Hazrat Umar (ra.): Biography

Islamic Women

Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৩

ফেইসবুক এর উপর নজরদারী

ফেইসবুক এর  উপর নজরদারী 
  

কিছু বিষয়ে গোপনীয়তা আর নিরাপত্তা কে না চায়! ফেসবুকে তেমন কিছু আশা করবেন না যেন৷ যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি নিয়ে কথা হচ্ছে প্রচুর৷ ফেসবুকের কর্তাব্যক্তিরাও নাকি সব তথ্য দিয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের!
ম্যাক্স কেলি ২০১১ সাল পর্যন্ত ছিলেন ফেসবুকের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা৷ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর প্রধান দায়িত্ব৷ তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ)-র হয়ে সে দেশের নিরাপত্তা খুব ভালোভাবে নিশ্চিত করছেন৷ এবং এ কাজটি তিনি করছেন দু'বছরেরও বেশি সময় ধরে৷ নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা এ খবর জানানোর পর ফেসবুকের এই সাবেক কর্মকর্তাকে নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা-উদ্বেগের শেষ নেই৷ তাঁর ফেসবুক ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের শক্তি জোগানোয় নেমে পড়া বেশ কিছু প্রশ্নকে নিয়ে এসেছে সামনে৷ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন – ফেসবুকের ভেতরেই যদি ‘শত্রু' ঘাপটি মেরে থাকে তাহলে আপনার-আমার নিরাপত্তা দেবে কে? ফেসবুক? কীভাবে?
যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারির থাবার গোটা চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়
বন্ধু নির্বাচন, গোপনীয়তা রক্ষা, বন্ধু হবার আহ্বানে সতর্কতা অবলম্বন – এসবে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থ রক্ষার্থে ফেসবুকের দৃশ্যমান উদ্যোগের অভাব নেই৷ উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব সবাই কম-বেশি বোঝেন৷ খুব পরিচিতরাই যেখানে জীবনের নানা পর্যায়ে অভাবনীয় রূপে, অচেনা শত্রুর বেশে আবির্ভূত হন, সেখানে ফেসবুকে দু'দিনের পরিচিতরা কতটাই আর বন্ধু হবেন৷ ফেসবুকের প্ল্যাটফর্মে  বন্ধুত্বের আশ্বাস দিয়ে বাড়ানো হাতে হাত রাখার আগে দ্বিতীয়বার ভাবতে তো হবেই! কিন্তু এত সতর্ক ‘বন্ধুবেশী বন্ধু' ফেসবুকই বা কতটা ‘বন্ধু' যেখানে তাদের ভেতরের মানুষই গোপনে গোয়েন্দাদের হয়ে কাজ করেন?
ম্যাক্স কেলির এনএসএ-তে ঢুকে পড়ার বিষয়টি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মনে শঙ্কার জন্ম দিয়েছে৷ তবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে এমন অনেকের কাছেই ঘটনাটি একেবারেই অস্বাভাবিক নয়৷ ওয়াশিংটন ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা ‘সেন্টার ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি'-র নির্বাহী পরিচালক জেফ্রি চেস্টার তাঁদেরই একজন৷ তাঁর মতে, ফেসবুক অনেক আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে তথ্য প্রদান করে আসছে৷ গুগল এবং মাইক্রোসফটও নাকি এমন চুক্তি করে উপার্জন বাড়াতে আগ্রহী৷

সোমবার, ১ জুলাই, ২০১৩

ই-সিগারেট ওষুধ হিসেবে কাজ করছে 

  

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর৷ অথচ এই ক্ষতি এড়াতে মানুষ যখন ধূমপানই করে তখন আশ্চর্য লাগে বৈকি! আরো অবাক হতে হয়, যখন এক ধরনের সিগারেটকেই দেয়া হয় ওষুধের মর্যাদা৷ ই-সিগারেটকে এক অর্থে সেরকম মর্যাদাই দিতে চলেছে ব্রিটেন৷
ই-বুক, অর্থাৎ ইলেকট্রনিক বুক যেমন আধুনিকতম প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে বই পড়ার ব্যবস্থা,ই-সিগারেট ঠিক সেরকম নয়৷ ইলেকট্রনিক সিগারেট মূলত ধূমপায়ীদের নেশা কমানোর ব্যবস্থা৷ এটা ব্যাটারি চালিত এমন এক ডিভাইস, যা দেখতে সিগারেটের মতো হলেও ভেতরে নিকোটিন থাকে খুব সামান্য৷ টানবেন, ধোঁয়া বেরোবে, ধোঁয়ায় নিকোটিনের গন্ধ আছে বলে মনে হবে সিগারেটই টানছেন, কিন্তু এর ফলে শরীরের ক্ষতি বলতে গেলে হবেই না৷
ই-সিগারেটের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে
শুরুতে ঠিক এমন থাকলেও হালে ব্রিটেনে ই-সিগারেট বিক্রির হিড়িক পড়ে যাবার পর থেকে দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের সমস্যা৷ কোনো কোনো ই-সিগারেটে নাকি বেশ ভালো পরিমাণেই নিকোটিন দেয়া হয়৷ ফলে ধূমপানের ক্ষতি এড়ানোর বদলে নতুনভাবে ক্ষতিকর এ নেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে মানুষ৷ তাই ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার৷ নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ই-সিগারেট ওষুধের দোকানে বিক্রি হবে, তবে কোনো ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই তা কেনা যাবে৷ ডাক্তারের অনুমোদনও যদি না লাগে তাহলে আর ওষুধের দোকানে কেন বিক্রি হবে ই-সিগারেট? ব্রিটিশ সরকার জানাচ্ছে, যাতে নিয়ম ভেঙে কেউ বেশি নিকোটিন না দেয়, যাতে যথাযথ মান ধরে রাখা হয় – সেই উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ৷ বাইরের দোকানে ই-সিগারেট বিক্রি অবশ্য এখনই বন্ধ হচ্ছে না৷ ধীরে ধীরে তা বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের৷
তবে ই-সিগারেটের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে৷ ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো, ইম্পেরিয়্যাল টোব্যাকো, রেনল্ডসসহ অনেক বিখ্যাত টোব্যাকো কোম্পানিই এখন তাই ই-সিগারেট তৈরি করে৷

সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৩

ভাইরাস আক্রমন করতে পারে চার্জারের মাধ্যমেও! 



