Hazrat Umar (ra.): Biography

Islamic Women

Bangladesh লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Bangladesh লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১০ জুন, ২০১৩

বাজারের দুধ এর রকম-সকম 

  

নিঃসন্দেহে দুধ হচ্ছে মানুষের জন্য এক অনুপম কার্যকরী এবং পুষ্টি গুন সম্পন্ন খাবার যা প্রায় ২০০ টি খাদ্য উপাদানের অপূর্ব উৎস।[১] আজ থেকে প্রায় ৬০০০ বছর পূর্বে দুধ উৎপাদন শুরু হয়।[২] গো-উৎসই আমাদের দেশের দুধের প্রধান উৎস। দুধের উৎপাদন হয় মূলতঃ গ্রামে এবং তা সবচে’ বেশি খাওয়া হয় শহরে। আমাদের দেশ ট্রপিকাল অঞ্চলে অবস্থিত বলে দুধ নষ্ট হয় তারাতারি। কারন সাধারন তাপমাত্রায় দুধ তিন ঘন্টার মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়।[৩] এই জন্য বিক্রির পূর্বে যথাযথ সংরক্ষন, প্রক্রিয়াজাতকরন, নির্বীজকরন, প্যাকেটজাতকরন এবং যথাযথ ভাবে বিক্রি করা আবশ্যক। আমরা শহরে দোকান বা সুপার স্টোরে যে দুধ কিনতে পাই, তাই মার্কেট মিল্ক । কাঁচা দুধ বা সঠিক ভাবে রান্না/প্রক্রিয়াজাতকরন, নির্বীজকরন না করা দুধ হতে পারে ব্যাকটেরিয়া,মোল্ড,ঈস্ট এবং ভাইরাসের উৎস। অনেক সময় যারা হতে পারে প্রানঘাতী। দুধ মুলতঃ আমারা তরল অবস্থায় পাই। এ ছাড়া দুধ থেকে আরোও প্রায় শতাধিক তরল, কঠিন এবং অর্ধ-তরল খাদ্য তৈরী হয়। একটা পরিসংখানে দেখা গেছে, দুনিয়ার সবচে’ ধনী, শান্তি প্রিয় এবং উন্নত দেশ গুলোর তালিকা তৈরী করা হলে, দেখা যাবে, যে দেশ যতো ধনী, শান্তি প্রিয় এবং উন্নত সে দেশে দুধ ও দুধের তৈরী খাদ্য ততো জনপ্রিয়[৪]! উন্নয়নশীল দেশ গুলো তেও একই চিত্র। দুধ এবং/ অথবা মার্কেট মিল্ক তাই আমাদের দৃষ্টি আর্কষনের দাবিদার।


অনেক কারনে দুধের খাদ্য উপাদানের অনুপাত পরিবর্তন হতে পারে। এমনকি একই গাভীর দুধে ফ্যাট একই দিনে বিভিন্ন অনুপাতের হতে পারে। জাত,খাবার,ঋতু,বয়স,রোগ সহ অনেক কারনে এই পরিবর্তন হতে পারে।[৪] দুধের মূল উপাদান এবং এদের তুলোনামূলক অনুপাত হলোঃ[৫]
উপাদান ------===---পানি ---ফ্যাট ---প্রোটিন/আমিষ ---শুগার/ল্যাক্টোজ ---মিনারেল
শতকরা পরিমান ৮৭.১ ৩.৯ ৩.৩ ৫.০ ০.৭
এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই ,কে, সি ও বি কমপ্লেক্স। মিনেরেলের মধ্যে ক্যালসিয়াম,ফসফেট,ক্লোরিন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, লোহা, কপার ইত্যাদি। আমাদের দেহের হাড়ের গঠনের সবচ’ দরকারি উপাদন ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের সেরা উৎস হলো দুধ।
আরও আছে প্রয়োজনীয় উন্নত মানের প্রোটিন। এসব উপাদান ছাড়া ভেঙ্গে পরতে পারে মানব দেহের অঙ্গগুলোর স্বাভাবিক কাজ। প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর দুধ থেকে পাওয়া যায় ৭৫ কিলোক্যালরি শক্তি।[৫] যে সব কারনে দুধ হতে পারে বিষঃ
১) অসুস্থ গাভি থেকে দুধে আসতে পারে গরুর রক্তের কোষ(লিউকোসাইট)। এমনকি সুস্থ গাভি থেকেও হতে পারে একই ঘটনা। যা দুধের স্বাদ,গন্ধ ও বর্নে আনতে পারে পরিবর্তন।
২) অসুস্থ গাভি থেকে দুধে আসতে পারে অনেক রোগ উৎপাদনকারী জীবানু। ডিপথেরিয়া,টাইফয়েড,আমাশয়,মাথা ব্যাথা, পেশি ব্যাথা,বমি সহ অন্য রোগ হতে পারে[৬]।
৩) সুস্থ গাভির দেহ থেকেও অনেক জীবানু সংক্রমিত হতে পারে।
৪) যে সব পাত্রে দুধ রাখা হয় বা পরিবাহন করা হয়, সেখান থেকেও জীবানু সংক্রমিত হতে পারে।
৫) পাত্রের উপাদান দ্বারা দুধ দূষিত হতে পারে। যেমন কপার,আয়রন, নিকেল এবং এদের সংকর ধাতুর পাত্র দ্বারা দুধে বিষাক্তা সৃষ্টি হয়[৪]।
৬) যে তাপমাত্রায় দুধ রাখা হয়। কারন দুধ হলো জীবানু বংশ বিস্তারের জন্য উত্তম স্থান।
৭) কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়া আছে যারা স্পোর উৎপাদন করে দুধে থাকে। এরা সাধারন তাপমাত্রায় বা পাস্তুরাইজেশন করার পরেও বেঁচে থাকে।
প্রক্রিয়াজাতকরনঃ
প্রক্রিয়াজাতকরনের উদ্দেশ্য হলো জীবানুর সংখ্যা ও এনজাইমের কাজ কমানো বা ধংস করা এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষন ও ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী দ্রবে কাংক্ষিত পরির্বতন সাধন। এজন্য দুটি প্রধান প্রক্রিয়া অনুসরন করা হয়।
ক) পাস্তুরাইজেশনঃ
পাস্তুরাইজেশনের উদ্দেশ্য হলো রোগ উৎপাদনকারী জীবানু মুক্ত করা। এই প্রক্রিয়ায় সব জীবানু মারা হয় না। তাই দুধ নষ্ট হবার ঝুকি থাকে বেশি। এ জন্য পাস্তুরাইজেশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত দুধ নিচু(৭০সে. বা এর নিচে)তাপমাত্রায় সংরক্ষন করা হয়। নিচু তাপমাত্রায় দুধ সাধারনত ৭ দিনের মতো ভাল থাকে। এর নিচু তাপে দুধে অবস্থিত ইমালসিফায়ার সিস্টেম নস্ট হয়ে যায়[৭]।এতে দুধের অনু ভেঙ্গে যায়,পাত্রের নিচে তলানি পরে। তাছাড়া জীবানু বংশ বৃদ্ধি করে দুধকে নষ্ট করতে পারে। তাই পাস্তুরাইজেশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত দুধ শতভাগ নিরাপদ নয়। 
এই প্রক্রিয়া ৬৩০ সে. তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট বা ৭২-৭৫০ সে. তাপমাত্রায় ১৫-২০ সেকেন্ড তাপ দেওয়া হয়। এই তাপমাত্রায় রোগ উৎপাদনকারী জীবানু ধংস হয়। কিন্তু সব জীবানু রোগ উৎপাদনকারী করে না বা স্পোর তৈরি করে তারা টিকে থাকে। এরা দুধের স্বাদ, রঙ বা মান নস্ট করে[৫]।
তাছাড়া এই প্রক্রিয়ায় ভিটামিন বি (থাইয়ামিন) ৬.৮% নস্ট হয় এবং ভিটামিন সি নস্ট হয় ১০ % [৬]।
খ) ইউ এইচ টিঃ
Ultra High Temperature বা ইউ এইচ টি প্রক্রিয়ায় দুধ সম্পুর্ন জীবানু মুক্ত হয় ।এই প্রক্রিয়ায় দুধ ১৩৫০সে. তাপমাত্রায় ১-২ সে. তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতে সব জীবানু ধংস হয়। এই প্রক্রিয়া খুব জটিল এবং ব্যয়বহুল। আমাদের দেশে মাত্র হাতে গোনা দুই বা তিনটি ব্রান্ড ইউ এইচ টি প্রক্রিয়ায় দুধ উৎপাদন করে। এবং বিশেষ প্যাকেটে প্যাকেটজাতকরন করা হয়। পাস্তুরাইজেশনের উৎপন্ন্য দুধ কম তাপে সংরক্ষন করা হয়। কিন্তু ইউ এইচ টি দুধ সংরক্ষনের জন্য কম তাপের প্রয়োজন হয় না। স্বাভাবিক তাপে এই দুধ ৬ মাসের বেশি ভালো থাকে। ইউ এইচ টি দুধে কোন ভিটামিন বা পুষ্টি গুন নস্ট বা পরিবর্তন হয় না[৬]। এছাড়া টক বা নস্ট দুধ ইউ এইচ টি প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়ায়জাতকরন করা যায় নাতাই ইউ এইচ টি দুধ সবচেনিরাপদ এবং খাঁটি

