Hazrat Umar (ra.): Biography

Islamic Women

Facebook লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Facebook লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৩

WE HAVE A FACEBOOK PAGE




We Have a Facebook page. this page for Muslim people to be united.  

Our mission & vision : We are truly working for Muslim unity. This should be our goal as we can through the pages of the Muslim brothers & sisters do together.   






শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৩

ফেইসবুক এর উপর নজরদারী

ফেইসবুক এর  উপর নজরদারী 
  

কিছু বিষয়ে গোপনীয়তা আর নিরাপত্তা কে না চায়! ফেসবুকে তেমন কিছু আশা করবেন না যেন৷ যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি নিয়ে কথা হচ্ছে প্রচুর৷ ফেসবুকের কর্তাব্যক্তিরাও নাকি সব তথ্য দিয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের!
ম্যাক্স কেলি ২০১১ সাল পর্যন্ত ছিলেন ফেসবুকের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা৷ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর প্রধান দায়িত্ব৷ তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ)-র হয়ে সে দেশের নিরাপত্তা খুব ভালোভাবে নিশ্চিত করছেন৷ এবং এ কাজটি তিনি করছেন দু'বছরেরও বেশি সময় ধরে৷ নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা এ খবর জানানোর পর ফেসবুকের এই সাবেক কর্মকর্তাকে নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা-উদ্বেগের শেষ নেই৷ তাঁর ফেসবুক ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের শক্তি জোগানোয় নেমে পড়া বেশ কিছু প্রশ্নকে নিয়ে এসেছে সামনে৷ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন – ফেসবুকের ভেতরেই যদি ‘শত্রু' ঘাপটি মেরে থাকে তাহলে আপনার-আমার নিরাপত্তা দেবে কে? ফেসবুক? কীভাবে?
যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারির থাবার গোটা চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়
বন্ধু নির্বাচন, গোপনীয়তা রক্ষা, বন্ধু হবার আহ্বানে সতর্কতা অবলম্বন – এসবে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থ রক্ষার্থে ফেসবুকের দৃশ্যমান উদ্যোগের অভাব নেই৷ উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব সবাই কম-বেশি বোঝেন৷ খুব পরিচিতরাই যেখানে জীবনের নানা পর্যায়ে অভাবনীয় রূপে, অচেনা শত্রুর বেশে আবির্ভূত হন, সেখানে ফেসবুকে দু'দিনের পরিচিতরা কতটাই আর বন্ধু হবেন৷ ফেসবুকের প্ল্যাটফর্মে  বন্ধুত্বের আশ্বাস দিয়ে বাড়ানো হাতে হাত রাখার আগে দ্বিতীয়বার ভাবতে তো হবেই! কিন্তু এত সতর্ক ‘বন্ধুবেশী বন্ধু' ফেসবুকই বা কতটা ‘বন্ধু' যেখানে তাদের ভেতরের মানুষই গোপনে গোয়েন্দাদের হয়ে কাজ করেন?
ম্যাক্স কেলির এনএসএ-তে ঢুকে পড়ার বিষয়টি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মনে শঙ্কার জন্ম দিয়েছে৷ তবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে এমন অনেকের কাছেই ঘটনাটি একেবারেই অস্বাভাবিক নয়৷ ওয়াশিংটন ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা ‘সেন্টার ফর ডিজিটাল ডেমোক্রেসি'-র নির্বাহী পরিচালক জেফ্রি চেস্টার তাঁদেরই একজন৷ তাঁর মতে, ফেসবুক অনেক আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে তথ্য প্রদান করে আসছে৷ গুগল এবং মাইক্রোসফটও নাকি এমন চুক্তি করে উপার্জন বাড়াতে আগ্রহী৷

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩


ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হোন 



ফেসবুকের ভালো, সুন্দর, গুরুত্বপূর্ণ দিক যেমন রয়েছে, তেমনি বিপত্তিও কম নয়। মাঝেমাঝেই দেখা যায়, আপনার কোনো বন্ধু জানাচ্ছেন, অমুক নায়িকার তমুক ভিডিও দেখা যাচ্ছে এই লিংকে। কখনো থাকছে ওজন কমানোর টিপস। এসব আসলে ফাঁদ।
সোর্স সম্পর্কে নিশ্চিত হন
মাঝে মাঝেই দেখা যায় কোনো একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন সন্দেহজনক লিংক শেয়ার হচ্ছে। এ ধরনের লিংকে যিনি ক্লিক করবেন, তার কম্পিউটারেও মেলওয়্যার ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং তিনিও একইভাবে তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে নিজের অজান্তে সেই লিংক শেয়ার করতে পারেন।
সামান্য একটু সতর্ক হলেই এই বিপত্তি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে লিংকটি যিনি শেয়ার করেছেন এবং কি ধরনের লিংক শেয়ার করছেন সেদিকে একটু মনোযোগী হলেই এ ধরনের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, যদি দেখেন আপনার কোনো বন্ধু ‘সেক্স টেপ’ নামক কিছু শেয়ার করছে, তাহলে মোটামুটি নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে পারেন লিংকটি ভুয়া এবং স্প্যামাররা আপনাকে বিপদে ফেলতেই এরকম লিংক ছড়াচ্ছে।
এক্ষেত্রে সেই লিংকে ক্লিক না করে, যেই ব্যক্তির টাইমলাইন থেকে লিংকটি আসছে, তাঁকে অফলাইনে ফোন করাই ভালো। তাকে ফেসবুকে একটি ম্যাসেজ পাঠিয়ে হলেও বলা যেতে পারে, আপনি যে লিংকটি শেয়ার করছেন, সেটি কি জেনেশুনে নাকি অজান্তেই?
ফেসবুক হ্যাক হওয়ার খবরও গুজব
ফেসবুকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। তাই হঠাৎ করে যদি কেউ দাবি করে ফেসবুক হ্যাক হয়েছে সেটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। তবে এটা সত্যি, ফেসবুক প্রতিনিয়তই বিভিন্ন সেটিংসে পরিবর্তন আনে। আর এই পরিবর্তনের খবর তারা উপযুক্ত চ্যানেলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জানিয়েও দেয়। ফলে হঠাৎ করে কেউ যদি দাবি করে বসে, ফেসবুকের রং নীল থেকে লাল হয়ে যাচ্ছে কিংবা এই লিংকে ক্লিক করে ফেসবুকের রং সাদা কালো করা যায়, সেসব দাবি বিশ্বাস না করাই ভালো। আর বিশ্বাস করে সেসবে ক্লিক করলে দেখবেন, আপনাকে দিয়ে বিভিন্ন সার্ভে করানো হচ্ছে। এসব সার্ভের মাধ্যমে পয়সা আয় করে স্ক্যামাররা। আপনি পাবেন না কিছুই।