নকল চার্জার ব্যবহারের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে ভাইরাস। অ্যাপলের পোর্টেবল ডিভাইস সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে অ্যাপলকে সতর্ক হবার পরামর্শ দিয়েছেন নিরাপত্তা গবেষকরা।
অ্যাপলের তৈরি পোর্টেবল ডিভাইসের তালিকায় রয়েছে আইফোন, আইপ্যাড এবং আইপড। এর সবগুলো ডিভাইসই চলে আইওএস অপরেটিং সিস্টেমে।
জর্জিয়া ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির একটি দল নকল চার্জার ব্যবহারের মাধ্যমে আইওএসকে ভাইরাস সংক্রমিত করতে সক্ষম হন। দলটি ম্যালওয়ারযুক্ত নকল চার্জারটি নির্মাণে ‘বিগলবোর্ড’ ব্যবহার করে বলে জানিয়েছে বিবিসি। এ রকম নকল চার্জার তৈরি করতে তাদের খরচ পড়ে মাত্র ৪৫ ডলার।
এই নকল চার্জারের বিগলবোর্ডে থাকা ছোট কম্পিউটারটি আইওএস-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর মূল কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে এবং সেখান থেকে ম্যালওয়্যার আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে প্রবেশ করায়।
নিরাপত্তা গবেষকরা জানান, সব আইওএস পরিচালিত যন্ত্রই ভাইরাস আক্রমণের শিকার হতে পারে নকল চার্জারের মাধ্যমে।
তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, অ্যাপলের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এ রকম ম্যালওয়ারযুক্ত প্রোগ্রাম ও অ্যাপ ইন্সটল বন্ধ করার উপায় রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩


ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হোন 



ফেসবুকের ভালো, সুন্দর, গুরুত্বপূর্ণ দিক যেমন রয়েছে, তেমনি বিপত্তিও কম নয়। মাঝেমাঝেই দেখা যায়, আপনার কোনো বন্ধু জানাচ্ছেন, অমুক নায়িকার তমুক ভিডিও দেখা যাচ্ছে এই লিংকে। কখনো থাকছে ওজন কমানোর টিপস। এসব আসলে ফাঁদ।
সোর্স সম্পর্কে নিশ্চিত হন
মাঝে মাঝেই দেখা যায় কোনো একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন সন্দেহজনক লিংক শেয়ার হচ্ছে। এ ধরনের লিংকে যিনি ক্লিক করবেন, তার কম্পিউটারেও মেলওয়্যার ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং তিনিও একইভাবে তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে নিজের অজান্তে সেই লিংক শেয়ার করতে পারেন।
সামান্য একটু সতর্ক হলেই এই বিপত্তি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে লিংকটি যিনি শেয়ার করেছেন এবং কি ধরনের লিংক শেয়ার করছেন সেদিকে একটু মনোযোগী হলেই এ ধরনের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, যদি দেখেন আপনার কোনো বন্ধু ‘সেক্স টেপ’ নামক কিছু শেয়ার করছে, তাহলে মোটামুটি নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে পারেন লিংকটি ভুয়া এবং স্প্যামাররা আপনাকে বিপদে ফেলতেই এরকম লিংক ছড়াচ্ছে।
এক্ষেত্রে সেই লিংকে ক্লিক না করে, যেই ব্যক্তির টাইমলাইন থেকে লিংকটি আসছে, তাঁকে অফলাইনে ফোন করাই ভালো। তাকে ফেসবুকে একটি ম্যাসেজ পাঠিয়ে হলেও বলা যেতে পারে, আপনি যে লিংকটি শেয়ার করছেন, সেটি কি জেনেশুনে নাকি অজান্তেই?
ফেসবুক হ্যাক হওয়ার খবরও গুজব
ফেসবুকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। তাই হঠাৎ করে যদি কেউ দাবি করে ফেসবুক হ্যাক হয়েছে সেটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। তবে এটা সত্যি, ফেসবুক প্রতিনিয়তই বিভিন্ন সেটিংসে পরিবর্তন আনে। আর এই পরিবর্তনের খবর তারা উপযুক্ত চ্যানেলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জানিয়েও দেয়। ফলে হঠাৎ করে কেউ যদি দাবি করে বসে, ফেসবুকের রং নীল থেকে লাল হয়ে যাচ্ছে কিংবা এই লিংকে ক্লিক করে ফেসবুকের রং সাদা কালো করা যায়, সেসব দাবি বিশ্বাস না করাই ভালো। আর বিশ্বাস করে সেসবে ক্লিক করলে দেখবেন, আপনাকে দিয়ে বিভিন্ন সার্ভে করানো হচ্ছে। এসব সার্ভের মাধ্যমে পয়সা আয় করে স্ক্যামাররা। আপনি পাবেন না কিছুই।

ভিডিও দেখলেই ক্লিক করবেন না

অনেক স্ক্যামার লোভনীয় ভিডিও-র কথা বলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। এসব ফাঁদে ক্লিক করলে আপনাকে ‘ফ্ল্যাশ প্লেয়ার’ বা ‘জাভাস্ক্রিপ্ট’ ডাউনলোড করতে বলা হবে। একবার ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করেছেন মানে ফাঁদে পড়েছেন। স্ক্যামাররা এভাবে ফাঁদ বসিয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যাদি চুরি এবং একইসঙ্গে আপনার কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
ফেসবুকে কোনো ভিডিও লিংক দেখলে প্রথমেই সেটির ডোমেইন নেম-এর দিকে তাকান। ইউটিউব ডটকম যদি ডোমেইন নেমে লেখা থাকে, তাহলে ধরে নিতে পারেন লিংকটি নিরাপদ। কিন্তু অন্য কিছু থাকলে এবং সেটা যদি অপরিচিত হয়, তাহলে ক্লিক না করাই ভালো। এসব ভিডিও লিংকের সঙ্গে অনেক সময় একই ধরনের লোভনীয় বার্তা জুড়ে দেওয়া হয়। অনেকটা, ‘ও মাই গড, তুমি কি এই ভিডিওটি দেখেছে? আমি ভাবতেই পারছি না কেউ একজন এসব ক্যামেরায় ধারণ করতে পারে! ধরনের বার্তা৷ এগুলো স্প্যাম।

যদি আক্রান্ত হন তাহলে কি করবেন?

