Hazrat Umar (ra.): Biography

Islamic Women

economics লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
economics লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৩

কাদিয়ানীদের পরিচয়  


কাদিয়ানীরা আগে ব্রিটিশ এজেন্ট মির্জা গোলাম আহ্‌মদ কে নবী হিসেবে মানত। সম্প্রতি তারা এখন একে ইমাম মাহাদি আলাইহিস সালাম বানিয়ে ইন্টারনেটে প্রচার করছে।  

 এদের কিছু ভন্ডামির কথা শুনুন  

ইসলামের নব জীবন ও এর বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুত বিজয়ের লক্ষ্যে একটি মহান ধর্মীয় ও সামাজিক আন্দোলনের নাম আহ্‌মদীয়াত। এটা কোন নতুন ধর্ম নয়। ইসলামেরই অপর নাম আহ্‌মদীয়াত। রাজনীতির সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। কোন রাষ্ট্র বা রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এর সৃষ্টি হয়নি বা কোন রাজনৈতিক লক্ষ্য দৃষ্টিপটে রেখে এর জন্মও হয়নি। কেবল মাত্র আল্লাহ্‌ তা’আলার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবং তাঁর সম্মতি ও সমর্থন আর পৃষ্ঠপোষকতায় এ জামা'ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামের কলেমাই এর কলেমা। কলেমা “লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্‌”- এর ধারক ও বাহক হলেন এ জামাতের সদস্যরা। এরা আহ্‌মদী মুসলিম নামে পরিচিত। আহ্‌মদীরা সেই এক অদ্বিতীয় আল্লাহ্‌তে বিশ্বাসী যিনি সকল সুন্দর সুন্দর নামের অধিকারী। কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের হেদায়াত ও পথ প্রদর্শনের জন্য তিনি শেষ শরীয়ত গ্রন্থ কুরআন শরীফ পাঠিয়েছেন। এর ধারক ও বাহক হলেন খাতামান্নাবীঈন হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম। তিনি সমগ্র মানব মন্ডলীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ শরীয়তধারী নবী। কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর মত আর কোন নবী আবির্ভূত হবেন না। তবে তাঁর পূর্ণ আনুগত্য ও অনুবর্তিতায় এবং তাঁর (সাঃ) মাঝে পূর্ণ বিলীন হয়ে কেউ নেয়ামত প্রাপ্ত হয়ে উম্মতী নবী হিসাবেও আখ্যায়িত হতে পারেন। (সূরা নিসাঃ ৭০)
রাসুলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম বলেছিলেনঃ
আখেরিনদের যুগের মুসলমান ইসলামকে বিকৃত করে দিবে আর নিজেদের মনগড়া ধর্ম বিশ্বাস ও কার্য-কলাপকে ইসলামের নামে চালাতে থাকবে। এ সময়ে পরম করুণাময় আল্লাহ্‌ তা’আলা নবীর (সাঃ) শ্রেষ্ঠ উম্মতকে নিঃসহায় অবস্থায় পরিত্যাগ করবেন না। বরং তাদের মাঝে ঐক্য সৃষ্টি ও তাদের সংশোধনের জন্য হযরত ইমাম মাহ্‌দী ও মসীহ্‌ মাওউদ (আঃ)-কে পাঠাবেন। তিনি ধর্মকে সঞ্জীবিত করবেন এবং শরীয়তকে প্রতিষ্ঠিত করবেন। সেই নামের মুসলমানকে কাজের মুসলমান বানিয়ে দেবেন আর এ আধ্যাত্মিক বিপ্লব ও আন্তর্জাতিক প্রচারের মাধ্যমে ইসলাম সারা বিশ্বে বিজয় লাভ করবে।