ভিডিও দেখলেই ক্লিক করবেন না

অনেক স্ক্যামার লোভনীয় ভিডিও-র কথা বলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। এসব ফাঁদে ক্লিক করলে আপনাকে ‘ফ্ল্যাশ প্লেয়ার’ বা ‘জাভাস্ক্রিপ্ট’ ডাউনলোড করতে বলা হবে। একবার ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করেছেন মানে ফাঁদে পড়েছেন। স্ক্যামাররা এভাবে ফাঁদ বসিয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যাদি চুরি এবং একইসঙ্গে আপনার কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
ফেসবুকে কোনো ভিডিও লিংক দেখলে প্রথমেই সেটির ডোমেইন নেম-এর দিকে তাকান। ইউটিউব ডটকম যদি ডোমেইন নেমে লেখা থাকে, তাহলে ধরে নিতে পারেন লিংকটি নিরাপদ। কিন্তু অন্য কিছু থাকলে এবং সেটা যদি অপরিচিত হয়, তাহলে ক্লিক না করাই ভালো। এসব ভিডিও লিংকের সঙ্গে অনেক সময় একই ধরনের লোভনীয় বার্তা জুড়ে দেওয়া হয়। অনেকটা, ‘ও মাই গড, তুমি কি এই ভিডিওটি দেখেছে? আমি ভাবতেই পারছি না কেউ একজন এসব ক্যামেরায় ধারণ করতে পারে! ধরনের বার্তা৷ এগুলো স্প্যাম।

যদি আক্রান্ত হন তাহলে কি করবেন?

অনেকের মনেই এই প্রশ্নটি আসতে পারে। স্ক্যাম লিংকে ক্লিক করার পর যদি টের পান, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই নীচে উল্লেখিত পন্থা অনুকরণ করুন:
টাইমলাইনে গিয়ে দ্রুত লিংকটি ডিলিট করুন।
  • ফেসবুক এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটে থাকা আপনার প্রোফাইলের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন।
  • বিশেষ করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ই-মেলের পাসওয়ার্ড দ্রুত বদলান।
  • ফেসবুক বন্ধুদের জানান যে, আপনি ভুল করে একটি স্ক্যাম শেয়ার করেছেন।
এসব উদ্যোগ গ্রহণ ছাড়াও নিরাপদ থাকতে মাঝে মাঝে ফেসবুকের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’ এবং ‘একটিভ সেশন’ অপশন চেক করুন। কোনো কিছু সন্দেহজনক মনে হলে ভালোভাবে যাচাই করুন।

শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৩

বঙ্গবীরের বঙ্গীয় বচন .....  



বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম

এক মাস আগে হেফাজতে ইসলাম নামে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক একটি ইসলামী দল ৫ মে ঢাকা অবরোধ করেছিল। মুসলমানের ঘরে জন্ম, আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে মুসলমান হিসেবে মরতে চাই। তাই গাবতলী আমিনবাজারে হেফাজতীদের অবস্থান দেখতে গিয়েছিলাম। একমাত্র বাঁশি ফুঁ ছাড়া তাদের কাজকর্মে খুশি হয়েছি। তারা ওই সময় বাঁশি ছেড়ে আল্লাহ আল্লাহ করলে অনেক ভালো করত। আমি কয়েক বোতল পানি নিয়ে গিয়েছিলাম। যখন হাজার হাজার মানুষের মধ্য দিয়ে হেঁটে মিরপুর ব্রিজের দিকে যাচ্ছিলাম তখন কতজন আমাকেই পানির বোতল দিয়েছে যার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। এটা-ওটা খেতে দিয়েছে। দেড় ঘণ্টা আগে নাস্তা করেছিলাম। তাই খাওয়ারও কোনো প্রয়োজন ছিল না। যে যা দিচ্ছিল আন্দোলনকারীদের খাইয়ে দিচ্ছিলাম। কয়েক লাখ মানুষের ভেতর এক ঘণ্টা কাটিয়ে যা দেখেছি তা সেখানে সবাইকে জামায়াত, বিএনপি বা শুধু মাদ্রাসা মসজিদের আলেম মনে হয়নি, হাজার হাজার সাধারণ মুসলমানও মনে হয়েছে। আমিও একজন মানুষ হিসেবে, একজন মুসলমান হিসেবে আল্লাহ এবং রাসূলের প্রতি সম্মান দেখাতে ও যারা ইসলামের অবমাননা এবং আল্লাহ রাসূলের অবমাননা করে তার প্রতিকারে অংশ নিতে গিয়েছিলাম। এ জন্য অনেকেই খুশি হয়ে ধন্যবাদ দিয়েছেন। আবার এক মহিলা, মুক্তিযোদ্ধার কন্যা পরিচয়ে বেশ অভদ্রভাবেই বললেন, 'শেষ পর্যন্ত আপনি হেফাজতের ১৩ দফাকে সমর্থন জানিয়েছেন? তাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন?' মনে হলো ভদ্র মহিলা দলকানা। তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ জন্য মনে হলো দেশটা যেন তারই। অথচ আমি যে মুক্তিযুদ্ধ করলাম, মুক্তিযোদ্ধাদের চালালাম, পাকিস্তানি হানাদারদের পায়ের সামনে নতজানু হয়ে আত্দসমর্পণে বাধ্য করলাম_ এদেশ যেন আমার নয়। যেহেতু তিনি আওয়ামী ঘরানার সেহেতু দেশের মালিক-মোক্তার যেন তিনিই। হেফাজতীদের ১৩ দফার সঙ্গে আমি কোনোমতেই একমত নই। আর দেশবাসী ভালো করেই জানেন আমার পোঁ ধরার স্বভাব নেই। আমি যেমন সব রাজাকারের ফাঁসি চাই না, তেমনি কোনো নাস্তিকেরও ফাঁসি চাই না। যারা স্রষ্টাকে মানে না, আল্লাহকে বিশ্বাস করে না_ তাদের সঙ্গে বোঝাপড়া করবেন আল্লাহ। সেখানে আমার দরকার কি? দেশের প্রচলিত আইনে আমি তার বিচার চাই যে আমার আল্লাহ রাসূলের অবমাননা করে, আমার প্রিয় নবীর প্রতি কটূক্তি করে। সেই কটূক্তির বিচার চাই। একেবারে সোজা কথা। আমার দাবি এক দফা_ কটূক্তিকারীদের বিচার চাই। সংবিধানে আল্লাহর প্রতি গভীর আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃস্থাপন চাই। হেফাজতীরাও এই দাবি নিয়ে অগ্রসর হয়েছে। সে জন্য তাদের দেখতে গেছি এবং ওই পর্যন্ত সমর্থন জানিয়েছি। এ জন্য কোরবান হওয়ার প্রয়োজন হলেও আমি পিছপা হব না। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় নারীমুক্তি, নারীর অধিকার, সম্পদের অধিকার_ এ আন্দোলনে আমি আবার নারীদের পাশেও থাকব। এ সমাজ শুধু পুরুষের নয়, এ সমাজ নারীরও। নারীরা নিশ্চয়ই পর্দানশিন হবেন, মার্জিত হবেন কিন্তু বন্দিনী হবেন না। মুক্তিযোদ্ধার কন্যার সঙ্গে তর্ক করতে ইচ্ছা হয়নি। তাই তাকে তেমন কিছু বলিনি। আজকাল বড়-ছোটর কোনো মাপ নেই।

বুধবার, ১৫ মে, ২০১৩

ঘুর্নিঝর মহাসেন আজ আঘাত হানতে পারে  


 
৯১’র প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়কে ছাড়িয়ে যাবে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা সমুদ্র বন্দরে ৭ নং বিপদ সংকেত,
ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চার করে ‘মহাসেন’ উপকূলের দিকেই আসছে। উপকূলের হাজার হাজার পরিবারের শিশু কিশোর মহিলারা এখনও নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্কবার্তাও। বুধবার নয় বৃহস্পতিবার রাতেই বাংলাদেশ উপকূল ঘেঁষে উড়িষ্যায় ছোবল দিতে পারে মহাসেন। মার্কিন বিশ্লেষকরা অনেক আগে থেকেই এমনটিই বলেছেন।
চলতি মাসের ৫ তারিখও মহাসেনের গতিবিধি সম্পর্কে একটি ওয়েভসাইটে বিশেষ বুলেটিন প্রচার করা হয়।বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তারা ঘূর্নিঝড়ের আঘাত বুধবার রাতে উল্লেখ করলেও সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলেছেন বুধবার রাতের সম্ভাবনা নাই। বৃহস্পতিবার রাতেই এটি বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে।নাসার একটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডাররা বলেছেন, মহাসেনের অবস্থান এবং এর গতিবিধি অনেক আগেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়েছিল। বাংলাদেশ উপকূল ঘেঁষে মায়ানমার উড়িষ্যা তামিলনাডুতে মহাসেন আছড়ে পড়বে বলেও আশংকা করা হয়।বর্তমানে মহাসেন’র গতি খুব প্রবল নয়। মার্কিন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এভাবে গতি সঞ্চারের পর মঙ্গলবার রাতেই মহাসেন দ্রুতগতি লাভ করে ধেয়ে যাবে একশ’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘মহাসেন’ বর্তমানে যে মাত্রায় বিরাজমান তাতে ৯১’র প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়কে ছাড়িয়ে যাবে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতির কথা বলা হলেও উপকূলবাসী রয়েছেন আতঙ্কে। কক্সবাজারের মহেশখালীর ধলঘাটা, মাতারবাড়ি, সোনাদিয়া, ঘটিভাঙ্গা, কুতুবদিয়া, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং ও পেকুয়ার কিছু এলাকায়ও এ অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে অনেকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে শুরু করেছে। তবে দরিদ্র উপকূলবাসী নিরাপদ স্থানে যেতে পারছে না বলে জানা গেছে।কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ‘মহাসেন’র ঝুঁকি মোকাবেলায় সর্বোত্তম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রস্তুতির আওতায় স্বাস্থ্য বিভাগসহ সব বিভাগের কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সব উপজেলায় মাইকিং, রেডিও বার্তার মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে।
 