অনেকের মনেই এই প্রশ্নটি আসতে পারে। স্ক্যাম লিংকে ক্লিক করার পর যদি টের পান, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই নীচে উল্লেখিত পন্থা অনুকরণ করুন:
টাইমলাইনে গিয়ে দ্রুত লিংকটি ডিলিট করুন।
  • ফেসবুক এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটে থাকা আপনার প্রোফাইলের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন।
  • বিশেষ করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ই-মেলের পাসওয়ার্ড দ্রুত বদলান।
  • ফেসবুক বন্ধুদের জানান যে, আপনি ভুল করে একটি স্ক্যাম শেয়ার করেছেন।
এসব উদ্যোগ গ্রহণ ছাড়াও নিরাপদ থাকতে মাঝে মাঝে ফেসবুকের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’ এবং ‘একটিভ সেশন’ অপশন চেক করুন। কোনো কিছু সন্দেহজনক মনে হলে ভালোভাবে যাচাই করুন।

পাসওয়ার্ড মুখস্ত এর ঝামেলা আর নয়  

 

ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় আমাদের পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়েবসাইটগুলোতে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। এই পাসওয়ার্ডগুলো অনেক দীর্ঘ হয় এবং বিভিন্ন বর্ণ ও সংখ্যার মিশ্রণ থাকে।তাছাড়া নিরাপত্তার জন্য আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে সবসময় ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকি। এই পাসওয়ার্ডগুলো সবসময় টাইপ করার পাশাপাশি মনে রাখাটাও কষ্টকর ব্যাপার। মাঝেমাঝেই আমরা পাসওয়ার্ড ভুলে যাই। পাসওয়ার্ড রিকভারি নামে ঝামেলাপূর্ন একটা ব্যবস্থা থাকলেও সিকিউরিটি কোশ্চেন মনে না থাকলে পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার সম্ভব হয় না। মোটকথা অনেক সময় অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য হারিয়ে যায়। তাই ইউজারদের অসুবিধার কথা চিন্তা করে সার্চইঞ্জিন জায়ান্টখ্যাত গুগল কম্পানি পাসওয়ার্ড এর পরিবর্তে আইডি রিং নামে সহজ এবং ঝামেলা মুক্ত বিকল্প ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছে। এই প্রযুক্তিতে পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে টোকেন ব্যবহার করে ইউজারকে সনাক্ত করা হবে। টোকেন হিসেবে স্মার্টফোন থেকে শুরু করে নারীর অলংকারও ব্যবহার হরা যাবে।

টেক নিউজ  

#১ . থ্রিডি স্মার্ট ফোন  

থ্রিডি সিনেমা, থ্রিডি টেলিভিশন, থ্রিডি কম্পিটার মনিটরের পর অবশেষে ত্রিমাত্রিক জগতে পা রাখতে যাচ্ছে বর্তমান দুনিয়ার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ডিভাইস মোবাইল ফোন। আর সর্বপ্রথম ত্রিমাত্রিক মোবাইল ফোনের নির্মাতা হতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি ব্র্যান্ড আমাজন। 

সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের এক কথা জানানো হচ্ছে। মার্কিন সংবাদ সংস্থা সিএনএন জানিয়েছে, খুব শিঘ্রিই আমাজন ত্রিমাত্রিক স্মার্টফোন বাজারে ছাড়বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের আরো বলা হয়েছে, এই স্মার্টফোনে ত্রিমাত্রিক ছবি দেখার জন্য বিশেষ চশমারও দরকার হবে না! ব্যবহারকারী চোখের ইশারায় একে চালাতে পারবেন। 

পারমানবিক বিদ্যুৎ  ও  বাংলাদেশ   


পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তাও আবার আমাদের দেশে!! অনেকটা স্বপ্ন এর মত তাই নয় কি? বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দেশগুলোর অহংকার এসব পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো। গত ২রা নভেম্বর ২০১১ তারিখে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্য পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রি ইয়াফেস ওসমান ও রাশিয়ার পক্ষে রাশিয়ার আণবিক শক্তি সংস্থা (ROSATAM) এর মহাপরিচালক সের্গেই কিরিয়েস্কো স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার ROSATAM বাংলাদেশের ঈশ্বরদীর রূপপুরে ১০০০ মেগাওয়াটের তাদেররই অর্থায়নে অর্থ্যাৎ ঋণ সুবিধার মাধ্যমে ২টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে দিবে। যার কাজ ২০১৪ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সাল নাগাদ শেষ হবার কথা রয়েছে এবং ২০১৮ সালেই অন্তত ১টি পারমাণবিক কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে বাংলাদেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াট যা ২০১৮ সাল নাগাদ ২০০০ মেগাওয়াটে গিয়ে পৌছাবে,যার পুরো চাহিদাই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দিয়ে মেটানো সম্ভব । এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের ব্যয় হিসাবে ধরা হয়েছে ১.৫ – ২.০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার! এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সচল রাখতে প্রয়োজন হবে আড়াই থেকে তিন হাজার সুদক্ষ জনশক্তি ।
আমি এখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কি, কিভাবে এর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয়, পরিচালনা, নিরাপত্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সুবিধা – অসুবিধা ,ঝুঁকি সহ আমাদের দেশে এই প্রযুক্তি পরিচালনার প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করব। 

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৩

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল রহস্য: শেষ কোথায় ?  


যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, বাহামা দ্বীপ এবং ক্যরিবীয়ান দ্বীপ এই তিনটি স্থানকে নিয়ে যে ত্রিভুজাকার এলাকা পাওয়া যায় সেটাই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর রহস্যময়তার জন্য সবার কাছেই কম বেশী পরিচিত। যেসব রহস্যময় ঘটনা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে ঘিরে শোনা যায় সেগুলো হল:

১. বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে প্রায়শ:ই নৌযান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে নিশ্চিন্থ হয়ে যায়।\
২. বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের উপর দিয়ে বিমান উড়ে গেলে তার আর হদিস পাওয়া যায় না।
৩. এই এলাকায় কম্পাসের কাঁটা এলোমেলো দিক নির্দেশনা দেয়।
৪. বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে যেসব মানুষ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন তাদের সাথে শেষবার যোগাযোগের সময় অদ্ভুৎ আচরন করেছেন বা কথাবার্তা বলেছেন এবং অতঃপর সম্পূর্ণ নিশ্চিন্থ হয়ে গেছেন।
৫. মাঝে মাঝে সময় এবং অবস্থান উল্টা-পাল্টা হয়ে যায়। একজন পাইলট নাকি আকস্মিকভাবে দুই ঘন্টার পথ চোখের নিমেষে পাড়ি দিয়ে ফেলেছেন।

