগেও রূপবতী ছিল এখনো আছে। আমি জানিনা যে স্পা তে এমন কি আছে যে তার রূপে এমন বিশেষ কিছু অ্যাড করবে যা না থাকলে তার জীবন চলবেনা? যার কারনে অন্য একজন মানুষের সামনে আধা নগ্ন হয়ে body message করাতে হবে। লজ্জা শরমের মাথা কি কাঁচাই খেয়ে ফেলছি আমরা?আমাদের মায়েরা ,দাদীরা,নানীরা তো কোনদিন এইসব করেনি। তাতে কি আমাদের বাবারা, নানারা,দাদারা তাদের ছেড়ে চলে গেছে? না তাদের বিয়ে হয়নি? কি ক্ষতি হয়েছে তাদের যারা নিজেদের অন্যের সামনে কাপড় খুলে শরীর মর্দন করান নি?আমি নিজে মেয়ে মানুষ। আমি খুব ভাল করেই জানি মেয়েরা এত সাজ গোজ কেন করে। খুবই সিম্পল উত্তর। মানুষ তাদের দিকে তাকাবে , প্রশংসা করবে। কার না ভাল লাগে প্রশংসা শুনতে! আমারো ভাল লাগে।কিন্তু আপারা দুনিয়ায় খালি আমরা মেয়েরাই নাই। আমাদের ভাইরাও আছে। সৃষ্টিগতভাবে যারা আপনাদের উপর এবং আপনারা তাদের উপর দূর্বল। কিন্তু এইটা ভাইদের ক্ষেত্রে একটু না অনেক বেশি। এই কথাগুলা বলতে আমার খুবই খারাপ লাগে। অনেক বেশি লজ্জা লাগে এই জন্য যে এত ব্যাখ্যা করে আমার বোনদেরকে এসব আমার বলতে হয়। আমি বাংলায় এসব লিখতে পারবনা।Most of the man gets sexually aroused when---আপনি টাইট ফিটিং কাপড় পরেন।আপনি ওড়না পরেন না/ গলায় ঝুলায় রাখেন/ একপাশে ঝুলায় রাখেন।আপনি যখন অর্ধস্বচ্ছ কাপড় পরেন।আপনার পেট/পা/পীঠ যখন দেখা যায়।আপনি যখন ঠোঁট রাঙ্গান।আপনি যখন চোখে স্মোকি সাজ পরেন।আরও শত শত কারন থাকতে পারে।কি ? মনে হচ্ছে যে ছিঃ ছিঃ ছেলেরা এত খারাপ! তাইনা? The fact is that they are CREATED like this. Do you understand my dear sisters? THEY ARE CREATED BY ALLAAH LIKE THIS.শুধু আল্লাহ্‌র ভয়/সমাজের ভয়/ ভালত্ব/ সুস্থ বিবেক আছে দেখেই এখনো কোন ভাই এই ধরণের আপাদের রাস্তায় ধরে কষে কষে কয়েকটা চড় বসান নি।[আল’হামদুলিল্লাহ। এই বিপদ আমার উপর আসার আগেই আল্লাহ্‌ আমাকে রক্ষা করেছেন।একবার কি হল, তখনো আমি ঠিকমত হিজাব করিনা, মাথায় একটু আধটু কাপড় দেই। একদিন প্রচন্ড গরমের মধ্যে ক্লাসে গেছি। মাথায় কাপড় দেইনি। আমাদের সাথে সিনিয়র অফিসাররাও ক্লাস করতেন। এঁদের মধ্যে একজন ভাই পুরো ক্লাসের মধ্যে আমাকে এমন ঝাড়ি দিলেন! টিচার ছিল, সব স্টুডেন্ট ছিল। আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম, ক্লাস থেকে বের হয়ে গেছি। অনেক কান্নাকাটি করেছি। ভাইয়া আমাকে বলেছিলেন, "The Jews know our scriptures better than us, but they do not follow.