বুধবার, ৫ জুন, ২০১৩


আমাদের আশরাফুল ......  


আশরাফুল বাংলাদেশের প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম একজন। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাস লিখতে গেলে তাকে বাদ দেয়-সাধ্য কারো নেই। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তার আগমন রাজপুত্রের মতো। বাংলাদেশ ক্রিকেটের শিশু বয়সে আশরাফুল এসেছেন, খেলেছেন আর জয় করে নিয়েছেন এদেশের লাখো-কোটি ক্রিকেট ভক্তের হৃদয়। তার ব্যাটেই নিশ্চিন্তে হাসতে শুরু করে বাংলাদেশ, দায়িত্বশীলতার সাথে খেলে তিনি হয়েছিলেন বাংলাদেশের আশার ফুল। যাকে নিয়ে প্রতিনিয়তই দানা বাঁধতে থাকে তারুন্যের স্বপ্নেরা। তিনি তার প্রতিদানও দিয়েছেন সাকিব-মুশফিক পূর্ববর্তি সময়ে বাংলাদেশের প্রতিটি ম্যাচ জয়ের পেছনে অবদান রেখে। আশরাফুলের অবদান এমনই। তারুন্যকে পথ দেখাবার চওড়া বুকের পাটা তার ছিল এবং আবারো তা প্রমাণ হলো। তিনি ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে যাওয়ার কথা অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন। চওড়া বুকের পাটা না হলে এভাবে দোষ স্বীকার করার রেওয়াজ এ দেশের আর একটি আছে কীনা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজতে হবে।

মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৩


 আ'লীগ এর ৪ বছর ৫ মাসে খুন হয়েছে ১৮ হাজার  




 eZ©gvb ¶gZvmxb 14`jxq gnv‡RvU miKvi ¶gZvq Avmvi ci †_‡K GB ch©š— (RvbyÕ2009-†g 2013 ch©š—) 4 eQi 5 gv‡m 18 nvRvi 2kÕ 89wU Ly‡bi NUbv N‡U‡Q| Gi g‡a¨ ivR‰bwZK nZ¨vKvÐ n‡q‡Q 1082wU| Avi wePviewnf©~Z nZ¨vKv‡Ð NUbv N‡U‡Q 6kÕ 52 Rb| msev`24

gvbevwaKvi msMVb AwaKvi, evsjv‡`k cywjk I GgAviwU m~‡Î GB Z_¨ Rvbv †M‡Q|

GK bR‡i 4 eQi 5 gvm

Lyb : 18289
ivR‰bwZK nZ¨v : 1082
wePviewnf©~Z nZ¨vKvÐ : 652
MYwcUywb‡Z wbnZ : 638
mvsevw`K wbnZ : 17
Lyb 18289

eZ©gvb miKv‡ii 4 eQi 5 gv‡m mviv‡`‡k Ly‡bi NUbv N‡U‡Q Aš—Z 18 nvRvi 289wU| †m wn‡m‡e cÖwZw`b M‡o 11 R‡biI †ewk Lyb n‡q‡Qb| cwimsL¨vb Abyhvqx 2009 mv‡j mviv †`‡k 4 nvRvi 219 Rb, 2010 mv‡j 3 nvRvi 988 Rb, 2011 mv‡j 3 nvRvi 970 Rb, 2012 mv‡ji 4 nvRvi 412 Rb Ges 2013 mv‡j †g ch©š— 5 gv‡m 1 nvRvi 700 Rb Lyb n‡q‡Qb|

GKbR‡i
2009 mv‡j 4219 Rb
2010 mv‡j 3988 Rb
2011 mv‡j 3970 Rb
2012 mv‡j 4412 Rb
2013 mv‡j 1700 Rb (†g ch©š— 5 gv‡m)
ivR‰bwZK mwnsmZvq wbnZ 1082 Rb

eZ©gvb miKv‡ii 4 eQi 5 gv‡m mviv †`‡k ivR‰bwZK mwnsmZvq wbnZ n‡q‡Qb 1082 Rb| AvnZ n‡q‡Qb 62 nvRvi 53 Rb| cÖwZw`b M‡o 39 Rb AvnZ n‡q‡Qb| †ewkifvM †¶‡Î ¶gZvmxb `‡j MÖ“wcs‡qi Kvi‡Y msN‡l©i NUbv N‡U‡Q| ïay AvIqvgx jxM I Gi mn‡hvMx msMVb¸‡jvi Af¨š—ixY †Kv›`‡j wbnZ n‡q‡Qb cÖvq 2Õk Rb|

GKbR‡i
2009 mv‡j 251 Rb
2010 mv‡j 220 Rb
2011 mv‡j 135 Rb
2012 mv‡j 184 Rb
2013 mv‡j 292 Rb (†g ch©š— 5 gv‡m)

¶gZvmxb`‡ji Af¨š—ixY †Kv›`‡j wbnZ
2009 mv‡j 38 Rb
2010 mv‡j 38 Rb
2011 mv‡j 38 Rb
2012 mv‡j 39 Rb

D‡jøL‡hvM¨ `ywU mwnsmZv : 2012 mv‡ji 9 Rvbyqvwi Rvnv½xibMi wek¦we`¨vj‡qi QvÎjxM K¨vWviv wbR msMV‡bi †bZv hyev‡qi‡K nZ¨v K‡i| me©‡kl wW‡m¤^i gv‡m ivRavbx‡Z we‡ivax‡Rv‡Ui Ae‡iv‡ai mgq QvÎjx‡Mi nv‡Z wbg©gfv‡e wbnZ nb wbixn c_Pvix wek¦wRr|

AvBb-cÖ‡qvMKvix ms¯’vi nv‡Z wbnZ (wePviewnf©~Z nZ¨vKvÐ) : 652

eZ©gvb miKv‡ii 4 eQi 5 gv‡m mviv †`‡k AvBb-k…·Ljv i¶vKvix evwnbxi nv‡Z g„Zy¨ n‡q‡Q 652 R‡bi| A_©vr cÖwZ gv‡m M‡o 12 R‡biI AwaK wePvi-ewnf©~Z nZ¨vKv‡Ði wkKvi n‡q‡Qb| G‡`i g‡a¨ AwaKvskB Kw_Z µmdvqvi ev GbKvD›Uv‡i ¸wjwe× n‡q cÖvY nvwi‡q‡Qb|