প্রথমবার বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে অস্বাভাবিকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা উপলব্ধি করা হয় ১৯৫০ সালের ১৬ ই সেপ্টেম্বর। এর দুই বছর পর আবারো fate নামের একটি ম্যাগাজিনে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের অস্বাভাবিক দুর্ঘটনা নিয়ে একটি প্রবন্ধ লেখা হয়। সেখানে ট্রায়াঙ্গেল এলাকায় নিখোজ হওয়া বেশ কিছু বিমান ও জাহাজের উল্লেখ করা হয়। সেখানে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ইউএস নেভীর প্রশিক্ষণ বিমানের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বর্ণনা ছিল। রেডিওতে পাইলটদের সাথে যোগাযোগের সময় তাদের কথাবার্তা বেশ রহস্যময় মনে হয়েছে। তারা নাকি বলছিলেন: “সাদা পানিতে ডুবে যাচ্ছি।” একটু পরেই বলতে শোনা গেলো “সবুজ পানিতে ডুবে যাচ্ছি।” তার কিছুক্ষণ পরে বলছিলেন “মঙ্গলে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।” মূলত এই প্রবন্ধটিই প্রথম বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের দুর্ঘটনা অলৌকিক হিসেবে বর্ণনা করে।

১৯৬৪ সালে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের দুর্ঘটনাগুলোর রহস্যময়তা বর্ণনা করে প্রথমবারের মত বই লেখা হয়। যার নাম Invisible Horizones. বইটির লেখক ছিলেন Vincent Gaddis. এর পরে বারমুডাকে নিয়ে একের পর এক বই লেখা হতে থাকে। কেউ বলেন: বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের বিমান ও জাহাজগুলো মহাজাগতিক জীবের আক্রমনের শিকার। কেউ আবার বলেন প্রাচীন লেখকদের লেখায় যে ‘আটলান্টিস’ নামক শহরের বর্ণনা পাওয়া যায় সেই শহরটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ভিতরেই কোথাও ডুবে আছে। সেই শহরেরই কোন প্রযুক্তিগত প্রভাবে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে থাকে। আরেকজন বললেন যেহেতু কম্পাস ঠিকমত পাঠ দেয় না, তারমানে বারমুডার কোথাও শক্তিশালী কোন চুম্বক আছে। যার প্রবল আকর্ষণে দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে। কেউ কেউ আবার এর মধ্যে ওয়ার্ম হোলের অস্তিত্ব আবিষ্কার করলেন। কেউ এর মধ্যে স্থান-কালের বক্রতাও টেনে নিয়ে এলেন। এই সবগুলো বই লেখা হয়েছিল ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৪ এর মধ্যে।

এরপর ১৯৭৫ সালে লরেঞ্জ ডেভিড কুশে নামের এক লাইব্রেরিয়ান কয়েকবছরের সংবাদ পত্র ঘেটে এবং সব দুর্ঘটনার খবর অনুসন্ধান করে The Bermuda Triangle Mystery: Solved নামের একটি বই লিখলেন এবং দেখিয়ে দিলেন বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের নামে যত রহস্যময়তা এবং তত্ত্ব বর্ণনা করা হয়েছে তার সবই হয় অতিরঞ্জিত, সন্দেহমূলক কিংবা প্রমাণহীন। কুশের গবেষণা দেখিয়ে দিল যে অধিকাংশ ঘটনার বর্ণনা, সক্ষীর বর্ণনা, পর্যবেক্ষকদের বর্ণনা সামঞ্জস্যহীন। তিনি দেখলেন আগে যে ঘটনাগুলোকে সম্পূর্ন নিখোঁজ বলা হয়েছিলো সেগুলোর বর্ণনাও পত্র-পত্রিকায় পাওয়া যাচ্ছে। এবং তিনি আরো দেখতে পেলেন যে অনেক ঘটনাই ঘটেছে এই এলাকার বাইরে যেগুলোকে ইতিপূর্বে এই এলাকার সাথে সম্পৃক্ত দেখানো হয়েছে। তার গবেষনা ছিলো অত্যন্ত সরল প্রকৃতির এবং তিনি পত্রপত্রিকা ঘেটেই বারমুডা রহস্য উদঘাটন করেন। পরিশেষে তিনি এই উপসংহারে আসেন যে,

১. দুঘটনা কবলিত জাহাজ এবং উড়োজাহাজের সংখ্যা অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করা হয়েছিল।

২. এটা এমন একটি এলাকা যেখানে প্রতিনিয়ত মৌসুমী ঝড় বহমান। এবং ঝড়ের সাথে দুর্ঘটনার সংখ্যা তুলনা করলে সেটা যথেষ্ট বাস্তব-সম্মত মনে হয়।

৩. বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এলাকাটি অত্যন্ত ব্যস্ত নৌ-পথ। ব্যস্ততা তুলনা করলে এখানে ঘটা দুর্ঘটনার সংখ্যা সমুদ্রের অন্যান্য এলাকায় ঘটা দুর্ঘটনার সাথে সমতুল্য।

৪. ব্যস্ত নৌপথ হওয়ায় এখানে প্রচুর জলদস্যুর আনাগোনা ছিল। এরা সাধারণত ছোটখাটো জাহাজে লুটপাট চালিয়ে সেগুলোকে ডুবিয়ে দিত।

৫. অনেকসময় খবর আংশিকভাবে প্রকাশ করা হত। কোন জাহাজ বা প্লেনের নিখোঁজ হওযার খবর প্রচার হত। কিন্তু ফিরে আসার খবর প্রচার হত না।

কুশের বইটি প্রকাশের পর সবার টনক নড়ে এবং আরো যা পাওয়া যায়:

৬. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই এলাকায় প্রচুর সাবমেরিন মোতায়েন হয়। এদের আক্রমনে যেসব জাহাজ ও প্লেন ডুবি হত সেগুলো সামরিক কর্তৃপক্ষ গোপন রাখত।