সতর্ক সংকেতের নম্বর গতিবেগ ঘণ্টায়-----
১। ১ নম্বর দূরবর্তী সঙ্কেত - গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১ থেকে ৬১ কিমি ।
২। ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সঙ্কেত -গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিমি ।
৩। ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত -গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি ।
৪। ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সঙ্কেত - গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার।
৫। ৫ নম্বর বিপদ সঙ্কেত -গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার।
৬। ৬ নম্বর বিপদ সঙ্কেত -গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার।
৭। ।৭ নম্বর সতর্ক সঙ্কেত মানে বন্দর ছোট ও মাঝারি সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত -
গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার।
৮। ৮ নম্বর হলো মহাবিপদ সঙ্কেত -গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার বেশি হতে পারে ।
৯। ৯ নম্বর হলো মহাবিপদ সঙ্কেত -১১৮ থেকে ১৭০ বেগে হারিকেনের তীব্রতা সম্পন্ন
প্রবল ঘূর্ণিঝড় বিরাজ করবে।
১০। ১০ নম্বর হলো মহাবিপদ সঙ্কেত-গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭১ কিলোমিটার বা তার বেশি হবে।
১১। ১১ নম্বর হলো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সঙ্কেত- আবহাওয়ার বিপদ সঙ্কেত দেওয়া
কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বিঃ দ্রঃ জরুরি যোগাযোগের জন্য জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে চালু করা কন্ট্রোল রুম সার্বক্ষণিক সচল রয়েছে। দুর্যোগকালে সঙ্কটময় মুহূর্তসহ সব ধরনের জরুরি প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমের ৬৪২৫৪ নম্বর ফোনে যোগাযোগের জন্য তিনি সবার কাছে আহ্বান জানান। 
 
ঘূর্ণিঝড় "মহাসেন"-এর জন্য উদ্ভুত

পরিস্থিতিতে সাহায্যের  জন্য আরো  কিছু জরুরী নম্বর,

ঘূর্ণিঝড় "মহাসেন" বিষয়ক রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রন

কক্ষে যোগাযোগের নম্বরঃ ৮৮১৮৭৩৬, ৯৮৫৫৯৩৩, ০১৭৫৯১১৪৪৮৮

ঘূর্ণিঝড় "মহাসেন" সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য তথ্য

অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম নম্বরঃ ৯৫১৪৯৮৮,

৯৫১২২৪৬, ৯৫৪০০১৯

কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের বিশেষ নিয়ন্ত্রন কক্ষ

নম্বর: ০৩৪১৬৪২৫৪, ০১৭১২০৭২২৭ 

[ বাংলা বই পড়া ]

মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৩

কাদিয়ানীদের পরিচয়  


কাদিয়ানীরা আগে ব্রিটিশ এজেন্ট মির্জা গোলাম আহ্‌মদ কে নবী হিসেবে মানত। সম্প্রতি তারা এখন একে ইমাম মাহাদি আলাইহিস সালাম বানিয়ে ইন্টারনেটে প্রচার করছে।  