[Inspite of knowing about hijab you don't wear it properly,so] Do you think you are better than that Jew?" এই একটা কথা আমার ভেতরটা কাঁপিয়ে দিয়েছিল। আমি বলেছিলাম হিজাব পরলে আমার কষ্ট হয়, দম বন্ধ হয়ে যায়, এ সি রুমেও ঘামতে থাকি। উনি বললেন, " Did you ask Allaah to help you with this?" আসলেই তো, যার জন্যে হিজাব করছি তাঁর কাছেই তো সাহায্য চাইনি। আমি আর কোন উত্তর দিতে পারিনি ভাইয়াকে। উনি ঠিক কথাই বলেছিলেন আমাকে। হয়ত রুক্ষভাবে বলেছেন,কিন্তু ওই সময় আমার জন্য ওগুলো থাপ্পড়ের কাজ করেছে, আল'হামদুলিল্লাহ এখন তীব্র গরমেও মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে রাখলেও আমার কোন অসুবিধা হয় না। আমি গরম লাগার দোহাই দিই। কিন্তু ওইদিন কি হবে যেদিন সূর্য মাথার এক হাত উপরে থাকবে। আল্লাহ্‌ মাফ করুন। ]আপারা,আরো কয়েকটা uncensored কথা বলি। এটা জানেন তো যে মানুষ(অধিকাংশ) খুব সহজেই বোর হয়ে যায় আর নতুন কিছু খুঁজতে থাকে যা তাকে আনন্দ দেবে। পশিমাদের মধ্যে হোমসেক্সুলালিটি এত বেশি এর কারন নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন? কেন যেখানে চাইলেই মানুষ আপনার বিছানায় আসতে রাজী সেখানে কেন মেয়ে মেয়ের সাথে ছেলে ছেলের সাথে যেতে চায়? এরা নারী দেহ দেখতে দেখতে ক্লান্ত। এদের রূচি আস্তে আস্তে বিকৃত হয়ে গেছে। এখন তারা নিজেদের মধ্যে থেকেই সংগী খোঁজে। আল্লাহ্‌ মাফ করুন। হেদায়েত দিন।আপারা, আমার লেখা এলোমেলো হচ্ছে আমি জানি। রেগে আছি তো তাই।একটা কথা বলি শোনেন। আপনি মানুষকে যা দেখাবেন তা দেখেই তারা আপনার মূল্যায়ন করবে। মানুষের শরীরের সৌন্দর্য এক সময় শেষ হয়ে যায়। তাই আজকে যারা আপনাকে বলছে, তোকে তো দারুন লাগছে/ আপনার ফেসবুকের ছবিতে প্রশংসার পর প্রশংসা করে যাচ্ছে...... আর এই সব দেখে আপনি খুশিতে ডগমগ করেন।।আজ থেকে ২০ বছর পরের কথা চিন্তা করেন...এই ছেলেরা তখন ৩৮/৪০ ....তখন আপনার প্রশংসা করবেনা। তারা কিন্তু ঠিকই ১৬-২৫ দেরকেই খুঁজবে।কিন্তু আপারা, একটা কথা জানেন? মনের সৌন্দর্য শেষ হয় না। মন জরাগ্রস্ত হয়না। একটা সুন্দর মন, শালীন দেহ সর্ব কালে সর্ব যুগে প্রশংসিত। আজকের বোরকা পরা মেয়েকে দেখলে যেমন আপনার যারা প্রশংসা করে সেই ছেলেরাও মাথা নামিয়ে নেয়,আমার দাড়ি টুপি ওয়ালা ভাইরাও নামিয়ে নেয়। আজ থেকে ২০ বছর পর দেখলেও তারা দৃষ্টি নামিয়ে নিবে, ইনশা’আল্লাহ। আমার এই বোনেরা আজকেই সম্মানিত। কালকেও থাকবে ইনশাআল্লাহ্‌। আর আপনাদের কি হবে? আজকে আপনারা যাদের চোখ জুড়াচ্ছেন কাল তারা আপনার দিকে তাকাবেই না। আর সম্মান??? সেটা আজকেও কেউ আপনাদের করেনা, ভবিষ্যতে করবে কি আল্লাহ্‌ ভাল জানেন।