৭. এই এলাকার নীচ থেকে প্রচুর মিথেন গ্যাস নির্গত হয় যা পানির সাথে মিশে হাইড্রেটেড মিথেন তৈরি করে। এই হাইড্রেটেড মিথেন বেশ হালকা। একারনে কিছু কিছু ভারী জাহাজ পানিতে ডুবে যায়।

৮. মেক্সিকান উপসাগরীয় প্রবল স্রোতে(এই স্রোতটি অনেকটা নদীর মত) অনেক দুর্ঘটনা কবলিত যান দুরে ভেসে যায়।

৯. কম্পাসের ব্যপারে তথ্য হল পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানেই কম্পাসের বিক্ষেপের ভিন্নতা দেখা যায় যেহেতু পৃথিবীর ভৌগলিক মেরু এবং চৌম্বকীয় মেরু এক নয়। খুব অল্প কিছু যায়গায় অবস্থানকালে একই দুই মেরু একই দিকে থাকে এবং কম্পাস সঠিক দিক নির্দেশ করে। অন্যত্র কম্পাস চৌম্বকমেরুর দিক নির্দেশ করে।

১০. মানুষের ভুলেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ইউএস নেভীর তথ্য থেকে জানা যায়।

এসবের বাইরেও কথা আছে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যময়তার সুযোগে কিছু কিছু কোম্পানী তাদের অপেক্ষাকৃত পুরোনো জাহাজ বা বিমানগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ডুবিয়ে দিয়ে বীমার টাকা আদায় করত বলেও শোনা যায়।

বুধবার, ২২ মে, ২০১৩

বাংলাদেশের 'রুপকথা'.... 

 

ওয়াশিক ফারহান রূপকথা। ঢাকা গুলশানের মাত্র ৭ বছর বয়সী বাংলাদেশী এই কম্পিউটার জিনিয়াস নাম লেখাতে যাচ্ছে ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’। এর আগে রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট-এ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রিপলি’স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ২০১১ সালে রূপকথার অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি মোতাবেক রূপকথার মেধার স্বীকৃতি দেয় রিপলি’স কর্তৃপক্ষ। এরপর রূপকথাকে ‘বিস্ময়কর বালক’ স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিশেষ ছবি প্রকাশ করেছিল রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট (http://www.ripleys.com/weird/videos-and-oddities/ ripleys-syndicated-cartoons/cartoon-11-25-2012/)। একই সঙ্গে রূপকথাকে একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবেও অভিহিত করেছে তারা। কিন্তু অতটুকু শিশুর পারফরম্যান্স নিয়ে বর্তমানে গিনেস বুকে তার নাম আসা মানে বাংলাদেশীদের জন্য বিরাট গর্বের একটা বিষয়।

প্রয়োজনীয় চুক্তিস্বাক্ষর সম্পন্ন
গতকাল রূপকথার মা সিনথিয়া ফরহিন রিসা জানালেন, শিগগিরই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদে প্রোগামার হিসেবে গিনেস বুকে রূপকথার নাম প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও জানান, গিনেস বুকে নাম প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী গত ১৬ মে ধানমন্ডির ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেডের অফিসে একটি ভিডিও ডকুমেন্টেশন তৈরি করা হয়। এই ভিডিও এবং অন্যান্য ডকুমেন্টস গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

বিশ্বের শীর্ষ গণমাধ্যমে রূপকথা
দেশের অনেক মিডিয়ায় রূপকথার সচিত্র সংবাদ ছাপালেও রূপকথা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ ভালো করেই জায়গা করে নিয়েছে। এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে অভিহিত করে রূপকথাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে বিবিসি, ক্যালিফোর্নিয়া অবজারভার, নিউইয়র্ক টাইমস, নিউইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন, এস্টেট নিউজ, চিলড্রেন পোস্ট, হিন্দুস্থান টাইমসসহ অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও অনলাইন। কোথাও কোথাও তাকে মডেল হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে অষ্টম শ্রেণীর ‘ইংলিশ ফর টুডে’ টেক্সট বইয়ে রূপকথাকে তুলে ধরা হয়েছে।
 
রুপকথা 
রূপকথা যা জানে-
কিন্তু কম্পিউটারের কী জানে রূপকথা—স্বভাবতই এ প্রশ্ন জাগে সবার মনে। ছয় বছরের এই বয়সে অধিকাংশ শিশু যখন খেলনাপত্র নিয়ে খেলাধুলা করে তখন রূপকথা তার নিজস্ব কম্পিউটার সিস্টেম (উইন্ডোসসহ) তৈরি করে এবং একজন বিশেষজ্ঞের মতো কম্পিউটার প্রোগ্রামিং করে। জন্মগতভাবে মেধাবী রূপকথার বাসা রাজধানী ঢাকার গুলশানে। অবিশ্বাস্যভাবে মাত্র সাত মাস বয়স থেকেই সে কম্পিউটার নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে এবং দুই বছর বয়সে কম্পিউটারে লেখালেখি করা শিখে ফেলে। তার গর্বিত মা সিনথিয়া ফারহিন রিসা এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই বিস্ময়বালক প্রতিদিন ১২ ঘণ্টারও বেশি কম্পিউটারের পেছনে ব্যয় করে এবং গেমের কারেক্টর কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা জানার চেষ্টা করে। 
শুধু তাই নয়, এই বয়সেই সে শিখে ফেলেছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, প্রজেক্ট টুল তৈরি, সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের মতো অনেক জটিল কাজ। বর্তমানে দিনের ১২ ঘণ্টাই কাটে তার কম্পিউটারের সঙ্গে। ৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই ‘ওয়ার্ল্ড নিউজ এজেন্সি’ রূপকথাকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। 

শুরুর দিককার কথা
রূপকথার জন্ম ২০০৬ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকার গুলশানে। জন্মের পর ওর বয়স যখন মাত্র কয়েক দিন, তখন সে পিসির দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত। মাত্র ৭ মাস বয়স থেকেই রূপকথা তার বাবার পিসিতে মাউস নিয়ে কম্পিউটার গেমস খেলা শুরু করে। তার বয়স যখন ১ বছর, তখন তাকে কিছু খাওয়াতে চাইলে কম্পিউটারের সামনে বসিয়ে খাওয়ানো হতো। প্রথমে পিসি অন করতে হতো, এরপর সে তার সামনে বসে খাওয়া শুরু করত। মাত্র দুই বছরের মাথায় সে এমএস ওয়ার্ডে টাইপিং শুরু করে। তাকে খাবার খাওয়ানো হতো পিসির সামনে বসিয়ে বিভিন্ন অ্যানিমেশন ছবি দেখিয়ে। ওইটুকু বয়সী শিশুর এই আবদার মেটাতে তার মা সিনথিয়া ফারহিন রিসাকে সবকিছুই করতে হতো।