 এদের কিছু ভন্ডামির কথা শুনুন  

ইসলামের নব জীবন ও এর বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুত বিজয়ের লক্ষ্যে একটি মহান ধর্মীয় ও সামাজিক আন্দোলনের নাম আহ্‌মদীয়াত। এটা কোন নতুন ধর্ম নয়। ইসলামেরই অপর নাম আহ্‌মদীয়াত। রাজনীতির সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। কোন রাষ্ট্র বা রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এর সৃষ্টি হয়নি বা কোন রাজনৈতিক লক্ষ্য দৃষ্টিপটে রেখে এর জন্মও হয়নি। কেবল মাত্র আল্লাহ্‌ তা’আলার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবং তাঁর সম্মতি ও সমর্থন আর পৃষ্ঠপোষকতায় এ জামা'ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামের কলেমাই এর কলেমা। কলেমা “লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্‌”- এর ধারক ও বাহক হলেন এ জামাতের সদস্যরা। এরা আহ্‌মদী মুসলিম নামে পরিচিত। আহ্‌মদীরা সেই এক অদ্বিতীয় আল্লাহ্‌তে বিশ্বাসী যিনি সকল সুন্দর সুন্দর নামের অধিকারী। কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের হেদায়াত ও পথ প্রদর্শনের জন্য তিনি শেষ শরীয়ত গ্রন্থ কুরআন শরীফ পাঠিয়েছেন। এর ধারক ও বাহক হলেন খাতামান্নাবীঈন হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম। তিনি সমগ্র মানব মন্ডলীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ শরীয়তধারী নবী। কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর মত আর কোন নবী আবির্ভূত হবেন না। তবে তাঁর পূর্ণ আনুগত্য ও অনুবর্তিতায় এবং তাঁর (সাঃ) মাঝে পূর্ণ বিলীন হয়ে কেউ নেয়ামত প্রাপ্ত হয়ে উম্মতী নবী হিসাবেও আখ্যায়িত হতে পারেন। (সূরা নিসাঃ ৭০)
রাসুলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম বলেছিলেনঃ
আখেরিনদের যুগের মুসলমান ইসলামকে বিকৃত করে দিবে আর নিজেদের মনগড়া ধর্ম বিশ্বাস ও কার্য-কলাপকে ইসলামের নামে চালাতে থাকবে। এ সময়ে পরম করুণাময় আল্লাহ্‌ তা’আলা নবীর (সাঃ) শ্রেষ্ঠ উম্মতকে নিঃসহায় অবস্থায় পরিত্যাগ করবেন না। বরং তাদের মাঝে ঐক্য সৃষ্টি ও তাদের সংশোধনের জন্য হযরত ইমাম মাহ্‌দী ও মসীহ্‌ মাওউদ (আঃ)-কে পাঠাবেন। তিনি ধর্মকে সঞ্জীবিত করবেন এবং শরীয়তকে প্রতিষ্ঠিত করবেন। সেই নামের মুসলমানকে কাজের মুসলমান বানিয়ে দেবেন আর এ আধ্যাত্মিক বিপ্লব ও আন্তর্জাতিক প্রচারের মাধ্যমে ইসলাম সারা বিশ্বে বিজয় লাভ করবে।
ভারতবর্ষে পাঞ্জাব প্রদেশের গুরুদাসপুর জেলার কাদিয়ান গ্রামে হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ আলায়হেস সাল্‌লাম আল্লাহ্‌তাআলার আদেশে ইমাম মাহ্‌দী ও প্রতিশ্রুত মসীহ্‌ দাবী করেন। বিশেষ করে সমস্ত মুসলিম উম্মতকে এবং সাধারণভাবে সারা মানব মন্ডলীকে একই কলেমা,“লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ”এর পতাকাতলে সমবেত করার লক্ষ্যে তিনি ১৮৮৯ সনে এ জামাতের প্রবর্তন করেন ঐশী নির্দেশনায়। হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা আহ্‌মদ মুজতাবা সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের জামালী অর্থাৎ সৌন্দর্য বিকাশক ‘আহ্‌মদ’ নাম অনুযায়ী ১৯০১ সনে তিনি (আঃ), এর নাম রাখেন ‘মুসলিম ফিরকা আহ্‌মদীয়া’। বিরুদ্ধবাদীরা এর অন্যান্য নাম দেয়। কেউ কেউ আপত্তি করে থাকেন যে, হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আঃ) এর নামানুযায়ী এ জামাতের নাম আহ্‌মদীয়া জামা'ত রাখা হয়েছে। এটা ঠিক নয়। শেষ যুগে হেদায়াত প্রাপ্ত জামাতের নাম যে আহ্‌মদীয়া জামা'ত হবে তা ইসলামের অনেক বুযুর্গ ঐশী ইঙ্গিতে তাদের পুস্তকে লিখে গেছেন। (যেমন হযরত মুজাদ্দিদ আলফে সানী (রহঃ) লিখিত মাবদা ওয়া মা’আদ পুস্তক ৫৮ পৃষ্ঠা এবং হযরত মুল্লা আলী আল্‌ কারী (রহঃ) লিখিত মেশ্‌কাতের শরাহ্‌ মিরকাত প্রথম খন্ড, ২৪৬ পৃষ্ঠা)। নবী করীম (সাঃ) এর বক্তব্য ‘ওয়া হিয়াল জামা'ত’ অনুযায়ী তা হবে একটি জামা'ত। আহ্‌মদী জামা'তই প্রকৃত পক্ষে সেই জামা'ত, আহ্‌মাদীয়াত ই সেই মহান আধ্যাত্মিক বিপ্লব। আহ্‌মদীয়া জামাতের প্রতিষ্ঠাতা সারা জীবন আরবী, ঊর্দূ ও ফার্সী ভাষায় ইসলাম ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)- এর সত্যতা ও মাহাত্ম্য প্রভৃতি বিষয়ে বহু পুস্তক-পুস্তিকা লিখে সারা বিশ্বে এ আধ্যাত্মিক বিপ্লবের সূচনা করে গেছেন। ১৯০৮ সনে তাঁর (আঃ) ইন্তেকালের পরে প্রতিশ্রুত ঐশী খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়।
এখন এ খেলাফতের পঞ্চম পর্যায় চলছে। প্রত্যেক খলীফার যুগেই আহ্‌মাদীয়াত আল্লাহ্‌র ফযলে আশ্চর্য ধরনের অগ্রগতিসাধন করেছে। বর্তমানে এ জামা'ত বিশ্বের প্রায় ১৮৯ টি দেশে স্থানীয় পর্যায়ে হাজার হাজার কেন্দ্র, হাজার হাজার মসজিদ ও মিশন প্রতিষ্ঠা করেছে। পৃথিবীর ৬৫ টির অধিক ভাষায় পবিত্র কুরআনের তরজমা তফসীর, ১২০ টির অধিক ভাষায় পবিত্র কুরআন, হাদীস ও মসীহ্‌ মাওউদ (আঃ)-এর কালামের নির্বাচিত অংশসমুহের অনুবাদ এবং বিভিন্ন ইসলামী সাহিত্যের প্রচুর সমাবেশ ঘটিয়ে সারা বিশ্বে একটি নব জাগরণ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে মুসলিম টেলিভিশন আহ্‌মদীয়া ইন্টারন্যাশনাল (এম.টি.এ)-এর মাধ্যমে দিনরাত্র ইসলামের প্রচারের এক নব-দিগন্তের উন্মোচন করেছে আহ্‌মদীয়া জামা'ত। ইসলামের সৌন্দর্যপুর্ণ শিক্ষার বিস্তৃতিদান কার্যক্রমের অংশ হিসাবে পশ্চাৎপদ মানবগোষ্ঠীতে বিশেষতঃ আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশে স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং সেবামুলক কাজে বহু হাসপাতাল, ক্লিনিক ইত্যাদি নির্মাণ করে চলেছে এই জামা'ত।
আহ্‌মদীয়াত এরূপ এক বৃক্ষ, যাতে সদা বসন্ত বিরাজমান। এটা সেই বৃক্ষ, যাকে প্রকৃত মালিক খোদা তা’আলা নিজ হাতে রোপন করেছেন। এর ফল-ফলাদি সুমিষ্ট ও বিশ্বজনীন। এটা ইসলামের নবজীবন দানকারী বৃক্ষ। যে একে কাটতে চায় সে নিজেই কাটা পড়ে। যে এর ক্ষতি করার চেষ্টা করে সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিফল ও অকৃতকার্য হয়ে যায়। এটা সেই পবিত্র বৃক্ষ, যার মালী স্বয়ং খোদা।
আহ্‌মদীয়াতের প্রকৃত রূপ বুঝতে হলে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারনা করা প্রয়োজন। তা হলো, ইসলামের খোদা এক জীবিত ও চিরঞ্জীব-চিরস্থায়ী খোদা। তাঁর সত্তার অন্যতম প্রমাণ হলো, তিনি তাঁর বান্দাদের দোয়া শুনে থাকেন এবং জবাব দেন। আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেন,
উদউনী আস্তাজিব্লাকুম
অর্থাৎ হে আমার বান্দারা, তোমরা আমাকে ডেকো, আমি তোমাদের দোয়া শুনবো। (সূরা মু’মিননঃ ৬১)
কিন্তু পরিতাপের সাথে বলতে হয় যখন এ আখেরী যুগে মুসলমানদের মাঝে ���র্ম-বিশ্বাস ও আমলের দুর্বলতা দেখা দিল, তখন তারা এসব সুন্দর শিক্ষাকে পুরোপুরি ভুলে বসলো। দোয়ার জবাবদানকারী জীবিত খোদার ওপর থেকে তাদের বিশ্বাস উঠে গেল। তারা আল্লাহ্‌র সাক্ষাৎ এবং ওহী ইলহামের অস্বীকারকারী হয়ে গেল। তারা খোদাকে এক নিছক দর্শনে ও কেচ্ছা-কাহিনীতে পরিণত করলো।
এ চুড়ান্ত অন্ধকার ও নৈরাশ্যের জগতে কাদিয়ানের অজ্ঞাত-অখ্যাত পল্লী থেকে ইমাম মাহ্‌দী ও প্রতিশ্রুত মসীহ্‌ হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আঃ) কর্তৃক তৌহীদের ধ্বনি অতি প্রতাপের সা����� উচ্চারিত হলোঃ
“সেই খোদা এখনো যাকে চান কলীমে পরিণত করেন। তিনি এখনো তার সাথে কথা বলেন যাকে তিনি ভালবাসেন।”
হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ কাদিয়ানী (আঃ) হতোদ্যম মুসলমানদেরকে এ মহা সুসংবাদ শোনালেন,
“আমাদের খোদা এক জীবিত খোদা।”
তিনি আরো বলেন,
“জীবিত ধর্ম তা-ই যার মাধ্যমে জীবিত খোদা লাভ হয়। জীবিত খোদা তিনিই, যিনি মাধ্যম ছাড়াই আমাদের ইলহাম প্রাপ্ত করতে পারেন।”
আহ্‌মদীয়াত এ শেষ যুগে পৃথিবীকে যে ইসলামী সমাজ দান করেছে, এটা আসলে এ আন্তর্জাতিক বিপ্লবের সূচনালগ্ন। এর কল্যাণে বিশ্ব বর্তমান শতকে ইনশাআল্লাহ্‌ এক আধ্যাত্মিক দৃশ্য দেখবে। নতুন বিশ্ব হবে আর নতুন আকাশ এবং সারা বিশ্ব ইসলামের সূর্য রশ্মিতে আলোকনন্দিত হবে। কেননা সেদিন বেশী দূরে নয় যেদিন আহ্‌মদী জামাতের সকল প্রচার ও প্রকাশনার মাধ্যমে ইসলাম তথা আহ্‌মদীয়াত বিশ্বের সমস্ত দেশ ও জাতিকে নিজের মাঝে আত্মস্থ করে নিবে। সেদিন সারা বিশ্বে এক লা-শরীক খোদার ইবাদত প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সারা বিশ্বের একজনই নেতা হবেন হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম, আর একটিই ধর্ম হবে ইসলাম, যার অন্য নাম আহ্‌মদীয়াত। 