ভারতবর্ষে পাঞ্জাব প্রদেশের গুরুদাসপুর জেলার কাদিয়ান গ্রামে হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ আলায়হেস সাল্‌লাম আল্লাহ্‌তাআলার আদেশে ইমাম মাহ্‌দী ও প্রতিশ্রুত মসীহ্‌ দাবী করেন। বিশেষ করে সমস্ত মুসলিম উম্মতকে এবং সাধারণভাবে সারা মানব মন্ডলীকে একই কলেমা,“লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ”এর পতাকাতলে সমবেত করার লক্ষ্যে তিনি ১৮৮৯ সনে এ জামাতের প্রবর্তন করেন ঐশী নির্দেশনায়। হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা আহ্‌মদ মুজতাবা সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের জামালী অর্থাৎ সৌন্দর্য বিকাশক ‘আহ্‌মদ’ নাম অনুযায়ী ১৯০১ সনে তিনি (আঃ), এর নাম রাখেন ‘মুসলিম ফিরকা আহ্‌মদীয়া’। বিরুদ্ধবাদীরা এর অন্যান্য নাম দেয়। কেউ কেউ আপত্তি করে থাকেন যে, হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আঃ) এর নামানুযায়ী এ জামাতের নাম আহ্‌মদীয়া জামা'ত রাখা হয়েছে। এটা ঠিক নয়। শেষ যুগে হেদায়াত প্রাপ্ত জামাতের নাম যে আহ্‌মদীয়া জামা'ত হবে তা ইসলামের অনেক বুযুর্গ ঐশী ইঙ্গিতে তাদের পুস্তকে লিখে গেছেন। (যেমন হযরত মুজাদ্দিদ আলফে সানী (রহঃ) লিখিত মাবদা ওয়া মা’আদ পুস্তক ৫৮ পৃষ্ঠা এবং হযরত মুল্লা আলী আল্‌ কারী (রহঃ) লিখিত মেশ্‌কাতের শরাহ্‌ মিরকাত প্রথম খন্ড, ২৪৬ পৃষ্ঠা)। নবী করীম (সাঃ) এর বক্তব্য ‘ওয়া হিয়াল জামা'ত’ অনুযায়ী তা হবে একটি জামা'ত। আহ্‌মদী জামা'তই প্রকৃত পক্ষে সেই জামা'ত, আহ্‌মাদীয়াত ই সেই মহান আধ্যাত্মিক বিপ্লব। আহ্‌মদীয়া জামাতের প্রতিষ্ঠাতা সারা জীবন আরবী, ঊর্দূ ও ফার্সী ভাষায় ইসলাম ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)- এর সত্যতা ও মাহাত্ম্য প্রভৃতি বিষয়ে বহু পুস্তক-পুস্তিকা লিখে সারা বিশ্বে এ আধ্যাত্মিক বিপ্লবের সূচনা করে গেছেন। ১৯০৮ সনে তাঁর (আঃ) ইন্তেকালের পরে প্রতিশ্রুত ঐশী খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়।
এখন এ খেলাফতের পঞ্চম পর্যায় চলছে। প্রত্যেক খলীফার যুগেই আহ্‌মাদীয়াত আল্লাহ্‌র ফযলে আশ্চর্য ধরনের অগ্রগতিসাধন করেছে। বর্তমানে এ জামা'ত বিশ্বের প্রায় ১৮৯ টি দেশে স্থানীয় পর্যায়ে হাজার হাজার কেন্দ্র, হাজার হাজার মসজিদ ও মিশন প্রতিষ্ঠা করেছে। পৃথিবীর ৬৫ টির অধিক ভাষায় পবিত্র কুরআনের তরজমা তফসীর, ১২০ টির অধিক ভাষায় পবিত্র কুরআন, হাদীস ও মসীহ্‌ মাওউদ (আঃ)-এর কালামের নির্বাচিত অংশসমুহের অনুবাদ এবং বিভিন্ন ইসলামী সাহিত্যের প্রচুর সমাবেশ ঘটিয়ে সারা বিশ্বে একটি নব জাগরণ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে মুসলিম টেলিভিশন আহ্‌মদীয়া ইন্টারন্যাশনাল (এম.টি.এ)-এর মাধ্যমে দিনরাত্র ইসলামের প্রচারের এক নব-দিগন্তের উন্মোচন করেছে আহ্‌মদীয়া জামা'ত। ইসলামের সৌন্দর্যপুর্ণ শিক্ষার বিস্তৃতিদান কার্যক্রমের অংশ হিসাবে পশ্চাৎপদ মানবগোষ্ঠীতে বিশেষতঃ আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশে স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং সেবামুলক কাজে বহু হাসপাতাল, ক্লিনিক ইত্যাদি নির্মাণ করে চলেছে এই জামা'ত।