আরও বিস্ময়কর দক্ষতা অর্জন করেছে 
রূপকথা তার হাতের ছোট আঙুল দিয়ে না দেখে এত স্পিডে টাইপ করতে পারে যে বিশ্বাস করাই কঠিন। টাইপিং তার কাছে খুব সাধারণ একটি বিষয়। এরই মধ্যে উইন্ডোজ এক্সপি, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, পাওয়ার পয়েন্ট, এডোবি ফটোশপ, ফ্লাশ প্রভৃতিতে বেশ পারদর্শিতা হয়ে গেছে। এমএস ওয়ার্ডের ফাইল তৈরি, টেক্সট ডিজাইন, পিকচার অ্যাড, গ্রাফ ও টেবিল ওয়ার্ক, এক্সেল দিয়ে বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ, পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে পিকচার মুভিং অ্যানিমেশন, স্লাইড শো, সাউন্ড ও মিউজিক অ্যাডের কাজ তার কাছে কয়েক মিনিটের ব্যাপার মাত্র। ফটোশপে যে কোনো ছবি এডিট করতে পারে স্বাচ্ছন্দ্যে। তথ্য পরিবর্তন করে একটি গেমসের চরিত্রকে আরেকটি গেমসে ঢুকিয়ে দিতে পারে অবলীলায়। ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন গেমিং সফটওয়্যার সে নিজে ডাউনলোড করে নিজেই ইনস্টল করে। একইভাবে সিডি থেকে বিভিন্ন সফটওয়্যার ও গেমস সে নিজে নিজেই পিসিতে ইনস্টল করে।
হার্ডওয়্যার বিষয়েও তার ভালো জ্ঞান আছে। প্রিন্স অব পার্সিয়া, টার্মিনেটর থ্রি, এজ অব মিথলজি, এজ অব এম্পায়ারসহ ৭শ’র অধিক জটিল কম্পিউটার গেমস সে এরই মধ্যে খেলেছে। ফেসবুক ও মাইস্পেসসহ ইন্টারনেটের বেশ কয়েকটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটেও তার অবাধ বিচরণ। ওয়াসিক ফারহান রূপকথা নামে সার্চ করলেই তাকে পাওয়া যাবে। এর বাইরে প্রায় পাঁচ হাজার নির্ভুল ইংরেজি শব্দ জানা আছে তার। রূপকথার মা সিনথিয়া ফারহিন রিসা জানালেন, খুব সকালে ঘুম থেকে উঠেই সে বসে পড়বে কম্পিউটারে। এখন সে দিনের ১২ ঘণ্টা সময় কাটায় কম্পিউটারের সঙ্গে। তার মা অবাক করে দিয়ে জানালেন, এত কিছুর জন্য তার কোনো স্কুল কিংবা প্রশিক্ষক ছিল না কোনোদিন, এখনও নেই। যা শিখেছে সব রূপকথা নিজে নিজেই শিখেছে।

শুধু কি তাই...?
কম্পিউটার নিয়ে এখানেই রূপকথার শেষ নয়। ফোল্ডার ম্যানেজমেন্টেও তার রয়েছে অসম্ভব দক্ষতা। পিসির ড্রাইভ নেম ও ডেস্কটপের আইকন পরিবর্তন করে দেবে সেকেন্ডেই। এই বয়সে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে সে যতটুকু পারদর্শিতা অর্জন করেছে, বলা যায় অনেক দক্ষ প্রোগ্রামারও তা পারেনি। প্রোগ্রামিংয়ে সে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছে। সে সি, সি++, ভিজ্যুয়াল বেসিক, জাভা, পাইথন প্রভৃতিতে দক্ষতা অর্জন করার পাশাপাশি আলাদা আলাদা কোড দিয়ে নানা প্রোগ্রাম রান করাতে পারে। এমন অনেক কিছুই সে শিখেছে যা কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রামারও বুঝতে পারছে না যে আসলে রূপকথা পিসিতে বসে কী করে! । 
খেলনা নিয়ে যখন অন্য শিশুদের সময় কাটছে, রূপকথা তখন বিরামহীনভাবে কম্পিউটারের সঙ্গে কথা বলছে। মাঝে মাঝে তার কম্পিউটারকে রি-ফরমেট করতে হয়। সেটআপ সে নিজেই দেয়। উইন্ডোজ সেটআপ নয়, ভিসতা ও ওরাকল সেটআপও সে করতে পারে। সতর্কতা হিসেবে প্রতিদিন সে ভাইরাস স্ক্যানও করে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের ডেট এক্সপায়ার করলে নিজেই ইন্টারনেট থেকে আপডেটেড ভার্সনটি ডাউনলোড করে নেয়। পাশাপাশি শিখে ফেলেছে ফটোশপ ও ফ্লাশ ফাইভের নানা ডিজিটাল কারুশিল্প। মোট কথা, কম্পিউটারের এমন কিছু নেই যা তার কাছে অজানা।

রূপকথার কাজের ভিডিও লিঙ্ক
অসম্ভব প্রতিভাধর রূপকথাকে পাওয়া যাবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউবে। সার্চ করতে হবে incredible cyber baby roopkotha অথবা amazing cyber baby roopkotha টাইপ করে। রূপকথার কাজ নিয়ে ইউটিউবসহ ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইটে রয়েছে বেশকিছু ভিডিও ক্লিপিংসের লিঙ্কস্। এগুলোর কোনোটিতে দেখা যাচ্ছে সে অনেক দ্রুত টাইপ করছে। আবার কোনোটিতে প্রোগ্রামিং বা গেমস নিয়ে কাজ করছে। এমন ভিডিও লিঙ্কসের ঠিকানা হলো—
http://www.youtube.com/user/MegaFarheen