আপারা, চাকরানী চেনেন??? দাসী চেনেন??? আপনার হলেন পুরুষদের চাকরানী নয়তো মেকাপের দাসী। ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নিয়ে এত সাজ গোজ যে করেন...পরে তো সেগুলো তত কষ্ট করেই ঘষে ঘষে তুলে ফেলতে হয়। কি লাভ এই কৃত্তিমতার?এই যে একেকজন ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং , ভার্সিটিতে পড়ছেন অথচ নিরেট মূর্খের মত আচরণ কেন করছেন?আপনার এত এত বিদ্যা আপনাকে কেন রঙ চঙ্গের আশ্রয় নেয়া থেকে বাঁচাতে পারেনা???কেন অফিসে/অফিসিয়াল কনফারেন্স/কনভোকেশন/নবীন বরণ/ ফেয়ারওয়েলে যাবার আগে আপনার নিজের চেহারায় এত ঘষা মাজা করতে হয়? এসব যায়গার তো আপনি আপনার লেখাপড়ার কল্যানেই যাচ্ছেন তাই না? তাহলে কেন সব কিছু ছাপিয়ে আপনার সাজ গোজ সেখানে প্রাধান্য পাবে???কি করলেন এত লেখাপড়া করে যা আপনার মানসিকতাকে বদলাতে পারেনি?দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়েও কেন আপনাকে ছোট ছোট কাপড়, কিছু রঙ চঙ্গের উপর নির্ভরশীল হতে হয়। বলতে পারেন?আপারা বলেন তো দেখি আপনার এক মাসের পার্লারের খরচ দিয়ে কয়জন ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়ানো যায়? আচ্ছা ধরলাম চালের কেজি ৫০ টাকা। ২০০০ টাকা হলে এক মণ চাল হয়। একটা ছোট পরিবারের ১৫-২০ দিনের খাবার ব্যবস্থা হয়ে যায়। কোনদিন ৫০০ টাকা খরচ করে ১০ কেজি চাল কিনে কোন দরিদ্র মানুষকে দেয়ার কথা ভেবেছেন কখনো? অথচ আপনার পা ঘষে দিলেই আপনি ৫০০ টাকা পার্লারে দিয়ে আসেন। কি আশচর্য! আপনি যখন পা দলাই মলাই করে নিচ্ছে তখন কোথাও কোন সনাবরু না খেতে পেয়ে গলায় দড়ি দিচ্ছে।আপনি যখন সেজে গুজে বন্ধু বান্ধবের সাথে নবীন বরণ বা ফেয়ারওয়েল এ নাচানাচি করছেন তখন আপনার বোন আফিয়া সিদ্দিকা/ফাতিমেকে প্রতি রাতে ১০ জন মার্কিন সৈন্য ধর্ষন করছে।RAPE. কখনো এদের জন্য আপনার চোখে পানি এসেছে? একবার চিন্তা করুন তো, আপনাকে বানরের মত খঁচায় রাখা হয়েছে যেখানে আপনি সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারেন না, আপনার গায়ে কাপড় পর্যন্ত রাখা হয় নি, আপনার সামনে আপনার দুই সন্তানকে জবাই করা হয়েছে,আপনার একটা একটা করে চুল টেনে টেনে উপড়ে ফেলা হয়েছে, আপনার পেটে গুলি করা হয়েছে, ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হয়েছে, তার সাথে সাথে যখন তখন আপনাকে ধর্ষন করা হচ্ছে। কি ...বেশি বলে ফেললাম???__________________________________________________________
[ফাতিমার চিঠি।][কপি পেষ্ট করলাম]