GQvov we‡ivax‡`i ivR‰bwZK Kg©m~wP‡Z cywjwk evav I nvgjv wQj j¶¨Yxq| we‡kl K‡i weMZ eQ‡ii cÖ_g I †kl w`‡K Zv fqven AvKvi aviY K‡i| 2012 mv‡ji 29 Rvbyqvwi we‡ivax †Rv‡Ui c~e©‡NvwlZ wgwQ‡j cywj‡ki ¸wj‡Z 4 Rb Ges 30 Rvbyqvwi ivRkvnx‡Z 1 Rb wbnZ nb|

me©‡kl we‡ivax‡`i wgwQ‡j cywj‡ki ¸wj‡Z wbnZ nq wkwei Kg©x gyRvwn`| 60wU N‡U‡Q PjwZ eQ‡ii 28 †deª“qvwi gvIjvbv †`jvIqvi †nvmvBb mvC`xi g„Zy¨`Ð †NvlYv‡K †K›`Ö K‡i| †`k Ry‡o we¶yä RbZvi wgwQ‡j cywj‡ki wbwe©Pv‡i ¸wj el©‡Y Gme †jvK gviv hvb| wbnZ‡`i †ewki fvMB we‡ivax`jxq Kg©x I mvaviY gvbyl e‡j GgAviwUi cÖwZ‡e`‡b D‡jøL Kiv n‡q‡Q|

GKbR‡i
2009 mv‡j 154 Rb
2010 mv‡j 127 Rb
2011 mv‡j 84 Rb
2012 mv‡j 94 Rb
2013 mv‡j 193 Rb (†g ch©š— 5 gv‡m)

2013 mv‡ji ïi“‡Z G‡m ivR‰bwZK `‡ji wgwQj mgv‡ek evbPv‡j mvDÛ †MÖ‡bW I M¨vm †MÖ‡b‡Wi wbqwgZ e¨envi j¶¨ Kiv hv‡”Q| hv cwi‡ek I Rb¯^v‡¯’¨i Rb¨ gvivZ¥K ¶wZKi e‡j Rvwb‡q‡Qb we‡klÁiv|

MYwcUywb‡Z wbnZ 638

eZ©gvb miKv‡ii 4 eQi 5 gv‡m mviv †`‡k MYwcUywb‡Z wbnZ nb 638 Rb| †m wn‡m‡e cÖwZ gv‡m MYwcUywb‡Z g„Zy¨ N‡U‡Q 12 e¨w³i| AvBb-k…·Ljv evwnbxi I wePvi e¨e¯’vi cÖwZ Av¯’vnxbZvi Kvi‡YB AvBb nv‡Z Zy‡j †bqvi cÖeYZv j¶¨Yxq|

MYwcUywb‡Z mvfv‡i 6 wek¦we`¨vjq wk¶v_©xi gg©vwš—K g„Zy¨i K_v ¯§iY K‡i GL‡bv AuvZ‡K I‡Vb A‡b‡K| GQvov AvBbk…·Ljv i¶vKvix evwnbx KZ©…K m‡›`nfvRb‡`i AvUK K‡i, cwi‡ek ˆZwi K‡i MYwcUywb w`‡q nZ¨vi g‡Zv RNb¨ NUbvI N‡U‡Q G mgq|

GKbR‡i MYwcUywb
2009 mv‡j 127 Rb|
2010 mv‡j 174 Rb|
2011 mv‡j 161 Rb|
2012 mv‡j 126 Rb|
2013 mv‡j 50 Rb (†g ch©š— 5 gv‡m)

Av‡jvwPZ wKQy nZ¨vKvÛ
Av‡jvwPZ nZ¨vKv‡Ði g‡a¨ i‡q‡Q-
mvMi-i“wb nZ¨v
XvKvq msm` feb GjvKvq hyejxM †bZv BeÖvnxg nZ¨v
hvÎvevox‡Z e¨emvqx `¤úwZmn wUÖcj gvW©vi
¸jkv‡b evmvq Xy‡K gv I †g‡q‡K ¸wj K‡i nZ¨v
gMevRv‡i hyejxM †bZv BDmyd Avjx mi`vi nZ¨v
wLjMuvI‡q cÖ‡KŠkjx nZ¨v
gnvLvjx‡Z Kg©Pvix †bZv wmwÏKyi ingvb nZ¨v
wLjMuvI‡q M…nea~ KwYKv nZ¨v
wgicy‡i B‡Wb K‡j‡Ri QvÎx †gbKv nZ¨v
¯^Y© e¨emvqx wgRvbyi ingvb nZ¨v|
Gme nZ¨v bMievmxi gv‡S e¨vcK PvÂj¨ m…wó K‡i|

17 mvsevw`K Lyb
AvIqvgx jx‡Mi †bZ…Z¡vaxb eZ©gvb ¶gZvmxb gnv‡RvU miKv‡ii kvmbvg‡ji 4 eQi 5 gv‡m 17 mvsevw`K Lyb n‡q‡Qb| Gmg‡q Avµg‡bi wkKvi n‡q‡Qb 1016 Rb| Gi g‡a¨ 675 Rb mvsevw`K AvnZ, 230 Rb jvwÃZ I 290 Rb ûgwKi m¤§yLxb n‡q‡Qb|
2012 mv‡j Lyb n‡q‡Qb 5 mvsevw`K
2012 mv‡j mviv‡`‡k wbnZ n‡q‡Qb 5 mvsevw`K| 12 †deª“qvwi 2012 ivRavbx‡Z wb‡Ri evmvq cwiKwíZ fv‡e Lyb nb gvQivOv †Uwjwfk‡bi evZ©v m¤úv`K mvMi mv‡ivqvi I Zvi ¯¿x GwUGb evsjvi wmwbqi wi‡cvU©vi †g‡ni“b i“wb|

G mg‡q †emiKvwi †Uwjwfkb P¨v‡bj GwUGb wbD‡R cÖPvwiZ Ômg‡qi fvebvÕ UK‡kvwU miKvwi Pv‡c eÜ K‡i †`qv n‡q‡Q e‡j Awf‡hvM D‡V‡Q|

3 Rvbyqvwi gnvbMixi wgicy‡i Aew¯’Z gwbcyi ¯‹y‡j Awbq‡gi Lei msMÖn Ki‡Z †M‡j ¶gZvmxb `‡ji ¯’vbxq msm` m`m¨ Kvgvj gRyg`vi AviwUwfi mvsevw`K Ac©Yv mvnvmn K‡qKRb‡K jvwÃZ K‡ib|

9 †g ˆ`wbK †fv‡ii Wv‡Ki wi‡cvU©vi Zywnb mvbwR`‡K a‡i wb‡q wM‡q wbg©g wbh©vZb K‡i i¨ve m`m¨iv|

26 †g ivRavbxi †k‡ievsjvbM‡i wk¶v_©x‡`i we‡¶v‡fi Qwe Zyj‡Z †M‡j cywj‡ki †eaoK wcUywbi wkKvi nb cÖ_g Av‡jvi 3 d‡Uv mvsevw`K|

29 †g Av`vjZ cÖv½‡b cywjk KZ©…K Zi“Yx wbh©vZ‡bi Lei msMÖn Ki‡Z wM‡q cywj‡ki wbh©vZ‡bi wkKvi nb 3 mvsevw`K|

GQvov msev` cÖKv‡ki Kvi‡Y miKv‡ii Av‡µv‡ki wkKvi n‡q Awd‡m GL‡bv Aei“× i‡q‡Qb ˆ`wbK Avgvi †`‡ki fvicÖvß m¤úv`K gvngy`yi ingvb|