আমাদের গর্ব রূপকথা
রূপকথার ব্যবসায়ী বাবা ওয়াসিম ফারহান ও মা সিনথিয়া ফারহিনের স্বপ্ন, তাদের সন্তান রূপকথা ভবিষ্যতে কম্পিউটার ওয়ার্ল্ডে নতুন যুগের সূচনা করবে। আমাদেরও প্রত্যাশা, বাংলাদেশের ‘রূপকথা’ তার অদম্য প্রতিভা দিয়ে জয় করবে বিশ্ব, যার যাত্রা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। সাইবার ওয়ার্ল্ডে তার জ্ঞানের বিচ্ছুরণ নবদিগন্তের সূচনা করবে, যা হবে বাংলাদেশের জন্য অনেক অনেক গর্বের একটা বিষয়। 

রবিবার, ১৯ মে, ২০১৩


ইন্টারনেট আপলোড গতি কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলো বিটিআরসি 


অবশেষে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথে আপলোডের গতি কমানোর নির্দেশনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ আজ দুপুরেপ্রিয়.কমকে জানিয়েছেন "অনেক আগেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।"
আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যন্ডউইথ নিয়ন্ত্রন ও পাইকারি ব্যান্ডউইথ আইএসপিদের কাছে বিক্রি করে এবং আইএসপিগুলো গ্রাহক পর্যায়ে এ সেবা দিয়ে থাকে।বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৬টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোকে (আইআইজি) প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এসব আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আজ রোববার সকালে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে বিষয়টি জানিয়েছে বিটিআরসি। সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পরপরই আইআইজিগুলো ইন্টারনেট আপলোড গতি স্বাভাবিক করেছে।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রিয়.কমকে জানিয়েছেন "অনেক আগেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।"
তবে "অনেক আগে" বলতে আজ নাকি আরও আগে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে তা তিনি বলতে রাজি হননি।
এমনকি বিটিআরসির ওয়েবসাইটেও এ ব্যাপারে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বেলা পৌনে তিনটা পর্যন্ত) কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি।
গিয়াসউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, এখন কোথাও আপলোড নিয়ে কোন সমস্যায় নেই। সব ঠিক হয়ে গেছে।
গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা বন্ধে ইন্টারনেট আপলোড গতি ৭৫ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
বিটিআরসি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোকে (আইআইজি) এ নির্দেশনা দেওয়ার পর থেকেই ইন্টারনেট আপলোড স্পিড কমে যায়।
ফলে ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ফ্রিল্যান্সাররাসহ অনেকেই বিপাকে পড়েন।
বৃহস্পতিবার থেকেই অনলাইনে এই নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। অবশেষে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বিটিআরসি।

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৩


অ্যামাজনের থ্রিডি স্মার্টফোন 

অনলাইন পণ্য বিক্রেতা অ্যামাজন থ্রিডি স্মার্টফোন বানানোর কাজ করছে এমন গুজব শোনা যাচ্ছিলো গত এক বছর ধরে। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিএনএন জানিয়েছে, অ্যামাজন সত্যিই বানাচ্ছে থ্রিডি স্মার্টফোন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যামাজন বাজারে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আনার পরিকল্পনা করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত আছে দুটি স্মার্টফোন, যার একটিতে আছে থ্রিডি স্ক্রিন। এবং এতে থ্রিডি স্মার্টফোনের বিশেষ চশমার প্রয়োজন হবে না এবং ব্যবহারকারী চোখ নড়াচড়ার মাধ্যমে চালাতে পারবেন এটি।
ব্লুমবার্গ বিজনেস উইক জানিয়েছে, স্মার্টফোন ছাড়াও অ্যামাজন একটি ডিভাইসে স্ট্রিমিং মিউজিক এবং একটি সেট-টপ বক্স তৈরি করছে। তবে অ্যামাজন তাদের নতুন প্রোডাক্ট কিন্ডল ই-রিভার এবং ট্যাবলেট বাজারে না আসা পর্যন্ত এ বিষয়ে সম্ভবত কিছু বলবে না।
গত বছর অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজোস বলেছিলেন, অ্যামাজন আগামী বছরে নতুন পণ্য আনার পরিকল্পনা করছে।

Mohashen-13 [ 5:55 PM on THU 16.05.2013 ] 

বুধবার, ১৫ মে, ২০১৩

হ্যাকিং থেকে রক্ষা পেতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন 


 বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের জীবন কয়েকটি শব্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমরা তথ্য প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হওয়ায় আমাদের সব তথ্য এখন কেবলমাত্র কয়েকটি শব্দের পাসওয়ার্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
তথ্য প্রযুক্তির এই চাহিদার জন্যই আজকাল হ্যাকারদের চোখ মানুষের পাসওয়ার্ডের প্রতি। হ্যাকাররা যদি আপনার ডাটাবেসের প্রবেশাধিকার নিয়ে ফেলে, তাহলে আর কিছুই করার থাকবে না। তবে আপনি যদি একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন, তাহলে হয়তো হ্যাকারের এই প্রবেশাধিকার পেতে কষ্ট হবে।
আসুন এইবার জেনে নেই শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের জন্য কোন কোন দিকে নজর দিতে হবে:
১. সাধারণ কোন ধরনের শব্দ বা বর্ণ ব্যবহার করবেন না।
২. ডিকশনারি শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
৩. কোন কিছুর নাম ব্যবহার করবেন না।
৪. আপনার নাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
৫. পাসওয়ার্ড শব্দটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
৬. শব্দ এবং নাম্বারের সংমিশ্রণে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন।
৭. বিভিন্ন ধরনের সাঙ্কেতিক চিহ্ন, যেমন-@,#,৳ ইত্যাদি ব্যবহার করুন।
৮. কম সংখ্যার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না, মোটামুটি ১৫ সংখ্যার মত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ভালো।
৯. আপনার বন্ধু-বান্ধব অথবা পরিবারের কারো নাম পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করবেন না।
১০. বেশ কিছুদিন পরপর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
সুতরাং আপনি আপনার পাসওয়ার্ডের প্রতি নজর রাখবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। তাছাড়া শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের জন্য কিছু সাইট রয়েছে। যেমন- স্ট্রং পাসওয়ার্ড। সেখান থেকে আপনি ইচ্ছা করলে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারবেন। 
[ টেক নিউস ]