একটি হাতে লেখা দলিল সম্প্রতি ইরাকের আবু গারীব কারাগার থেকে উদ্ধার হয়। ফাতেমা ঐ এলাকার একজন খ্যাতিমান মুজাহিদের বোন। আমেরিকান সৈন্যরা কিছুদিন পূর্বে ঐ মুজাহিদের বাড়িতে হটাত হামলা চালায়। কিন্তু তাকে পায় না। তারা তার বোনকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় যেন ঐ মুজাহিদ নিজ থেকে ধরা দেয়।ফাতেমার মূল চিঠিটি এখানে দেয়া হল যা মাফকারাট আল ইসলামে(আরবী নিউজ এজন্সি) ইংরেজী অনুবাদসহ আরবীতে ছাপা হয়েছিল।ফাতেমার চিঠি“পরম করুনাময় আল্লাহতা’য়ালার নামে(হে মুহাম্মদ) তুমি বলো, তিনিই আল্লাহ তিনি এক একক। তিনি কারোর মুখাপেক্ষী নন, তার থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্ম গ্রহন করেননি। আর তার সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ নেয়।(সূরা আল-এখলাস)আমি আল্লাহর গ্রন্থ আল-কোরআন থেকে হতে এই পবিত্র সূরাটি পছন্দ করেছি কারন এর দারুন প্রভাব পড়েছে আমার উপর এবং আপনাদের সবার উপরে ও বিশ্বাসীদের হদয়ের এক প্রকার ভয় ও শ্রদ্ধা মিশ্রিত বোধের জন্ম দেবে। আমার ভাই মুজাহীদিন আল্লাহর পথে আছে।আপনাদের আমি কি বলবো?আমি আপনাদের বলছি : আমাদের গর্ভ বানর ও শূকুর জাতীয় লম্পটদের সন্তানে ভর্তি হয়ে আছে। যারা আমাদের ধর্ষণ করেছে। অথবা (আমি) আপনাদের বলতে পারি যে, তারা আমাদের দেহকে বিকৃত করেছে। আমাদের মুখমন্ডল জলসে দিয়েছে এবং আমাদের ঘাড়ে ঝোলানো কোরআনের ছোট কপিটি অযথা ছিড়ে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলেছে। আল্লাহু আকবার, আপনারা কি পরিস্থিতি অনুদাবন করতে পারছেন না? এটা সত্য আপনারা জানেন না আমাদের সাথে কি ঘটেছে। আমরা আপনাদের বোন। আল্লাহ হিসাব নিকাসের সময় ভবিষ্যতে এ সম্পর্কে আপনাদের জিজ্ঞাসা করবে। আল্লাহর কসম কারাগারে আসা পর্যন্ত আমাদের এমন কোন রাত কাটেনি যে রাতে বানর ও শুকুর জাতীয় অমানুষরা আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়েনি। তারা তাদের পূর্ণ স্বাদ মিটিয়ে নিস্তেজ হওয়া অবধি আমাদের দেহকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করতে থাকে। আমরাই তারা যারা আল্লাহর ভয়ে সব সময় সতীত্বকে কে রক্ষা করে এসেছি। আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। আমাদের ধংস করে দিন। তাদের আনন্দ উপকরন হিসাবে আমাদের রেখে যাবেন না। এভাবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর মহাকৃতিত্ব মর্যাদা সম্পন্ন করা হবে। আমাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করুন। তাদের কামান ও উড়োজাহাজ গুলো বাইরে রেখে আসুন। আবু গারীব কারাগারে আমাদের কাছে আসুন। আমি আপনাদের ধর্ম বোন। তারা আমায় একদিন নয়বারেরও বেশী ধর্ষন করেছে। আপনারা কি অনুধাবন করতে পারছেন? চিন্তা করুন আপনাদের এজন বোন ধর্ষিত হচ্ছে। আপনারা কেন ভাবতে পারছেন না আমি আপনাদের বোন? আমার সাথে আরো ১৩ জন মেয়ে আছে। সবাই অবিবাহিত। সবাই সবার সামনে প্রকাশ্য ধর্ষিত হচ্ছে। তারা আমাদের নামায পড়তে দেয় না। তারা আমাদের পোশাকগুলো নিয়ে নিয়েছে। আমাদের কাপড় পরতে দেয়না। আমাদের মধ্যে একজন মেয়ে আত্নহত্যার প্রতিজ্ঞা করেছে। তাই আমি এই চিঠিটি লিখছি। সে নৃশংসভাবে ধর্ষিত হয়েছে। একজন সৈনিক তাকে ধর্ষনের পর তার বুক ও উরুতে আঘাত করেছে। সে অবিশ্বাস্য অত্যাচারের