2011 mv‡j Lyb n‡q‡Qb 4 mvsevw`K

2011 mv‡ji 28 Rvbyqvwi 77 bqvcë‡bi evmvq Lyb nb cÖexY mvsevw`K dinv` Luv (60) I Zvi ¯¿x iwngv Lvbg (55)| GB nZ¨vKv‡Ði GK eQ‡ii AwaK mgq cvi n‡jI GL‡bv wePvi ïi“ nqwb| GKB eQ‡ii 7 wW‡m¤^i MvBevÜvi †Mvwe›`MÄ Dc‡Rjvi KyKivBj GjvKvq Mjv †K‡U nZ¨v Kiv nq ˆ`wbK †fv‡ii Wv‡Ki †Mvwe›`MÄ †Rjv cÖwZwbwa dwi`yj Bmjvg iÄy‡K| 7 GwcÖj XvKvi DËiv I PÆMÖv‡gi †cvU©K‡jvwb‡Z Lyb n‡q‡Qb `yB mvsevw`K| 7 GwcÖj PÆMÖv‡gi †cvU©K‡jvwb GjvKvq ˆ`wbK AvR‡Ki cÖZ¨vkv, mvßvwnK msev`wPÎ I AvR‡Ki m~‡h©v`q cwÎKvi mvsevw`K gvneye UyUyj‡K nZ¨v Kiv n‡q‡Q| GKB w`b DËivi 4 b¤^i †m±‡ii 11 b¤^i mo‡K 10 b¤^i evmvi evwm›`v mvßvwnK eRÖK‡Éi mvsevw`K AvjZvd †nv‡m‡bi jvk D×vi Kiv nq| Gi 11 w`b Av‡M †_‡K wb‡LuvR wQ‡jb mvsevw`K AvjZvd|

2010 mv‡j 4 Rb mvsevw`K Lyb n‡q‡Qb
9 Ryb 2010 ¸ßnZ¨vi wkKvi nb †emiKvwi †Uwjwfkb P¨v‡bj GwUGb evsjvi wmwbqi K¨v‡givg¨vb kwdKyj Bmjvg UyUyj| hw`I cieZ©x mg‡q cywjk Rvwb‡q‡Q, wZwb wQbZvBKvix‡`i nv‡Z Lyb n‡q‡Qb| 2010 mv‡ji 28 GwcÖj Lyb nb wewkó mvsevw`K d‡Zn Imgvbx| mvßvwnK 2000-Gi wm‡jU cÖwZwbwa d‡Zn Imgvbx‡K IB eQi 18 GwcÖj Kyovj I ivg`v w`‡q Kywc‡q AvnZ Kivi ci wPwKrmvaxb Ae¯’vq XvKvq Zvi g„Zy¨ n‡q‡Q| 2010 mv‡ji 23 wW‡m¤^i cÖKvk¨ w`ev‡jv‡K Lyb nb ewikv‡ji gyjv`x †cÖmK¬v‡ei mfvcwZ gwbi †nv‡mb ivpx|

2009 mv‡j wbnZ n‡q‡Qb 4 Rb
†deª“qvwi gv‡m XvKvq GbwUwfi wfwWI GwWUi AvwZKyj Bmjvg AvwZK, RyjvB gv‡m XvKvi cvw¶K gy³g‡bi ÷vd wi‡cvU©vi byi“j Bmjvg Ii‡d ivbv, AvM÷ gv‡m MvRxcy‡i XvKvi mvßvwnK mv¤úÖwZK mgq-Gi wbe©vnx m¤úv`K GgGg Avnmvb nvwee evix, wW‡m¤^‡i iƒcM‡Ä ˆ`wbK BbwKjve msev``vZv I iƒcMÄ †cÖmK¬v‡ei mnmfvcwZ Aveyj nvmvb Avwmd Lyb nb|

GQvov miKv‡ii G mg‡q moK `~N©Ubvq Av‡iv cuvPRb mvsevw`K wbnZ n‡q‡Qb| 29 gvP© 2012 e…n¯úwZevi mܨvq XvKv wi‡RwÝ †nv‡U‡ji mßgZjvi GKwU K¶ †_‡K wgbvi gvngy‡`i g„Z‡`n D×vi Kiv nq|

সোমবার, ৩ জুন, ২০১৩


 সন্ত্রাস বিরোধী আইন (সংশোধন) বিল সংসদে 



সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) বিল-২০১৩’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বিলটিতে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ধ্বংসকে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। সোমবার  জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন-২০০৯’ এর সংশোধনে বিলটি উত্থাপন করা হয়। রাতে সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ।
বিলে জাতিসংঘের সমকালীন বিভিন্ন রেজুলেশন ও কনভেনশন এবং আন্ত:রাষ্ট্রীয় আলোচনার আলোকে আন্ত:রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসকে সজ্ঞায়ন ও আইনকে আরো যুগোপযোগী করা হয়েছে।


বলা হয়েছে, সমগ্র বাংলাদেশের পাশাপাশি বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে অবস্থানকারীর ক্ষেত্রেও এই আইন প্রযোজ্য হবে। বিলে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, “জাতিসংঘের সমকালীন বিভিন্ন রেজুলেশন ও কনভেনশন এবং আন্ত:রাষ্ট্রীয় আলোচনার আলোকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন অধিকতর সংশোধনের প্রয়োজনে বিলটি উত্থাপন করা হলো।
বিলে বিদ্যমান আইনের ধারা ১১’র পরিবর্তে অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা শাস্তির বিধান সম্বলিত নতুন ১১ ধারা প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিলে অপরাধ সংঘটনের সাহায্য ও সহায়তার অপরাধে শাস্তির সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিলে সন্ত্রাস কার্যে অর্থায়ন বিষয়ে তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে বা তফসিল হতে বাদ দিতে পারবে অথবা অন্য কোনভাবে তফসিল সংশোধন করতে পারবে।

বিলে বিদ্যমান আইনে ২০ক ধারার পরিবর্তে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ শীর্ষক নতুন ২০ক ধারা সন্নিবেশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তি রেকর্ড সম্পর্কিত বিশেষ বিধান, তদন্তকালীন সন্ত্রাসী সম্পত্তি জব্দ বা ক্রোকের বা বিশেষ বিধান এ বিলে সংযোজন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শনিবার, ১ জুন, ২০১৩

 সংলাপ হবে, হবে না!