আহ্‌মদীয়াত এরূপ এক বৃক্ষ, যাতে সদা বসন্ত বিরাজমান। এটা সেই বৃক্ষ, যাকে প্রকৃত মালিক খোদা তা’আলা নিজ হাতে রোপন করেছেন। এর ফল-ফলাদি সুমিষ্ট ও বিশ্বজনীন। এটা ইসলামের নবজীবন দানকারী বৃক্ষ। যে একে কাটতে চায় সে নিজেই কাটা পড়ে। যে এর ক্ষতি করার চেষ্টা করে সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিফল ও অকৃতকার্য হয়ে যায়। এটা সেই পবিত্র বৃক্ষ, যার মালী স্বয়ং খোদা।
আহ্‌মদীয়াতের প্রকৃত রূপ বুঝতে হলে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারনা করা প্রয়োজন। তা হলো, ইসলামের খোদা এক জীবিত ও চিরঞ্জীব-চিরস্থায়ী খোদা। তাঁর সত্তার অন্যতম প্রমাণ হলো, তিনি তাঁর বান্দাদের দোয়া শুনে থাকেন এবং জবাব দেন। আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেন,
উদউনী আস্তাজিব্লাকুম
অর্থাৎ হে আমার বান্দারা, তোমরা আমাকে ডেকো, আমি তোমাদের দোয়া শুনবো। (সূরা মু’মিননঃ ৬১)
কিন্তু পরিতাপের সাথে বলতে হয় যখন এ আখেরী যুগে মুসলমানদের মাঝে ���র্ম-বিশ্বাস ও আমলের দুর্বলতা দেখা দিল, তখন তারা এসব সুন্দর শিক্ষাকে পুরোপুরি ভুলে বসলো। দোয়ার জবাবদানকারী জীবিত খোদার ওপর থেকে তাদের বিশ্বাস উঠে গেল। তারা আল্লাহ্‌র সাক্ষাৎ এবং ওহী ইলহামের অস্বীকারকারী হয়ে গেল। তারা খোদাকে এক নিছক দর্শনে ও কেচ্ছা-কাহিনীতে পরিণত করলো।
এ চুড়ান্ত অন্ধকার ও নৈরাশ্যের জগতে কাদিয়ানের অজ্ঞাত-অখ্যাত পল্লী থেকে ইমাম মাহ্‌দী ও প্রতিশ্রুত মসীহ্‌ হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আঃ) কর্তৃক তৌহীদের ধ্বনি অতি প্রতাপের সা����� উচ্চারিত হলোঃ
“সেই খোদা এখনো যাকে চান কলীমে পরিণত করেন। তিনি এখনো তার সাথে কথা বলেন যাকে তিনি ভালবাসেন।”
হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ কাদিয়ানী (আঃ) হতোদ্যম মুসলমানদেরকে এ মহা সুসংবাদ শোনালেন,
“আমাদের খোদা এক জীবিত খোদা।”
তিনি আরো বলেন,
“জীবিত ধর্ম তা-ই যার মাধ্যমে জীবিত খোদা লাভ হয়। জীবিত খোদা তিনিই, যিনি মাধ্যম ছাড়াই আমাদের ইলহাম প্রাপ্ত করতে পারেন।”
আহ্‌মদীয়াত এ শেষ যুগে পৃথিবীকে যে ইসলামী সমাজ দান করেছে, এটা আসলে এ আন্তর্জাতিক বিপ্লবের সূচনালগ্ন। এর কল্যাণে বিশ্ব বর্তমান শতকে ইনশাআল্লাহ্‌ এক আধ্যাত্মিক দৃশ্য দেখবে। নতুন বিশ্ব হবে আর নতুন আকাশ এবং সারা বিশ্ব ইসলামের সূর্য রশ্মিতে আলোকনন্দিত হবে। কেননা সেদিন বেশী দূরে নয় যেদিন আহ্‌মদী জামাতের সকল প্রচার ও প্রকাশনার মাধ্যমে ইসলাম তথা আহ্‌মদীয়াত বিশ্বের সমস্ত দেশ ও জাতিকে নিজের মাঝে আত্মস্থ করে নিবে। সেদিন সারা বিশ্বে এক লা-শরীক খোদার ইবাদত প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সারা বিশ্বের একজনই নেতা হবেন হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম, আর একটিই ধর্ম হবে ইসলাম, যার অন্য নাম আহ্‌মদীয়াত। 