দ্বারা তাকে ভোগ করেছে। মেয়েটি তার মাথা জেলের দেয়ালে সাথে আঘাত করতে লাগল যতক্ষন না তার মৃত্যু হয়, মেয়েটি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না। যদিও ইসলামে আত্নহত্যা নিষিদ্ধ। কিন্তু আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আশা করছি আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। কারন তিনি(আল্লাহ) সবার প্রতি অসীম দয়ালু। ভাই আপনাদের আবারও বলছি আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। তাহলেই আমরা হয়ত শান্তি পাব। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন।ড. আফিয়া সিদ্দিকা আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্নায়ু বিজ্ঞানী। অসামান্য ধীসম্পন্ন পি.এইচ.ডি ডিগ্রীধারী এ মহিলার সম্মানসূচক অন্যান্য ডিগ্রী ও সার্টিফিকেট রয়েছে প্রায় ১৪৪টি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রন্ডেইস বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে Neurology বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে। তিনি হাফিযে কুর‘আন ও আলিমা। পবিত্র কুর‘আন ও হাদীসে পারদর্শিনী এ মহিলা ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত দ্বীনদার ও পরহেযগার। ইসলামী আদর্শ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি রয়েছে তাঁর স্ট্রং কমিটমেন্ট। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফ.বি.আই পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আল কায়েদার সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথিত অভিযোগে ২০০৩ সালে ড. আফিয়াকে তাঁর তিন সন্তান আহমদ, সুলায়মান, ও মরিয়মসহ করাচীর রাস্তা থেকে অপহরণ করে। পাকিস্তানের কোন কারাগারে না রেখে এবং পাকিস্তানী আদালতে উপস্থাপন না করে পাঁচ বছর ধরে তাঁকে আফগানিস্তানের বাগরাম সামরিক ঘাঁটিতে বন্দী করে রাখা হয়। এরপর চলে তাঁর উপর অমানুষিক শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন। বাগরামে কুখ্যাত মার্কিন কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা বলেছেন, ‘নির্যাতনের সময় একজন নারী বন্দির আর্তচিৎকার অন্য বন্দিদের সহ্য করাও কষ্টকর ছিল.........।দেখুন আফিয়ার ছবি। অত্যাচারের আগের ও পরের ছবি। 
জি, আফিয়া ,ফাতিমাদের সাথে এরকমই করা হচ্ছে। যেখানে তারা নিজেদের আব্রু বাঁচাতে পারছেনা সেখানে আপনি নিজের আব্রু বিলিয়ে দিচ্ছেন?
বোন...লজ্জা কর, ভয় কর আল্লাহকে।
Collected From
Sister
Shabnaj Mithila
যারা কষ্ট করে লেখাটি পড়লেন সবাইকে ধন্যবাদ । সবার কাছেই আমার অনুরোধ আপনার সব বন্ধুদেরও লেখাটি পড়ান। জোর করে হলেও পড়ান । কারন শুধু আপনি ভাল হলেই হবেনা, ঘুণে ধরা সমাজকে বাঁচাতে হলে সবাইকেই জানাতে হবে। যারা ভুল পথে ছিলেন তারা সঠিক পথের দিশা পাবেন লেখাটি পড়ে। তাই লেখাটি আমাদের গ্রুপের মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন, কিংবা নিজের নাম দিয়ে অন্য কোথাও পোস্টও করতে পারেন, কারো কোন আপত্তি নাই। কারন লেখিকা হাততালি পাওয়ার আশায় পোস্টটি লেখেন নাই। লেখেছেন মানুষকে ভুল পথ থেকে ফেরাতে। তাই সবাই লেখাটি শেয়ার করেন, প্রিয় মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিন।
 [From:hardtalksoft Blog]