একানব্বইয়ের নির্বাচনে জেতার পর খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী 'আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে' বলে মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন। বাবার কোলে শিশু নওশিন সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ার পর শোকাহত পিতাকে সান্ত্বনা জানাতে গিয়ে তিনি ওই উক্তি করেছিলেন। বেগম জিয়ার দ্বিতীয় মেয়াদের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের 'উই আর লুকিং ফর শত্রুজ'ও যথেষ্ট রসাত্দক উক্তি ছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গঠনের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রথমে পেয়েছিলেন সাহারা খাতুন। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার সময় ঘরে তালা লাগিয়ে যাওয়ার কথা বলে আলোচিত হয়েছিলেন। এরপর বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর রানা প্লাজা ধসের জন্য স্তম্ভ ধরে নাড়াচাড়া করাকে দায়ী করে কৌতুক-রসের জোগান দিয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলেই কি হাস্যকর কথা বলতে হবে? অবশ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আরও কোনো কোনো মন্ত্রী এমন সব কথা বলছেন, যা সরকারের জন্য প্রীতিকর হচ্ছে না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার কথা বলে আসছে। তবে হরতালসহ নানা কর্মসূচি পালন করেও সরকার পতনের আন্দোলন জোরদার করতে পারেনি বিএনপি এবং তার সঙ্গীরা। তবে বিএনপির আন্দোলন সহযোগী জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত তাদের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দণ্ড ঘোষণার পর সারা দেশে যে তাণ্ডব চালিয়েছে তাতে সরকার কিছুটা চাপের মধ্যেই পড়েছিল। জামায়াত-শিবিরের হামলা মোকাবিলায় সরকার যথেষ্ট সাফল্য দেখিয়েছে বলে মনে করা যায় না। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও দেশজুড়ে জীবন ও সম্পদের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা একেবারে কম নয়। একটি বিষয় লক্ষণীয়, বিরোধী দল আন্দোলন করে এ পর্যন্ত সরকারকে যতটা না বেকায়দায় ফেলতে সক্ষম হয়েছে, তারচেয়ে ঢের বেশি বেকায়দায় ও বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছেন কয়েকজন মন্ত্রী বিভিন্ন সময় আবোল-তাবোল কথা বলে। লাগামহীন বক্তব্য দেওয়া বা অতিকথন শুরু করেছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান। পরে এই তালিকায় নৌমন্ত্রী শাজাহান খানসহ আরও কয়েকজন যুক্ত হয়েছেন। সর্বশেষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। দেখা যাচ্ছে শেখ হাসিনার তিন খান_ ফারুক খান, শাজাহান খান, মহীউদ্দীন খান সরকারকে বিব্রত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। রাজধানীতে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ করতে না দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর সরকারকে বড় ধরনের বেকায়দায় ফেলেছেন। কেবল বিরোধী দল নয়, নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও কঠোর ভাষায় সরকারের এই অবস্থানের সমালোচনা করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সভা-সমাবেশ করা যে কোনো মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার কেড়ে নেওয়া তো রীতিমতো সংবিধান লঙ্ঘন করা। এটা গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধ করে কোনো মন্ত্রী কিংবা সরকারও পার পেতে পারে না।

একমাত্র জরুরি অবস্থা জারি হলেই এই অধিকার স্থগিত করা যায়। দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়নি, এটা আমরা সবাই জানি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যেসব দল অনুমতি নিয়ে সমাবেশ দুর্বৃত্তদের হাতে তুলে দেয় এবং জনসাধারণের ওপর অন্যায়-অত্যাচার ও জ্বালাও-পোড়াও করে তাদের আগামী এক মাস সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। এই এক মাসের সময়সীমা কবে থেকে শুরু হয়েছে এবং কবে শেষ হবে সেটা অবশ্য মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেননি। প্রশ্ন হচ্ছে, এক মাস পর এরা ভালো হয়ে যাবে, আর জ্বালাও-পোড়াও-ভাঙচুর করবে না_ এই গ্যারান্টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কে দিয়েছে? একই সঙ্গে জানতে ইচ্ছা করে এতবড় একটা সিদ্ধান্ত কি তিনি একাই নিয়েছেন? এ ব্যাপারে সরকারের নীতিনির্ধারকরা কি একমত পোষণ করেন? যদি আলাপ-আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে তাহলে এ নিয়ে একেক মন্ত্রী একেকরকম ব্যাখ্যা দিচ্ছেন কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেও এর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে তিন রকম বক্তব্য দিয়েছেন। যদি ধরে নেওয়া হয় 'জনগণের ওপর অন্যায়-অত্যাচার ও জ্বালাও-পোড়াও' করায় সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ হয়ে থাকে তাহলে প্রশ্ন আসে যারা এটা করছে তাদের ওপর শর্তসাপেক্ষে নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করে ঢালাওভাবে সবার ওপর এ ধরনের অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া কেন? একজন শান্তিভঙ্গ করেছে বা করবে_ এই আশঙ্কায় অন্যজনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার স্বেচ্ছাচারিতা কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না, মেনেও নেওয়া যায় না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় মহাসেনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে এক মাস সভা-সমাবেশ করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে দারুণ সাফাই ব্যাখ্যা দিয়েছেন সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক! কিন্তু তার এই ব্যাখ্যা দেশবাসীকে সন্তুষ্ট বা আশ্বস্ত কোনোটাই করতে পারেনি। বরং এসব হাস্যকর বক্তব্য সরকারের উদ্দেশ্যের সততাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল। আর ত্রাণকাজে সুবিধার জন্য ঢাকায় সভা-সমাবেশ করা যাবে না! ছেলে ভোলানো কথা বলে লোক হাসানোর পথ অবিলম্বে পরিহার করা উচিত। দেশের মানুষ এসব ছেলেমানুষি একেবারেই পছন্দ করে না।

এটা ঠিক, সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠানের নামে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মারাত্দক সব আইনবিরোধী ঘটনা ঘটেছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট হয়েছে। সাধারণ মানুষ অসহায় ও আতঙ্ক বোধ করেছে। বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির এবং হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ থেকে একাধিকবার বড় ধরনের হিংসাত্দক ঘটনা ঘটেছে। জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমনকি শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যদের ওপরও আক্রমণ করা হয়েছে। তাদের অস্ত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে, মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনো বিবেচনায়ই গণতন্ত্রসম্মত নয়। গণতন্ত্রের নামে এসব কার্যকলাপ চলতে পারে না। কোনো গণতান্ত্রিক দেশেই এসব অপরাধমূলক কাজ চলতে দেওয়া হয় না। সভা-সমাবেশ যাতে শান্তিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। বিএনপি-জামায়াত-শিবির কিংবা হেফাজতের সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হবে_ এই অঙ্গীকার করেই সমাবেশের অনুমতি নিয়ে তারা কথা রাখেনি, অঙ্গীকারের খেলাপ করেছে। যারা অঙ্গীকার খেলাপি তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কারও কিছু বলার থাকে না। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক মাস কাউকেই সমাবেশ করতে না দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাতে লাভ হয়েছে বিরোধী পক্ষের, ক্ষতি হয়েছে সরকারের। অন্যের যাত্রাভঙ্গ করে নিজের নাক কাটা একেই বলে!

হেফাজতের ঢাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে ৫ ও ৬ মে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যে ধ্বংসযজ্ঞ চলেছে, তাতে কেবল হেফাজত নয়, বিএনপি এবং জামায়াত-শিবিরও যথেষ্ট কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছিল। তাদের এ আচরণ কতটুকু গণতান্ত্রিক এবং এসব ধ্বংসাত্দক কর্মকাণ্ড অবাধে চলতে দেওয়া যায় কিনা, সে প্রশ্ন এখন মানুষের মনে প্রবল হয়ে উঠছে। তাদের নৈতিক অবস্থান যখন দুর্বল হয়ে পড়েছে তখনই যেন তাদের উদ্ধারে এগিয়ে এলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএনপি-জামায়াতের সমর্থন নিয়ে হেফাজতে ইসলাম দেশের ভেতর যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছিল, তা নিয়ে কথা না বলে এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তুঘলকি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই কথা বলছেন অনেকে। সাভারের রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ভবনের স্তম্ভ ধরে নাড়াচাড়া করায় ভবন ধসের একটি কারণ হতে পারে বলে বালখিল্য মন্তব্য করে হাসির পাত্র হয়েছিলেন। তার এই উদ্ভট তত্ত্ব অনেককেই ক্ষুব্ধ করেছিল। প্রশ্ন উঠেছিল তার বিচারবুদ্ধি নিয়েও।

ওই বক্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই এক মাসের জন্য ঢাকায় সভা-সমাবেশ করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তির ওপর যে কালিমা লেপন করলেন তা এক কথায় অমোচনীয়। সাহারা খাতুনকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে দায়িত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়তো আশা করেছিলেন একজন সাবেক আমলা এবং তার আগের আমলের প্রতিমন্ত্রী এবার পূর্ণমন্ত্রী হয়ে দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে সরকারের মেয়াদের শেষ দিনগুলো নির্বিঘ্ন করে তুলবেন। কিন্তু হায়। জিয়ার খাল কাটা বিপ্লবের সারথি কী শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি উজ্জ্বলে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারেন? ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের কারণেই শেষ সময়ে সরকারকে না জানি আরও কত হোঁচট খেতে হয়।