আহমাদিয়া জামাত সকল নির্ভর যোগ্য আলেম দ্বারা কাফের স্বীকৃত 

এটা হল তাদের ওয়েবসাইটঃ http://www.ahmadiyyabangla.org/

এদের থেকে নিজে সাবধান হোন এবং শেয়ার করে অন্যকে সাবধান করুন!!!


ইন্টারনেটে প্রয়োজনীয় কিছু ইসলামিক ওয়েবসাইটঃ
1. http://www.madina24.com/
2. http://sunnism.wordpress.com/
3. http://www.ahlus-sunna.com/
4. http://sunniforum.net/showthread.php?t=11339
5. http://salafiaqeedah.blogspot.com/
6. http://thewahhabithreat.com/

ঘুর্নিঝর মহাসেন এগিয়ে আসছে  


চট্টগ্রাম ১০৮০, মংলা থেকে ৯৭০ কি:মি: দূরে ‘মহাসেন’
১৪ মে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ সামান্য উত্তরদিকে সরে গিয়ে বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৮০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০১৫ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-পশ্চিম এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৭০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল (১৪.৩০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৬.২০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিঃ মিঃ এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৬২ কিঃ মিঃ যা দমকা অথবা ঝড়োহাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিঃ মিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকট সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরসমূহকে চার নম্বর পুনঃ চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং সমুদ্রগামী জাহাজসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। 
[ফেইসবুক , নিউজ ফিড ]

রাজনৈতিক সংঘাত, অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা থেকে মুক্ত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে ক্ষুদ্র ভাবনা 



ক্ষমতাসীনদের অধীনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সবগুলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল প্রায় শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ তথা কারচুপির। ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম সত্য হচ্ছে মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহন করে না। বিগত ৯টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে ৫টিই অনুষ্ঠিত হয় ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে। আর এ ৫টি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল পরাজিত হয়নি বরং বিজয়ী হয়েছে। দুই দলের কামড়া-কামড়ির সুযোগে আগ্রাসীরা যেন বানরের পিঠা ভাগ করতে না পারে। ক্ষমতা যেন উত্তর পাড়ায় চলে না যায়!