ডিজিটাল পড়াশুনা  


প্রযুক্তি নিয়ে পড়ে থাকার পাশা পাশি....পড়াশুনাও করতে হবে। লেখাপড়া শেষ হয়ে গেলেই পড়াশুনা শেষ হয়ে যায় না। শেষতো নয়রে ভাই এ যেন শুরু। কি আর করার বিরক্ত হলেও পড়তেই হবে...আজ এই পরীক্ষা কাল ঐ পরীক্ষা। পরীক্ষাই জীবনের বারটা বাজিয়ে দিল। আমরা সবাই সবজান্তা হতে চাই কিন্তু পড়তে রাজি নই। আসুন টিউনার হওয়ার পাশাপাশি...পড়াশুনার টাব খোলা রেখে ওয়েব নিয়েও মাতি...প্রতিদিনই নতুন কিছু জানি!বুঝলাম আপনি অনেক জানেন? বিসিএস, পিএসসি, ভর্তি সহ সব ধরনের পরীক্ষার উপযোগী। বলুনতো.........
  • ষ্টেট ডুমা যে দেশের আইনসভা?
  • কোন দেশ ও রাজধানীর নাম একই?
  • প্রাচীনতম সাহিত্যকর্ম?
পারলেন না তো!!আমরা বারে বারে পড়লেও বিষয়গুলো মনে থাকে না বা থাকতে চায় না এই ধারণা থেকে আমি সাইটি তৈরি করি। এছাড়াও আমি টেক্সট ভিত্তিক আরও একটি সাইট তৈরি করি। ঐ রকম হাজারও প্রশ্ন ও উত্তর জানাতে আমার এই ক্ষুদ্র আয়োজন*Audio শুনতেwww.digitalporashuna.tkবিসিএস ও পিএসসি প্রস্তুতি (২১০০+)  সাধারণ জ্ঞান ও ভর্তি প্রস্তুতি (১২০০)  সাহিত্য ও বই (৫৬৭)  কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স (১৮০)  তথ্য ও প্রযুক্তি (২৩০)সেরা তিন (৭০০)  বিজ্ঞান (৩০০)  মাল্টিমিডিয়া শিক্ষা (৪০)  প্রেম মঞ্চ (৬৫)  ইসলাম (১০১)  খেলাধুলা (২০০)  হাসির বাক্স (৯৯)  বিবিধ (৯২)লাইক বাটন ও মন্তব্য দিন (২০*Text   পড়তে www.ghankosh.blogspot.comপ্রথম পাতা  ই-বুক  কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স  জীবনী  তথ্য ও প্রযুক্তি  পিএসসি প্রস্তুতি  বিসিএস প্রস্তুতি ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতিসাধারণ জ্ঞান (১০৫)  বই ও সাহিত্য (২২)  মাল্টিমিডিয়ায় শিক্ষা (১৪)  বাংলা (২৭)  ইংলিশ (৯৫)  গণিত (২১)  হিসাববিজ্ঞান ও ম্যানেজমেন্ট(৩০) ইতিহাস,পৌরনীতি,ভূগোল (১৩)  জীব,পদার্থ,রসায়ন(২৫)  ইসলাম (১৯)  খেলাধুলা (৪৭)  বিনোদন (৯৮)  অট্ট হাসির বাক্স (৩০১)  শ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত সব বানী (১০০)  শিক্ষা ও বৃত্তি খবর (২০০+)  অনলাইন হাজার পরীক্ষা (১০০০)  বিবিধ (২০৩)  লাইক বক্স, মতামত ,ভিজিটরস (৫) 

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৩

:: Islamic Revolution in Bangladesh :: 

Bangladesh protesters demand blasphemy law

Hundreds of thousands of marchers call for law that would include death penalty for bloggers who they say insult Islam.


মতিঝিল  এর  শাপলা  চত্ত্বরে  লাখো মানুষের ঢল :১

মতিঝিল  এর  শাপলা  চত্ত্বরে  লাখো মানুষের ঢল :২


Hundreds of thousands of people have held protests in Bangladesh to demand that the government introduce an anti-blasphemy law that would include the death penalty for bloggers who insult Islam.

Protest organisers called Saturday's rally the "long march", with many travelling from remote villages to the capital, Dhaka's Motijheel area that became a sea of white skull caps and robes.