বর্তমান সময়টা সরকারের জন্য খুব সুবিধার নয়। সরকারের মেয়াদকাল শেষ হয়ে আসছে। আর মাত্র কয়েক মাস পরই সরকারকে ক্ষমতা ছেড়ে নতুন নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে। সেই নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে চরম বিরোধ চলছে। অনেকেই মনে করেন শেষ পর্যন্ত এই বিরোধের হয়তো সম্মানজনক নিষ্পত্তি হবে না। যদি তাই হয় তাহলে দেশে আদৌ নির্বাচন হবে কিনা সেটা প্রশ্ন হয়ে উঠছে। কেউ মনে করেন আওয়ামী লীগ বিএনপিকে নির্বাচনী দৌড় থেকে বাইরে রাখতে চায়। কারণ মানুষ নানা কারণে সরকারের প্রতি কিছুটা অসন্তুষ্ট আছে। ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে তারা সরকারের বিরুদ্ধেই রায় দিতে পারে। আবার এমন কথাও শোনা যায় পরিস্থিতি যাই হোক না কেন বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেবে। নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপির অস্তিত্বই সংকটের মুখে পড়বে। অন্যদিকে এমন মতও কেউ কেউ পোষণ করেন বিএনপি বর্তমানে যেভাবে জামায়াত ও হেফাজতের ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করছে সেটা দেশের অধিকাংশ মানুষই সহজভাবে মেনে নিতে পারছে না। সরকারের ভুল-ত্রুটি আছে। সে জন্য মানুষের মনে যেমন ক্ষোভ আছে, তেমনি বিরোধী দলের প্রতিও মানুষের পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন নেই। কাজেই পরবর্তী নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করবেই, এটা নিশ্চিত করে বলার মতো অবস্থা দেশে বিরাজ করছে না। সব মিলিয়ে রাজনীতিতে চলছে এক ধরনের রৌদ্র-মেঘের খেলা। একবার মনে হচ্ছে সরকার এবং বিরোধী দল পয়েন্ট অব নো রিটার্নে গিয়ে দেশকে চূড়ান্ত সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আবার মনে হচ্ছে সংলাপের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত বুঝি প্রধান দুই দল একটি সমঝোতায় পেঁৗছতে সক্ষম হবে। কেউ বলছেন, সংলাপ হবে এবং এটা হতেই হবে। আবার কেউ বলছেন সংলাপ হবে না। দুই দল যদি জয়ের লক্ষ্যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজয়কে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার মানসিকতা নিয়ে অগ্রসর হতো তাহলে সংলাপ সহজ হতো। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, দুই দলই জয় চাচ্ছে। অথচ নির্বাচনে একই সঙ্গে দুই দলের জয়লাভের কোনো সুযোগ নেই। দুই দলের মধ্যে যে স্নায়ুযুদ্ধ চলছে তার পরিণতি কোথায় গিয়ে শেষ হবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। সরকার যেমন খুব ভালো অবস্থানে নেই, তেমনি বিরোধী দল খুব ভালো আছে সেটাও বলা যাচ্ছে না। তাই একবার সংলাপ হবে বলে মনের মধ্যে আশা জাগছে আবার পরক্ষণেই সংলাপ হবে না বলে হতাশার অন্ধকার নেমে আসছে দেশবাসীর সামনে। এই আলো-আঁধারি থেকে সত্যি মুক্তি মিলবে কি?

শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৩

বর্তমান সংশোধিত সংবিধান রাজতন্ত্রের আভাস দিচ্ছে   



রাজনীতিতে সংকট দিন দিন প্রকট হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রতিনিয়ত উঠে আসছে নিত্যনতুন বিতর্ক। নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক না অন্তর্বর্তী সরকার- এ প্রশ্নে রাজনীতি উত্তপ্ত। আরও জটিল এক সাংবিধানিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বর্তমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হস্তান্তর ও মেয়াদ নিয়ে। এতে আছে সংসদ ভেঙে গেলেও প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে পরবর্তী কয়েক বছর বা ২০২১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। আশ্চর্য হলেও সত্য যে সংবিধানই তাকে এ ক্ষমতা দিয়েছে। সংবিধানের ৫৭(৩) অনুচ্ছেদ মতে, প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই ক্ষমতায় বহাল থাকবেন। পঞ্চদশ সংশোধনীর পর বর্তমান সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদ মতে- সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে 'মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাঙ্গিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে। তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ উক্ত দফায় উলি্লখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।' বর্তমান বিশ্বে এ ধরনের নির্বাচন পদ্ধতি একটি বিরল ঘটনা। কেননা এভাবে তিন মাস আগে নির্বাচিত নতুন এমপিরা আগের এমপিদের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। অর্থাৎ একই সময়ে একই আসনে দুজন এমপি থাকবেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচনের সময় এমনকি নির্বাচনের পরেও ডিসি, এসপি, ইউএনওরা এ সরকারের অধীনেই থাকবেন। প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বস্তরে বর্তমান সরকারের লোকজন দিয়েই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনেরও তাদের নির্দেশনার বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। তাই নির্বাচনের সময় বর্তমান সরকারের পক্ষপাত থাকবে অবশ্যম্ভাবী। অন্যদিকে অন্য কোনো দল নির্বাচনে জয়ী হলেও প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা না ছাড়লে করার কিছু থাকবে না, যদি না তিনি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হতে পারে, একদম ডিসিসি নির্বাচন স্থগিতের মতো একই ফর্মুলায় এগোচ্ছে সরকার। কেননা সংসদের বিভিন্ন আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আইনি বাহাস চলছে নির্বাচন কমিশনে। সরকারি দলের এমপিরাও মন্ত্রীদের দায়ী করছেন এই সীমানা নিয়ে। সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে তাকে কেন্দ্র করে কেউ সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলে জাতীয় নির্বাচনের তফসিলও হয়তো ডিসিসি নির্বাচনের মতো আটকে যেতে পারে। এ জটিলতার কারণে নির্বাচনের ওপর আদালতের স্থিতাবস্থা আসতে পারে। আগামী বছরের জানুয়ারিতে সংসদের মেয়াদ শেষ হলে সংসদ সদস্যরা না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী যেহেতু থাকবেন, তাই তিনি ওই সময়ে ১০-১৫ জন অনির্বাচিত উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবেন অনায়াসে। এভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আগামী কয়েক বছর বা ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালতের শরণাপন্ন হলে 'ডকট্রিন অব নেসেসিটি' হিসেবে তা আদালতের বৈধতা পেতে পারে। কেননা তিন মাসের জন্য সাংবিধানিক মেয়াদ নির্ধারণ করা বিগত ওয়ান-ইলেভেনের সরকারও সেভাবেই বৈধতা পেয়েছে।

যেহেতু আমাদের বর্তমান সংবিধানের কোথাও তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বলা নেই, তাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো কারণে সংলাপ বা গ্রহণযোগ্য কোনো সমঝোতা না হলে নিশ্চিতভাবেই সরকারকে সাংবিধানিক পদ্ধতিতে যেতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংঘাত-হানাহানিতে না গিয়ে সরকার সংবিধানের বিদ্যমান এ বিধানের সুযোগটি নিতে চাইতে পারবে। কেননা ১৯৭৫ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীতে কোনো ধরনের নির্বাচন ছাড়াই ওই সময়ের সব সংসদ সদস্যকে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে কোনো ধরনের নির্বাচন ছাড়াই আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপতি করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। সবই তখন করা হয় সংবিধান সংশোধন করেই। তাই অযথা নির্বাচন না করে বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকার বিধান যখন পঞ্চদশ সংশোধনীতে করা আছে, তখন সরকার কেনই বা নির্বাচন দিতে যাবে? বর্তমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকার বিধান তো রয়েছেই। তাই ডিসিসির মতো একই ফর্মুলায় সীমানা নির্ধারণসহ যে কোনো আইনি জটিলতার অজুহাতে যদি জাতীয় নির্বাচনও বছরের পর বছর ঝুলে থাকে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে ২০১৩-এর বাস্তবতায় এটা কতটুকু সম্ভব তা আগামী দিনগুলোই নির্ধারণ করবে।

ডক্টর তুহিন মালিক : সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৩


Archive for the ‘Lady Hitler’ Category 


Is Bangladesh In Grip of Conspiracy Too?