স্বাধীনতা পরবর্তী ৪ দশকেরও বেশি সময়ে অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের সংঘাত, অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার চিত্র সবার কাছেই স্পষ্ট। সরকার কিংবা বিরোধী দল হিসেবে বড় দলগুলোর ভূমিকাও কারো অজানা নয়। ক্ষমতার লড়াইয়ে টিকে থাকতে দেশের সাংবিধানিকসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ধ্বংস, অর্থনীতির চরম ক্ষতিসাধন কিংবা নির্বিচারে গণহত্যার মত ঘটনাও খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা, পেশী শক্তি ও কালো টাকার দৌরাত্ম্য এবং সর্বোপরি নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে দলগুলোর বিভিন্ন সময়ে নিজেদের স্বার্থে অবস্থান পরিবর্তন জাতির অগ্রগতির পথে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব কারনে জাতির নীতি নির্ধারক হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের অধিকাংশের যোগ্যতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে। উন্নত দেশগুলোতে সংসদ সদস্য তথা পলিসি মেকারদের আসনে বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের সমারোহ দেখা গেলেও আমাদের চিত্র ভিন্ন। স্ব স্ব সেক্টরে যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত না করে অদক্ষ, মাস্তান ও লুটেরাদের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নেওয়া আশা করা বোকার স্বর্গে বাস করার নামান্তর।

প্রস্তাবনার মূল দিকসমূহ

১. রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত নির্দলীয় একটি সরকারের অধীনে নির্বাচন।

২. আসনভিত্তিক দলীয় কোন প্রার্থী থাকবে না। নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী দলগুলোর প্রতীক দেখে জনগণ ভোট দিবেন। তবে দলগুলো তাদের পছন্দের ক্রমানুসারে ৩০০ জনের তালিকা প্রদান করবে। প্রাপ্তভোটের আনুপাতিক হারে দলগুলোর মধ্যে আসন সংখ্যা বন্টন করা হবে। (এতে কোন সংসদীয় এলাকায় সুনির্দিষ্ট প্রার্থী না থাকায় নির্বাচনী ব্যয়, পেশীশক্তির ব্যবহার থাকবে না। দলগুলোর মনোনয়ন বেচাকেনার প্রয়োজন ও পথ উভয়ই বন্ধ হবে। নির্বাচনে বিজয় কিংবা ভোট প্রাপ্তি নির্ভর করবে দলের মেনিফেস্টো ও প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্তদের যোগ্যতার ওপরে।)

৩. ফলাফল যাই হোক না কেন, সরকার গঠন করা হবে ফলাফলের আনুপাতিক হারে সম্মিলিতভাবে। এককভাবে কোন দল সরকার গঠন করতে পারবে না। মন্ত্রীত্বও বন্টন করা হবে দলগুলোর প্রাপ্ত ফলাফলের আনুপাতিক হারে। (ফলে অদক্ষতা ও লুটপাটের পরিবর্তে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত মন্ত্রণালয় তথা মন্ত্রীদের মধ্যে দক্ষতা ও সততা প্রমাণের প্রতিযোগিতা শুরু হবে)

সরকার ও বিরোধী দলে অবস্থানকালে রাজনৈতিক দলগুলো আচরণ বদলানো ছাড়া এ জাতির এগিয়ে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই। উপরিউক্ত প্রস্তাবনাগুলো কার্যকর করা গেলে অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ ও পরাশক্তির আজ্ঞাবহদের কবল থেকে রাজনীতি চলে যাবে দক্ষ, সৎ ও দেশপ্রেমিকদের দায়িত্বে- ইনশাল্লাহ। নির্বাচনের সময় বিজয়ের লক্ষ্য রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী মনোনয়নে কালো টাকা ও পেশী শক্তির পরিবর্তে দক্ষ, সৎ ও দেশপ্রেমিকদের প্রাধান্য দিতে বাধ্য হবে। দলগুলোর প্রার্থী তালকায় ঠাই পাবে উন্নত দেশগুলোর ন্যায় সৎ ও দক্ষ রাজনীতিক, দার্শনিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ শিক্ষক, বিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ, অর্থনীতিবিদ, আইনবিদ, প্রকৌশলী তথা সর্বক্ষেত্রে দেশকে এগিয়ে মত বিশেষজ্ঞদের সমারোহ। একবিংশ শতাব্দীর এই অগ্রসরমান বিশ্বে খুব বেশি দিন হয়তো নতুন প্রজন্ম তথা জাতিকে বোকা বানিয়ে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করা যাবে না। প্রস্তাবনাটি অপার সম্ভাবনাময় আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিতে কার্যকর করা গেলে সততা, দক্ষতা ও দেশপ্রেম ছাড়া নষ্টরা দেশ গড়ার মহান জায়গা থেকে ছিটকে পড়বে- ইনশাল্লাহ। 
[ Hasan (A Blogger)]

সোমবার, ১৩ মে, ২০১৩

The Speech of Allama Ahmad Shafi (Amir: Hefajote Islam Bangladesh)