Supporters of Hefazat-e-Islam, an Islamist group which draws support from tens of thousands of religious seminaries, converged on Dhaka's main commercial hub to protest against what they said were blasphemous writings by atheist bloggers, shouting "God is great - hang the atheist bloggers".
"I've come here to fight for Islam. We won't allow any bloggers to blaspheme our religion and our beloved Prophet Mohammed," said Shahidul Islam, an imam at a mosque outside Dhaka who walked 20km.
"I've come here to fight for Islam. We won't allow any bloggers to blaspheme our religion and our beloved Prophet Mohammed."
- Shahidul Islam, an imam at a mosque outside Dhaka
The religious group, which has the backing of country's largest party Jamaat-e-Islami, organised the rally in support of its 13-point demand including enactment of a blasphemy law to prosecute and hang what they call atheist bloggers.

They defied a pro-government national strike by secular protesters - who staged a smaller rival protest in Dhaka - aimed at foiling the Islamists' march.

"Around 200,000 people attended the rally," Dhaka's deputy police commissioner Sheikh Nazmul Alam told AFP news agency, while protest organisers put the number at over half a million.
A local leader of the ruling Awami League party was killed in Bhanga, a town southwest of Dhaka, when Hefazat-e-Islami party supporters clashed with pro-government activists.
Deepening tensions
Al Jazeera's correspondent, who cannot be named for safety reasons, speaking from Dhaka, said that very huge crowds had gathered.
She said that while there was a lot of support for the march from the countryside where Hefazat-e-Islam is good at mobilising people from, the country is very divided.

It was the latest protest to rack Bangladesh, deepening tensions between secularists and the largest Islamic party, Jamaat-e-Islami, whose leaders are under trial for crimes committed during the country's 1971 war of independence.
Follow in-depth coverage of war crimes trials in Dhaka
The bloggers, who deny they are atheists, have sought capital punishment for those found guilty of war crimes during the nation's liberation war.

Both secular and conservative Muslim protesters have taken to the streets over the war crimes trials, and more than 70 people have been killed in the violent protests that have taken place since February when a prominent Jamaat leader was sentenced to death.
A well-known protester and blogger, Ahmed Rajib Haider, was killed reportedly by Jamaat supporters.

Bangladesh says as many as three million people were killed and thousands of women raped by Pakistani troops and local collaborators during the war.

Sheikh Hasina, the current prime minister and Awami League leader, initiated the war crimes trials in 2010. Ten of the defendants convicted or on trial are from Jamaat-e-Islami, while two others belong to main opposition Bangladesh Nationalist party.
Speaking to Al Jazeera, Shakil Ahmed of Ekattor television in Bangladesh, said that the protests on Saturday were peaceful and had been fuelled by misinformation on both sides.
"Wrong information has been spread out by some of the activists," said Ahmed.

'More of a reaction'Zafar Sobhan, editor of the Dhaka Tribune, speaking to Al Jazeera's via Skype from Dhaka, said that while the government was had maintained a "neutral line" and was "scrambling" to prevent an "explosive" situation, he believed it was unlikely that a blasphemy law would be introduced.
Sobhan said that the march was less about a blasphemy law but was more of a reaction to calls for the death penalty for political party leaders being tried for war crimes.
Our correspondent said that the real pressure would be felt on the country's economy.

Last week, four online writers were arrested on charges of hurting religious sentiment through their Internet writings against Islam.
"Every time there is a strike it shuts down the economy ... Economic issues are likely to put pressure on the ruling Awami party."
Sobhan said the arrests were being seen as a "heavy-handed measure" to appease Islamists.
Muhiuddin Khan, Bangladesh home minister, said on Wednesday the government had identified 11 bloggers, including the four detainees, who had hurt the religious sentiments of the nation's majority Muslim population.
The government has blocked about a dozen websites and blogs to stem the unrest. It has also set up a panel, which includes intelligence chiefs, to monitor blasphemy on social media.
Under the country's cyber laws, a blogger or Internet writer can face up to ten years in jail for defaming a religion.

মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৩