A new ‘Genocide’ and the evolution of a ‘Lady Hitler” in Bangladesh”, screamed a message on a yahoo group. I was aware that a tribunal was deciding cases of heinous crimes committed by Bangladeshi Islamist, who had collaborated with Pakistani army in the then East Pakistan’s 1971 struggle for independence. As  death sentences began to be awarded to prominent leaders of *Jamaat-e-Islami*, the party followers started protesting violently. 28 February saw violent clashes that had claimed some 70 lives. I gathered this would be the context in which  above headline had been situated. Usually I would ignore such sensationalism  putting it down as sheer nonsense and waste of time. The link provided though made me sit up and take note. It came from one of the peddlers of “official” news,CNN.com. I decided to follow the link, and was encountered by this photo.
The pages announces “CNN iREPORT”. The author is identified as Pathik Rasel. He says, “On the night of 6th May 2013, the allied government forces attacked the sleeping protesters who earlier gathered around the Shapla Chattar… Hours before the attack, the electricity supply was cut down, and the media men were removed. The allied forces comprising of the Police, RAB and BGB attacked on the innocent civilians… There were indiscriminate shooting killing more than a thousand lives, as the eye witnesses assume. Many have sees dozens of trucks of dead bodies being carried away by the government forces in order to dispose of them!“. Many links are given at the bottom of Rasel’s post to buttress his “account”. One of the links takes to a Face Book page that has gruesome photographs of bloody deaths. Another link takes to Asian Human Rights Commission (AHRC). Going by the name and general look, it appears to be a respectable and responsible organization/ site. While admitting that the extent of the injuries and death is “difficult to be ascertained” at the moment, it had the gall to add, “The Daily Star, a Bangladeshi newspaper, gave the figure of deaths as 5.However, several internet reports have mentioned that the number of deaths could be as high as 2,500 or more“. Pathik Rasel’s CNN iREOPRT figure of “more than a thousand lives”, has ballooned to “as high as 2,500 or more” in AHRC account. Former cites loopy “eye witnesses assume” to latter’s “several internet reports”. Both are equally vague as to the source.  AHRC also reports that ” Pictures of dead bodies have also been distributed over the internet”. This is true. Google image search or Tin eye  image search (of these images) threw up links mostly to Face Book or Twicsy.Com sites, and it was largely the “endeavour” of “interested” “individuals.  However, I admit I could not find any evidence that photos have been morphed or are of some totally unrelated events, like it happened when rape and death of a 11 year Chakma tribe girl in Bangladesh was passed of as an atrocity on Rohingya Muslim in Myanmar, or scores of Tsunami victims in Indonesia were again passed off as killings in Myanmar and North East India. The highly inflammatory and dangerous campaign by “vested interests” propagated through social media succeeded  last August in triggering spate of attacks in Pune, Bangalore, Chennai, Mumbai on Indians from North East, and a Muslim rally organised in Mumbai on 11 August turned violent after provocative speeches were made from the dais. (For more read herehere, and here).
Rasel goes on to enlist the support of “celebrated” CNN reporter, Christiane Amanpour, “Bangladesh government has stopped and restricted many international news media organizations from reporting from the ground in Bangladesh, as Christiane Amanpourconfirmed this during a recent interview of the Bangladesh Prime Minister Hasina with her. Hasina, being outrageous, denied the claims in a very rude and harsh manner“. I saw the video. Hasina is neither “very rude” or “harsh mannered”, though she does reply like any seasoned and evasive politician that she is. Mischievous embedding of this video is totally out of context. CNN it seems was denied access or was being offered highly conditional and controlled access, but that was in the wake of extremely tragic man-made tragedy of building collapse in which death toll has hit the 1000 mark. See the Amanpour interview below.
When one checks out links provided to mainstream media sites, who wouldn’t like to be caught relying on totally unconfirmed and exaggerated reports; no corroboration of the “feverish”writing of Rasel or “careless” reporting of AHRC is found. But before we do that a report from a Bangla Paper- Dinkal24: “Having no option they fired tear shells and rubber bullets targeting Hifazat men from the side of Notre Dam College in Motijheel. Simultaneous attacks were launched from the Dainik Bangla intersection at around the same time… Hefajat-e-Islam Bangladesh ameer Allama Shah Ahmed Shafi on Sunday said their peaceful sit-in at the capital’s Shapla Chattar will continue until the 13-point demand is met.In a press statement, Shafi also urged the government to accept their 13-point demand without creating any confrontational situation. The statement claimed that three Hefajat activists were killed and over 300 injured in the brutal attacks by police and ruling parry cadres on their way to join the Shapla Chattar rally after peacefully observing their Dhaka siege programme“. If anyone feels that Dinkal24 is a flunkey of the government, then same paper has published most of the photographs that are doing the “rounds” on social networking sites.
Al Jazeera “Bangladesh clashes rage over blasphemy law“: “As violence moves beyond the Bangladesh capital the man at the head of the group that instigated the fatal protests was driven out of Dhaka under police escort. Allama Shah Ahmad Shafi was taken out of the Hifazat-e-Islam headquarters in Dhaka on Monday before being put on a plane to the second city Chittagong… Security forces got involved after what began as a scheduled demonstration exceeded its time limit and turned violent. Demonstrators attacked the headquarters of the ruling Awami League party, set fire to more than 100 shops and at least 50 parked cars, and vandalised many other buildings. Supporters of Hifazat-e-Islam group carried sticks and had blocked major entry points to the city, sealing off the capital. The security forces fired numerous rubber bullets and teargas when they launched the eviction drive“.
The Economist “Violence on the streets“: “THE ARMY was still counting the dead from Bangladesh’s biggest industrial disaster, when a massacre of hardline Islamic demonstrators unfolded in the early hours of May 6th. It took place in the commercial district of Dhaka, Bangladesh’s capital. At least 37 were killed and hundreds more injured in clashes between security forces and members of an extreme Islamic group, Hefajat-e-Islam. The final death toll is likely to be higher. Prothom Alo, a Bengali-language newspaper, suggested 49 had died, mostly outside of the capital. Security men were also killed, but most victims in Dhaka were from among the tens of thousands of demonstrators who had been ordered to leave the city in the middle of the night. These killings come barely two months after another massacre. At least 67 died in violent clashes after a war-crimes court, on February 28th, convicted a leader of Bangladesh’s biggest Islamist party of murder, abduction, rape, torture and persecution during the independence war of 1971. So far this year at least 150 people have died in clashes between hardline Islamists and the police“.
Now, how do these “stories” square off with the writings of Pathik Rasel? One has to take note that mainstream media is slow and conservative in reporting death toll in tragedies and in government’s massacres. But it wouldn’t dare to hide if 2500 or 1000 civilians had been killed in single night. 
Those of you who gave a hard look to the photo at the beginning or enlarged it by clicking on it, would have seen in top left hand corner, “NOT VETTED BY CNN”, and in bottom left hand corner the legend, “facebook.com/ProBangladeshis”. The Free dictionary gives following meanings for “to vet”: “checkexamineinvestigatecheck outreview,scanlook overappraisescrutinizesize up“. If CNN did not do any of these things, then why the hell did it put up such likely incendiary post on its website? The post controversially claims twice that “on the night of the 6th May 2013, more than thousands of people were killed according to the innumerous(sic)eye witnesses“, and then compares it with “the dark night of the 25th March 1971, when the Pakistani Army killed hundreds of innocent freedom-thirsty Bangladeshi (then East Pakistani) civilians“. Most people don’t even read news item till the end, forget checking out the “links”. For such unwary and unsuspecting readers, the CNN stamp is like a gospel truth. Was CNN careless? Or is there a deeper conspiracy to destabilise South Asia, India? Don’t believe such “crap”?, then what do you make of this: “how the government supporters attended the protest earlier in disguise of Hefazat-i-Islam activist, and assisted the ‘Hindi speaking’ armed forces in the mass killing! How free are we in Bangladesh?! How would the ‘Hindi’ speaking armed forces carry out killing spree in a free state? We want Hasina to answer these!“.  Can anyone explain what “Hindi speaking armed forces” means? If that is not enough, then why are “Whites” having names like Morris are recycling such stories? In his video, he approvingly shows what Muslim Brotherhood as to say.
Is it a conspiracy of “Islamist” alone, or are they working in cahoots with “superior” powers? If Prime Minister Hasina’s government, even if “secular”, has used excessive force, killed unarmed civilians protesting peacefully or simply sleeping in public place, has acted with malice in partisan manner, then it should be held accountable and full force of law should apply. Until then, it won’t do to rumour-monger, but to wait for true facts to emerge.