আহমাদিয়া জামাত সকল নির্ভর যোগ্য আলেম দ্বারা কাফের স্বীকৃত 

এটা হল তাদের ওয়েবসাইটঃ http://www.ahmadiyyabangla.org/

এদের থেকে নিজে সাবধান হোন এবং শেয়ার করে অন্যকে সাবধান করুন!!!


ইন্টারনেটে প্রয়োজনীয় কিছু ইসলামিক ওয়েবসাইটঃ
1. http://www.madina24.com/
2. http://sunnism.wordpress.com/
3. http://www.ahlus-sunna.com/
4. http://sunniforum.net/showthread.php?t=11339
5. http://salafiaqeedah.blogspot.com/
6. http://thewahhabithreat.com/

শনিবার, ১১ মে, ২০১৩

ফ্রিল্যান্সিং : শীর্ষ ৫ কাজ  

 

বর্তমানে দেশের প্রায় দুই লাখ তরুণ ফ্রিল্যান্সিংয়ে জড়িত। জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নানা ধরনের কাজ রয়েছে। এখান থেকে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করে অর্থ আয় করছেন ফ্রিল্যান্সাররা। ফ্রিল্যান্সিংয়ের এমনই জনপ্রিয় ৫ কাজ নিয়ে লিখেছেন 
তুহিন মাহমুদ