  
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী দাবি করেছেন, ৫ মে গভীর রাতে বাতি নিভিয়ে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সাদা পোশাকের অস্ত্রধারীরা স্মরণকালের নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তিনি বলেন, যদি বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ওই ‘বীভৎস আক্রমণের’ নায়কদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে হেফাজতে ইসলাম আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে বাধ্য হবে।
হেফাজতের কেন্দ্রীয় দপ্তর হাটহাজারী মাদ্রাসায় সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় আহমদ শফী এসব কথা বলেন বলে আজ সোমবার সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
আহমদ শফী প্রশ্ন রেখে বলেন, ৫ মে রাজধানীর ছয়টি প্রবেশপথে সারা দিন শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থানকারী আলেম-ওলামা ও তৌহিদি জনতার মাঝে কোনো উচ্ছৃঙ্খলতা দেখা গিয়েছিল কি না? শাপলা চত্বরে সমাবেশ করার কথা না থাকলেও কাদের প্ররোচনায় হেফাজতকে শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করতে আসতে বলা হলো এবং তড়িঘড়ি করে পুলিশও অনুমোদন দিল? তিনি বলেন, আওয়ামী ওলামা লীগসহ কয়েকটি বাম ঘরানার আলেম নামধারী ও সরাসরি সরকারি দলের পক্ষ থেকে ৪ মে আলাদা সংবাদ সম্মেলন করে রাজধানীর ১৩টি স্থানে অবরোধ প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ৫ মে দুপুরের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি নিয়ে যখন তৌহিদি জনতা শাপলা চত্বরের দিকে আসতে থাকে, তখন পূর্বঘোষিত ১৩টি স্থান থেকেই তাদের ওপর কারা হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল? হকার ও সাধারণ দোকানিদের দোকানগুলোতে কারা আগুন দিয়েছে?
আহমদ শফীর প্রশ্ন, ইনকিলাবসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কোরআন পোড়ানো ব্যক্তিদের ছবি ছাপানো হলেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না কেন? শাপলা চত্বরের সমাবেশস্থল থেকে দূরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, জ্বালাও-পোড়াও ও গাছ কাটায় কারা নেতৃত্ব দিল? সারা দেশ থেকে আসা মুসলমানদের ওপর সশস্ত্র যৌথ বাহিনীকে গুলি চালানোর নির্দেশ দিল কারা? কত হাজার শহীদ হয়েছে ? বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, ট্রাকে লাশ ভর্তি করা হয়েছে। ওই লাশ ভর্তি ট্রাকগুলো কোথায় গেল? হামলায় বায়তুল মোকাররমের উত্তর চত্বরে বিজিবির পোশাক পরে আক্রমণে অংশগ্রহণ করেছিল, এরা কারা?
মতবিনিময় সভায় মাওলানা শাহ আমাদুল্লাহ আশরাফ, মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা আশরাফ দিনাজপুরী, মাওলানা আনাস মাদানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।  

[Facebook journal]

রবিবার, ১২ মে, ২০১৩


ফেসবুক আইডি হ্যাক হতে পারে!!! 



সাবধান, আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হতে পারে!!!
ফেসবুক বর্তমানে ৪ টি ভাইরাসে আক্রান্ত…
এই অ্যাটাকগুলো আপনার অ্যাকাউন্ট কে হ্যাক করতে পারে
১/ আপনি যদি কোন PHOTO TAG নোটিফিকেশান দেখেন, এটি ওপেন করবেন না।
২/ আপনি যদি কোন a friend reported you for offensive behavior বা এই ধরনের কিছু নোটিফিকেশান দেখেন, এটি ওপেন করবেন না।
৩/ আপনি যদি কোন ভিডিও তে 99% of People can not watch this for more the 15 Sec. এই লেখাটি দেখেন, এটি ওপেন করবেন না।
৪/ আপনার বুন্ধুদের চ্যাট মেসেজ থেকে আসা যাতে লিখা থাকবে click this link, এটি ওপেন করবেন না।
একমাত্র এই ভাবে আপনি এই জিনিশগুলো এড়িয়ে গিয়ে আপনার ফেসবুক আইডিকে হ্যাক থেকে নিরাপদে রাখতে পারেন।
পোস্টটি উপকারী মনে হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন! 

বুধবার, ৮ মে, ২০১৩

 দিগন্ত টিভির সম্প্রচার বন্ধ 


দিগন্ত টিভি বন্ধ হবার কারণ...

তখন রাত ২.৩০ মিনিট। আমি সিটি সেন্টারের সামনে। তার কিছু সামনেই কয়েক হাজার পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি প্রস্তুতি নিচ্ছে হামলা করার। পাচ মিনিট আগেই তারা তাদের সাজোয়া যান গুলোকে তাক করেছে মঞ্চের দিকে। তখনই বুঝা যাচ্ছিলো একটু পরেই হামলা করবে তারা। তখনই দিগন্ত টিভির ৩-৪ জন সাংবাদিকের সাথে আমার দেখা তারাও হামলার ব্যাপারটি আঁচ করতে পেরে মঞ্চের দিকে যাচ্ছিলো, তখন তাদের সাথে আমার কথা হয় এবং বলি ভিডিও করার জন্য (যদিও তারা ভিডিও করার জন্যই যাচ্ছিলো)। তার ঠিক ১০ মিনিট পর ২.৪০ মিনিটে শুরু করে তাদের পৈশাচিক আক্রমণ। আমি নিশ্চিত দিগন্ত টিভির কাছে গণহত্যার ভিডিও ফুটেজ আছে। বাসায় ফিরে রাত ৪.১৫ মিনিটে দিগন্ত টিভিতে দেখি কিছু ফুটেজ দেখাচ্ছে আর তার কিছুক্ষন পর দিগন্ত টিভির সম্প্রচারই বন্ধ। এই কাজ করে সরকার গণহত্যাকে স্বীকারই করে নিল। কিন্তু এই জালিম সরকার জানে না যুগের পর যুগ ইসলামের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছে তাদেরকে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হতে হয় নাই, তারা অনুপ্রাণিত হতো কুরআন পড়ে, অনুপ্রাণিত হতো হাদিস পড়ে। পারবে কি তোমরা এই দুটোকে মুছে ফেলতে?

By: Muhibur Rahman [fb collected]

সোমবার, ৬ মে, ২০১৩

A Status From Facebook  


Brutal Bangladesh government has damaged all culture and practice of democracy. This fascist govt. have occurred three genocide in 2013: on 28 February- 5 March killed about 170 mass-people, on 24 April killed about 1000 garment workers, on 5-6 may about hundreds people killed by police. All these mass people killed by the police along with ruling party’s terrorist.

There is no allowing of International media in Bangladesh. Not only this on 11 April 2013 government has stopped popular daily Bengali newspaper Daily Amar Desh, and on yesterday two-television channel. Similarly govt. also censored the others media.

Now clash spread over the country. Emergency rule declared in Capital Dhaka. So it’s time to raise your voice against genocide in Bangladesh by the government.