শীঘ্রই বাজারে আসছে Walton Primo H2 



(প্রিয় টেক) Walton একটি মানসম্মত ইলেক্ট্রনিক পণ্য তৈরিকারক দেশী ব্র্যান্ড। দেশী ব্র্যান্ড হবার কারণে Walton কে পণ্য আমদানি করার জন্য শুল্ক পরিশোধ করতে হয়না যার কারণে ওয়াল্টনের উচ্চমানসম্পন্ন মোবাইল আর স্মার্টফোনের দাম স্যামসাং, নোকিয়া ইত্যাদি বিদেশী ব্রান্ডের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। এ কারণে ওয়ালটন মোবাইলের বাজারে অল্প সময়েই বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করতে সক্ষম হয়। কিছুদিন আগে বাজারে আসলো Walton Primo H1 and Primo X1. এ নিয়ে ক্রেতাদের মাতামাতি কম ছিলনা। রিলিজ হবার প্রথম দিন ওয়ালটনের বসুন্ধরা শাখায় ক্রেতাদের ছিল উপচে পড়া ভিড়।
এবার Walton শিগ্রই বাজারে আনছে Walton Primo H2. এতে থাকছে ৪.৫ ইঞ্চি মাল্টিটাচ ডিসপ্লে, অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন অপারেটিং সিস্টেম, ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, ১.২ গিগাহার্জ quad core প্রসেসর সহ বেশ কিছু অ্যাডভান্সড আর লেটেস্ট ফিচার। স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে আরো জানতে এবং রিলিজ ডেট সম্পর্কে জানতে যেতে পারেন এই পাতায় - Walton Primo H2 Price & Specification
[ টেক নিউস ]

মনিটরের ক্ষতিকর রশ্নি থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করুন 



ছোট একটি সফটওয়্যার সাহায্য করবে আপনার চোখকে কম্পিউটার তরঙ্গ থেকে রক্ষা করতে।
সফটওয়্যারটি হয়ত অনেকে পেয়ে থাকবেন। কিন্তু যারা পাননি তাদের জন্য এটা
লেখায় যদি কোন ভুল হয় তাহলে ক্ষমা এবং কমেন্টে জানবেন আজকে আমি আপনাদের সাথে ছোট একটি সফটওয়্যার এর পরিচয় করিয়ে দিব যার নাম f.lux
আমরা অনেকেই প্রতিদিন ৬-৭ ঘণ্টা কম্পিউটারে কাটাই…
এতেই হয়ে যাচ্ছে আমদের অতি মূল্যবান চোখের অপুরণীয় ক্ষতি। অথচ মাত্র ৫৪৬ কেবির ছোট একটি সফটওয়্যার ই পারে আপনাকে এই সমস্যার থেকে সমাধান দিতে।
সফটওয়্যারটির নাম F.lux.
মাত্র ৫৪৬ কেবির ছোট একটি সফটওয়্যার. যা আপনার লোকাল সময় অনুযায়ী আপনার  মনিটর এর আলো নিয়ন্ত্রণ করে আপনার চোখ কে ক্ষতিকর রশ্মী থেকে রক্ষা করবে।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড  ঃ http://www.mediafire.com/?99m895ytok239b3  
[ টেক নিউস ]

বাজারে আসলো লুমিয়া সিরিজে ৯২৫ !!! 


 
ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা আর তথ্য ফাঁস হওয়া সেই লুমিয়া সিরিজের পরবর্তী পণ্যের আবরণমুক্ত করেছে ফিনল্যান্ড মোবাইল নির্মাতা নকিয়া। সুত্র মতে, পণ্যটির নাম লুমিয়া ৯২৫ যার বিশেষত্ব পর্দাকে ঘিরে এমনকি সম্প্রতি প্রকাশিত ভেরিজনের ‘এক্সক্লুসিভ ৯২৮’ এর অনুরুপ বলা হচ্ছে।
ধাতব উপাদানে মোড়ানো পণ্যটি নকিয়ার প্রথম উইন্ডোজ ফোন। পণ্যটির মোড়ক অ্যালুমিনিয়ামের তবে পেছনের অংশ পলিকার্বোনেটের। 

মাইক্রোসফটের সবশেষ প্রকাশিত উইন্ডোজ এইটে চালিত এ ফোনে  লুমিয়া ৯২০ এর অনুরুপ নকিয়ার অনন্য হেয়ার ম্যাপস, মিউজিক এবং ডিজিটাল ক্যামেরা লেন্সের মত কিছু অ্যাপস আছে। হার্ডওয়্যারের জন্য নির্ধারিত বৈশিষ্ট্যগুলো কুয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন এসফোর চিপসেট, ডুয়্যাল কোর ১.৫ গিগাহার্জ সিপিইউ এবং অ্যাডরেনো ২২৫ জিপিইউ। এছাড়া কার্ল জেসিস অপটিকস এবং অপটিক্যাল ইমেজ স্টাবলাইজেসন বৈশিষ্ট্যযুক্ত ৮.৭ মেগাপিক্সেলের পিউরভিউ ক্যামেরা আছে। কিন্তু এক্সন ফ্ল্যাসের অপেক্ষায় রয়েছে যারা তাদের জন্য এটি অপ্রতীয়মান কেননা নাইটমোডে ছবি তোলার জন্য দেওয়া হয়েছে ডুয়্যাল লেড ফ্ল্যাস। সংযোগ ফিচারে আছে ব্লুটুথ ৪.০, ওয়াইফাই, ফোরজি এলটিই, এনএফসি এবং ব্যাটারি ক্ষমতা ২ হাজার এমএএইচ। চিকন গড়নের ফোনটির ওজন ১৩৯ গ্রাম তাছাড়া লুমিয়া ৯২০ এর থেকেও ৫০ গ্রাম হালকা। 

এছাড়া গোরিলা গ্লাস ২ এর মাধ্যমে পর্দা সুরক্ষিত আর ক্লিয়ারব্ল্যাক প্রযুক্তি যা ভাল সূর্যালোকের স্পষ্টতার জন্য সহায়ক হবে।

অবশ্য আকর্ষনীয় পণ্যটি গাড়ো রঙে আসছেনা শুধু হালকা কালো, সাদা এবং ধুসর রঙে পাওয়া যাবে।

সুত্র মতে, আসছে জুনে যুক্তরাজ্য, জার্মান, ইতালি, স্পেন এবং, চীনের বাজারগুলোর মধ্য দিয়ে বিপণন শুরু হবে এরপরে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও অন্যান্য সব বাজারে থাকবে পণ্যটি। দাম ৪৬৯ ইউরো ভারতীয় রুপিতে যা প্রায় ৩৩ হজার ৫’শ। 
[ বাংলা বই পড়া : টেক ওয়ার্ল্ড ]