ওয়েব ডেভেলপমেন্ট : প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার এই সময়ে বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ব্যক্তিগত ও সামাজিক ক্ষেত্রে প্রায় সবাই ক্রমেই ইন্টারনেটের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। ওয়েব দুনিয়ায় বর্তমানে মোট ওয়েবসাইটের সংখ্যা প্রায় ৬৫ কোটি। প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে হাজারো ওয়েবসাইট। এই বিপুলসংখ্যক ওয়েবসাইটকে তৈরির জন্য ডিজাইনের পাশাপাশি প্রয়োজন ওয়েব ডেভেলপমেন্টের চাহিদা। ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্সসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেট প্লেসগুলোতে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ও নির্ভরযোগ্য কাজ হলো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওডেস্কে প্রায় সব সময়ই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যাটাগরিতে ১০ হাজারের অধিক জব থাকে। ইল্যান্সের প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজই ওয়েব ডেভেলপমেন্টের। প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে শত শত কাজ। ওডেস্কে প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ ডলারের বেশি রেটে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করছেন এমন অনেকেই রয়েছেন। তবে এই আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে নিজেকে কতটা স্কিল করতে পারছেন তার ওপর। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে অবশ্যই এইচটিএমএল, সিএসএস, পিএইচপি, জাভা স্কিপ্ট, জেকোয়ারি, মাইএসকিউএলসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ভালোভাবে জানতে হবে। এই বিষয়গুলো ভালোভাবে শিখে বিলিয়ন ডলারের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের বাজারে যে কেউ প্রবেশ করতে পারে।
ওয়েব ও গ্রাফিক্স ডিজাইন :আঁকাআঁকিতে ঝোঁক থাকলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে পারে প্রথম পছন্দ। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজের মতে, একজন ডিজাইনার প্রতি বছর গ্রাফিক্স ডিজাইন বা এ সম্পর্কিত চাকরি বা কাজ করে এক লাখ ডলার সেই হিসাবে বাংলাদেশে প্রায় ৮০ লাখ টাকা আয় করতে পারেন। অনলাইন মার্কেট প্লেসে একটি লোগো ডিজাইন করলে ৫ থেকে শুরু করে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। তবে দক্ষতার ক্ষেত্রেও বেশি ক্রিয়েটিভ কাজ হলে এটি ৫ হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে। এ ছাড়া একটি ওয়েবসাইটটের ফাস্ট পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। ৯৯ ডিজাইন্স ডটকম, ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্কসহ অনেক অনলাইন মার্কেট প্লেস রয়েছে যেখানে এই কাজগুলো পাওয়া যায়। তাই ওয়েব ও গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে পারে একজন ফ্রিল্যান্সারের সবচেয়ে উপযোগী পেশা।
কনটেন্ট রাইটিং :অনলাইনে আয় করার অন্যতম সহজ ও সম্ভাবনাময় উপায় হচ্ছে লেখালেখি, যেটিকে আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং অথবা কনটেন্ট ডেভেলপিং বলা হয়। যারা ইংরেজিতে ভালো তারাই লেখালেখিকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারেন। কনটেন্ট রাইটাররা বিভিন্ন কাজের জন্য কনটেন্ট লিখে থাকেন। ওয়েব কনটেন্ট ছাড়াও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বই, ব্রশিউর, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারের কাজে কনটেন্ট ডেভেলপ করা হয়ে থাকে। একজন কনটেন্ট ডেভেলপারের অনেক কাজের ক্ষেত্র রয়েছে। ক্ষেত্রগুলো হলো_ কপি রাইটিং, প্লগ লেখা, ওয়েব কনটেন্ট, প্রেস রিলিজ রাইটিং, ট্রান্সলেশন, ট্রান্সক্রিপশন, সামারাইজেশন, রিজিউম রাইটিং, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি। 
তবে বিষয়বস্তু যাই হোক না কেন, একজন ওয়েব কনটেন্ট রাইটারকে কোনো নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করে ডেটাবেজ তৈরি করতে হয়। উন্নত বিশ্বে একজন কনটেন্ট রাইটারকে একজন সাংবাদিক আবার গবেষকও অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশে এমন অনেক ফ্রিল্যান্স লেখক আছেন যারা ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ ডলার আয় করে থাকেন। 
ব্লগিং অ্যান্ড অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং : অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বাংলাদেশ থেকে অনেক তরুণ-তরুণী ব্লগিং-অ্যাফিলিয়েটের মাধ্যমে নিজেদের স্মার্ট ক্যারিয়ার নিশ্চিত করেছেন। এই সেক্টর থেকে প্রতি মাসে ২ থেকে ১০ হাজার ডলার আয় করছেন এমন সফল ব্লগার ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের সংখ্যাও এখন অনেক। ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রায় একই বিষয়। দুটিই একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক বিশ্বে ব্লগারদের সাংবাদিক হিসেবেও এখন গণ্য করা হয়। স্মার্ট ক্যারিয়ার হিসেবে তাই ব্লগিং এখন ওয়েব উদ্যোক্তাদের মধ্যে 'হট-কেক'!
ব্লগিংয়ের মাধ্যমে অনেক উপায়েই আয় করা যায়, তার মধ্যে গুগল অ্যাডসেন্স আমাদের দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়। সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্টের এ বিজ্ঞাপন প্লাটফর্মের মাধ্যমে প্রতি মাসে ১০ হাজার ডলারের ওপরে আয় করছেন এমন ব্লগারের সংখ্যাও বাংলাদেশে রয়েছে। 
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন : ইন্টারনেট বাণিজ্যের এই যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানকে তো কল্পনাই করা যায় না! আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলে না। একটি ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চে প্রথম দিকে নিয়ে আসার যে কৌশল সেগুলোকেই মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন [এসইও] বলা হয়ে থাকে। দিন দিন বিশ্বব্যাপী যত ওয়েবসাইট বাড়ছে, এসইও কাজের ক্ষেত্রও অনেক বাড়ছে। এসইও বিশ্বে বাংলাদেশ এখন খুব পরিচিত একটি নাম। আপনি যদি ইংরেজিটা মোটামুটি জানেন, তবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা শুরু করে দিতে পারেন। 
সতর্ক থাকুন :অনলাইন মার্কেট প্লেস সহজে আয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। অনলাইন মার্কেটে বর্তমানে স্প্যামিং সংশ্লিষ্ট কাজের সংখ্যা বেড়েছে। বিষয় ভিত্তিক দক্ষতা না থাকলেও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে এ ধরনের কাজ করে অনেকেই অর্থ আয় করছেন। তবে এ ধরনের কাজের মাধ্যমে মূলত স্প্যামারদেরকেই উৎসাহিত করা হচ্ছে। ফলে ক্যাপচা লেখার মতো কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 
জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসের বাংলাদেশ প্রতিনিধিরা বলছে, ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েই কাজে নামা উচিত। এজন্য নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ বেছে নিতে হবে। প্রয়োজনে অনলাইন থেকে কনটেন্ট সংগ্রহ করে কিংবা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে কাজ শিখতে হবে। 
[From Daily Shomokal]