জিয়া উর রহমান এর   কিছু কীর্তিমালা


১. আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ফেলে ইন্দিরার কাছ থেকে বছরে ৪০০০০ কিউসেক পানি আদায় করে নিয়েছিলেন সোজা মেরুদন্ডের এই যোদ্ধা......
২. বাংলাদেশ মহিলা পুলিশ জিয়াউর রহমানই প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৭৬ সালের ৮ ই মার্চ ।
৩. মাদ্রাসার সিলেবাসে সায়েন্স , ইংরেজী , সমাজবিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন.......
৪. মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম বাজারের ENTRY CHANNEL টিও খুড়ে দিয়ে গেছেন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৬ এ প্রথম জিয়াউর রহমান ৬০০০ শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাঠান। সেই ৬০০০ হাজার আজ ৭০০০০০০০ !
৫. আজ মুক্তাঙ্গনে রাজনৈতিক সমাবেশ হয়, সেই মুক্তাঙ্গনও জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবার জন্য।
৬. বিটিভির কালার ট্রান্সমিশন জিয়াউর রহমান চালু করেন যখন ভারতেও রঙীন সম্প্রচার শুরু হয়নি.....
৭. বিখ্যাত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান " যদি কিছু মনে না করেন " নির্মাতা ফজলে লোহানী কে লন্ডন থেকে দেশের মাটিতে নিয়ে আসেন জিয়াউর রহমান
৮. বিটিভির ২য় চ্যানেল চালু করেছিলেন জিয়া যা এরশাদ বন্ধ করে দিয়েছিলো....
৯. জিয়াউর রহমানের সরাসরি নির্দেশে নতুন কুড়ি , স্কুল বিতর্ক অনুষ্ঠান গুলো চালু হয় বিটিভিতে.....
১০. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একাংশে শাহবাগের জাতীয় শিশুপার্কটি জিয়াউর রহমান করে গেছেন.....
১১. জাতীয় শিশু পুরস্কার , জাতীয় টেলিভিশন পুরস্কার , স্বাধীনতা পুরস্কার , একুশে পদক এগুলো জিয়াউর রহমান চালু করেছেন......
১২. ১৯৭৯ 'র আগ পর্যন্ত একুশের বই মেলা ছিলো গাছতলার ছন্নছাড়া মেলা। জিয়াউর রহমানই বইমেলাকে বাংলা একাডেমীর দায়িত্বে নিয়ে আসেন ১৯৭৯ তে। সে বছর থেকেই একুশের বই মেলা রাষ্ট্রীয় ভাবে পালিত হচ্ছে......
১৩. এফডিসির জন্যও জিয়াউর রহমান গাজীপুরে জমি বরাদ্দ করে গেছেন .....
১৪. রাষ্ট্রীয় অনুদানে সুস্থ চলচ্চিত্র নির্মান করার বিষয়টা জিয়াউর রহমানই চালু করেছেন....
১৫. বাকশালে চাকরী চ্যুত সাংবাদিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করার জন্য রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন "দৈনিক বার্তা" যেখানে চাকরী করেছেন কামাল লোহানীও
১৬. জাতীয় সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ১ম বারের মত নারী আসন বাড়ানো
১৭. ২৭৫০০ পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ করে গ্রামীণ জনগণের চিকিৎসার সুযোগ বৃদ্ধিকরণ
১৮. কলকারখানায় ৩ শিফট চালু করে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি
১৯. যুব উন্নয়ন মন্ত্রাণালয় ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুব ও নারী সমাজকে সম্পৃক্তকরণ
২০. ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রতিষ্টা করে সকল মানুষের স্ব স্ব ধর্ম পালনের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিকরণ
২১. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন
২২. তৃণমূল পর্যায়ে গ্রামের জনগণকে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করণ এবং সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে দেশ গড়ার কাজে নেতৃত্ব সৃষ্টি করার লক্ষ্যে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
২৩. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আসনলাভ
সর্বশেষ
এভাবেই
৭১'র মেজর জিয়া ,
৭৬'র জেনারেল জিয়া ,
৭৮'র প্রেসিডেন্ট জিয়া কোমায় যাওয়া মাতৃভূমিকে সুস্থ সবল করেছেন ।
১৯৮১ 'র ৩০ মে এই ক্ষনজন্মা রাষ্ট্রনায়কের মৃত্যুতে বিশ্বের ইতিহাসে বৃহত্তম শবযাত্রা হয়েছিলো ...... শুধু ঢাকার রাস্তায় ঢল নেমেছিলো ৩০ লাখ মানুষের.......

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩

পারমানবিক বিদ্যুৎ  ও  বাংলাদেশ   


পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তাও আবার আমাদের দেশে!! অনেকটা স্বপ্ন এর মত তাই নয় কি? বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দেশগুলোর অহংকার এসব পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো। গত ২রা নভেম্বর ২০১১ তারিখে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্য পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রি ইয়াফেস ওসমান ও রাশিয়ার পক্ষে রাশিয়ার আণবিক শক্তি সংস্থা (ROSATAM) এর মহাপরিচালক সের্গেই কিরিয়েস্কো স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার ROSATAM বাংলাদেশের ঈশ্বরদীর রূপপুরে ১০০০ মেগাওয়াটের তাদেররই অর্থায়নে অর্থ্যাৎ ঋণ সুবিধার মাধ্যমে ২টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে দিবে। যার কাজ ২০১৪ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সাল নাগাদ শেষ হবার কথা রয়েছে এবং ২০১৮ সালেই অন্তত ১টি পারমাণবিক কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে বাংলাদেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াট যা ২০১৮ সাল নাগাদ ২০০০ মেগাওয়াটে গিয়ে পৌছাবে,যার পুরো চাহিদাই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দিয়ে মেটানো সম্ভব । এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের ব্যয় হিসাবে ধরা হয়েছে ১.৫ – ২.০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার! এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সচল রাখতে প্রয়োজন হবে আড়াই থেকে তিন হাজার সুদক্ষ জনশক্তি ।
আমি এখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কি, কিভাবে এর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয়, পরিচালনা, নিরাপত্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সুবিধা – অসুবিধা ,ঝুঁকি সহ আমাদের দেশে এই প্রযুক্তি পরিচালনার প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করব।